শিরোনাম
প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ১৮:৫৫
আপডেট : ২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ১৮:৫৬
প্রিন্ট করুন printer

ডায়াবেটিস জার্নি অ্যাপ ও চিকিৎসা নীতিমালা বিতরণ শুরু করেছে বাডাস

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

ডায়াবেটিস জার্নি অ্যাপ ও চিকিৎসা নীতিমালা বিতরণ শুরু করেছে বাডাস

চিকিৎসকদের মাঝে ডায়াবেটিস জার্নি অ্যাপ ও চিকিৎসা নীতিমালার বিতরণ শুরু করেছে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি (বাডাস)। ডায়াবেটিস রোগীদের স্বাস্থ্যসেবায় ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার এবং চিকিৎসকদের সুবিধার্থে অ্যাপ ও নীতিমালা ভিত্তিক চিকিৎসা ব্যবস্থার সূচনা করতেই এই প্রচেষ্টা নিয়েছে বাডাস।

এই অ্যাপটি “ডায়াবেটিস কেয়ার বাডাস গাইডলাইন” অনুযায়ী কাজ করবে। বাডাস এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অসংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি যৌথভাবে এই চিকিৎসা নীতিমালাটি প্রণয়ন করেছে। অ্যাপটি নির্মাণ ও চিকিৎসা নীতিমালা প্রণয়নে বাডাসের সহযোগী হয়ে কাজ করেছে বিশ্বের বৃহত্তম ইনসুলিন নির্মাতা কোম্পানি নভো নরডিস্ক।

রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চিকিৎসকদের মাঝে ডায়াবেটিস জার্নি অ্যাপ ও চিকিৎসা নীতিমালার বিতরণ শুরু করেছে বাডাস। এই অ্যাপটি কীভাবে ব্যবহার করতে হবে সে বিষয়ে চিকিৎসকদের জন্য দেশব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচিও চালু করা হবে।

অনুষ্ঠানে বাডাসের সভাপতি অধ্যাপক ডা. একে আজাদ খান বলেন, “চিকিৎসকদের সহায়ক অনুষঙ্গ হিসেবে অ্যাপ ও নীতিমালাটি তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে ডায়াবেটিস রোগীদের ওষুধ দেয়ার ক্ষেত্রে আরো বিচক্ষণতার সাথে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন চিকিৎসকরা।”

আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশনের সভাপতি (নির্বাচিত) অধ্যাপক আখতার হোসেন বলেন, “ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে এবং এক্ষেত্রে আরো মানসম্মত চিকিৎসা জরুরী হয়ে পড়েছে। তিনি আরো বলেন, “অ্যাপ ও নীতিমালাটি মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিতকরণে সহযোগী হবে এবং এর মাধ্যমে রোগীরা আরো স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবন যাপন করতে পারবেন।”

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অসংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক মো. রোবেদ আমিন বলেন, “চিকিৎসকদের সক্ষমতা আরো বাড়ানো এখন সময়ের দাবি এবং ডায়াবেটিস চিকিৎসার আধুনিকায়নে এই উদ্যোগগুলো নেয়া হয়েছে।”

বাডাসের মহাসচিব মো. সায়েফ উদ্দিন বলেন, “স্বাস্থ্য সেবায় ডিজিটাল প্রণালী চালু করতে নভো নরডিস্কের সহায়তায় বাডাস অনেকগুলো উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ডায়াবেটিস জার্নিঅ্যাপ এবং দেশে প্রথমবারের মতো জাতীয় ডায়াবেটিস রোগী নিবন্ধন সেই ডিজিটাল উদ্যোগেরই উদাহরণ যা বাংলাদেশ সরকারের ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ রূপকল্পের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।”

অনুষ্ঠানে ঢাকার সিভিল সার্জন ডা. আবু হোসেন মো. মইনুল আহসান, বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক মো. ফারুক পাঠান, জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা নেটওয়ার্কের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডা. এম এ সামাদ, বারডেম জেনারেল হাসপাতালের মহাপরিচালক অধ্যাপক এম কে আই কাইয়ুম চৌধুরী, ডায়াবেটিস এশিয়া স্টাডি গ্রুপের মহাসচিব এবং সেন্টার ফর গ্লোবাল হেলথ রিসার্চের কো-অর্ডিনেটর ডা. বিশ্বজিৎ ভৌমিক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অসংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির প্রোগ্রাম ম্যানেজার ড. আবদুল আলীম, নভো নরডিস্ক বাংলাদেশের ডিরেক্টর অব কমার্শিয়াল অ্যাফেয়ার্স মো. তানবির সাজীব এবং ডিরেক্টর অব ক্লিনিক্যাল, মেডিকেল, রেগুলেটরি এন্ড কোয়ালিটি অ্যাফের্য়াস মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৬:১৮
প্রিন্ট করুন printer

বাংলাদেশে রিয়েলমির এক বছর

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশে রিয়েলমির এক বছর

স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি ২০২০ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের স্মার্টফোন বাজারে তাদের যাত্রা শুরু করে। এক বছরের মধ্যেই ব্র্যান্ডটি দেশের মোবাইল বাজারে উল্লেখযোগ্য শেয়ার দখল করে নিয়ে বিস্ময়কর প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। পাশাপাশি ২০২০ সালে যেকোন মোবাইল ব্র্যান্ডের মধ্যে সর্বোচ্চ ১২টি স্মার্টফোন এবং ৫টি স্মার্ট ডিভাইসেস লঞ্চ করে বাজারে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে রিয়েলমি। এছাড়া, প্রতিটি স্মার্টডিভাইস নির্দিষ্ট প্রাইজ রেঞ্জে তরুণদের মন জয় করে নিয়েছে।

বাংলাদেশের বাজারে প্রথম বছরে রিয়েলমি রেকর্ড সংখ্যক স্মার্টফোন বিক্রি করেছে। ২০২০ সালে দারাজে মাত্র এক মিনিটে ৩,০০০ এরও বেশি রিয়েলমি সি১৭ স্মার্টফোন বিক্রি হয় এবং উক্ত অনলাইন মার্কেটপ্লেসে মাত্র এক মিনিটেরও কম সময়ে ১,৫০০ রিয়েলমি সিক্স হ্যান্ডসেট বিক্রি হয়েছিল। উভয় স্মার্টফোনই তাদের নিজস্ব মূল্য পরিসরে দারাজের অনলাইন বিক্রয়ে রেকর্ড গড়েছে। রিয়েলমি সি১৭ রিয়েলমির সি সিরিজের একটি ফোন। সি সিরিজের ফোনগুলো মূলত এন্ট্রি-লেভেলের ব্যবহারকারীদের জন্য। রিয়েলমি সিক্স রিয়েলমির নাম্বার সিরিজের ফোনগুলোর অন্তর্ভুক্ত, যেগুলো মূলত মিড লেভেল ব্যবহারকারীদের জন্য। মিড লেভেল স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা এমন কিছু অ্যাপ ব্যবহার করেন যেগুলো চালাতে মৌলক ফিচারের বাইরেও বেশ কিছু উন্নতমানের ফিচারের প্রয়োজন। বাংলাদেশে ২০২০ সালে রিয়েলমির আনা সর্বশেষ ফোনটি ছিল জি৮৫ গেমিং প্রসেসর যুক্ত নারজো ২০, যার ২০০০ ইউনিট দারাজে মাত্র ২ মিনিটে বিক্রি হয়। এটি দারাজে সবচেয়ে দ্রুত বিক্রি হওয়া গেমিং স্মার্টফোন। গেমিং ফোনের মধ্যে নারজো সিরিজের ফোনগুলোতে রয়েছে শক্তিশালী প্রসেসর এবং দুর্দান্ত ফিচার, যা গেমিংয়ের অভিজ্ঞতা বহুগুণে বাড়িয়ে তুলে। 

গত এক বছরে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জন করায় রিয়েলমির সাফল্য এখন তুঙ্গে। ইতোমধ্যে তারা বাংলাদেশের বাজারে শীর্ষ চারে নিজেদের অবস্থান পাকাপোক্ত করেছে। কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের দেয়া তথ্য অনুসারে, ২০২০ সালের প্রথম প্রান্তিকে রিয়েলমি বাংলাদেশে ১০০০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করে। পরের প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধির হার ছিল ২৫০ শতাংশ এবং পরবর্তী প্রান্তিকেও এই হার অব্যাহত ছিল। 

এর ফলে, রিয়েলমি দেশের মোবাইল বাজারে উল্লেখযোগ্য শেয়ার দখল করতে সক্ষম হয়েছে। ২০২০ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে, রিয়েলমির মার্কেট শেয়ার অংশ ছিল ৬ শতাংশ, যা বেশ দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। ধাপে ধাপে এক বছরেই রিয়েলমি বাংলাদেশের শীর্ষ স্মার্টফোন ব্র্যান্ডের একটি হয়ে উঠেছে। কিছু দিন আগে, ২০২০ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে শিপমেন্টের ক্ষেত্রে রিয়েলমি ‘শীর্ষ ১০ টিডব্লিউএস ব্র্যান্ডস’-এ জায়গা করে নেয় (কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চ অনুসারে)।

একাধিক তথ্য প্রতিবেদন অনুসারে, ১৮-২৫ বছর বয়সী তরুণরা রিয়েলমি স্মার্টফোন এবং এআইওটি পণ্যের মূল ভক্ত। এজন্য কাউন্টারপয়েন্ট এমন সম্ভাবনা তুলে ধরেছে যে, ‘ওয়্যারেবলসের ক্ষেত্রে রিয়েলমি স্মার্টফোনে তার সাফল্যের ধারা বজায় রাখবে।’ ভক্ত এবং ব্যবহারকারীরা রিয়েলমির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং ব্র্যান্ডটি নিয়মিত বিভিন্ন জরিপ, অনলাইন ও অফলাইন দোকানে পর্যালোচনার মাধ্যমে তাদের ভক্ত এবং ব্যবহারকারীদের মতামত নিয়ে থাকে।

সামনের বছরগুলোতেও রিয়েলমি তাদের এই সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখবে এমন আশা প্রকাশ করে, রিয়েলমি বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার টিম শাও বলেন, ‘এমন বিপুল পরিমাণ সমর্থনের জন্য আমরা আমাদের ভক্ত ও ব্যবহারকারীদের কাছে অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। এতো অল্প সময়ের মধ্যে আমরা যে ভালবাসা পেয়েছি তাতে আমরা অভিভূত। বাংলাদেশে যাত্রার দ্বিতীয় বছরে আমরা নিশ্চিতভাবে আরও আকর্ষণীয় এবং উদ্ভাবনী ট্রেন্ডি স্মার্টফোন এবং পণ্য গ্রাহকদের জন্য নিয়ে এসে তাদের চমকে দেব।’ 

‘ডেয়ার টু লিপ’ চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে, তরুণদের পছন্দের ব্র্যান্ড রিয়েলমি দ্বিতীয় বছরে আরও বেশি ফ্ল্যাগশিপ ফোন এবং ট্রেন্ড-সেটিং এআইওটি পণ্য বাজারে এনে বাংলাদেশের ১ নম্বর স্মার্টফোন ব্র্যান্ডে পরিণত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। ভক্তরা এ বছরই রিয়েলমির সুপার ফ্ল্যাশশিপ এক্স সিরিজের স্মার্টফোনগুলোর অভিজ্ঞতা লাভের সুযোগ পাবে। এরই সাথে ‘ডেয়ার টু লিপ’ প্রযুক্তির ট্রেন্ডসেটার হিসেবে ব্র্যান্ডটি বাংলাদেশের বাজারে ৫জি স্মার্টফোন নিয়ে আসবে। এছাড়াও, খ্যাতনামা ব্যক্তি ও ইনফ্লুয়েন্সারদের সাথে বিভিন্ন ‘ডেয়ার টু লি’ ক্যাম্পেইন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে রিয়েলমির। এই বছর রিয়েলমি ফ্যাশন, গান, খেলাধুলা এবং অন্যান্য তরুণ-কেন্দ্রিক কার্যকলাপের মাধ্যমে ভক্ত এবং তরুণদের সাথে নিজেদের আরও যুক্ত করবে।

 

বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৬:২৮
প্রিন্ট করুন printer

প্রি বুকিং শুরু ভিভো ওয়াই২০জি স্মার্টফোনের

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

প্রি বুকিং শুরু ভিভো ওয়াই২০জি স্মার্টফোনের

চলতি বছরের প্রথম দুই মাসেই দেশের বাজারে ওয়াই সিরিজের দু’টি স্মার্টফোন এনেছিলো শীর্ষস্থানীয় গ্লোবাল স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভিভো। এর মধ্যে একটি হলো-ভিভো ওয়াই১২এস এবং অন্যটি ভিভো ওয়াই৫১। 

এরই ধারাবাহিকতায় এবার আরো একটি ওয়াই সিরিজের স্মার্টফোন নিয়ে আসছে ভিভো। নতুন এই ফোনের মডেল ভিভো ওয়াই২০জি। 

আজ বৃহস্পতিবার থেকে বাংলাদেশি গ্রাহকরা ভিভো ওয়াই২০জি এর জন্য প্রি বুকিং দিতে পারছেন। প্রি বুকিংয়ের এ সুযোগ চলবে আগামী ১ মার্চ পর্যন্ত। স্মার্টফোনটি পাওয়া যাচ্ছে অবসিডিয়ান ব্ল্যাক ও পিওরিস্ট ব্লু রঙে। বাংলাদেশে ভিভো ওয়াই২০জি এর মূল্য মাত্র ১৭ হাজার ৯৯০ টাকা। 

ভিভো ওয়াই২০জি-তে আছে ৫০০০ এমএএইচ সক্ষমতার শক্তিশালী ব্যাটারি এবং ১৮ ওয়াটের ডুয়াল ইঞ্জিন ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তি।  সাথে আরো  রয়েছে ৬জিবি র‌্যাম ও ১২৮ জিবি রমের বিশাল স্টোরেজ। 

ভিভো ওয়াই২০জি স্মার্টফোনটিতে ৬ দশমিক ৫১ ইঞ্চির বড় ডিসপ্লে রয়েছে; যেখানে স্ক্রিন টু বডি রেশিও হলো ৮৯% এবং রেজ্যুলোশন ১৬০০ x৭২০  (এইচডি প্লাস)। ওয়াই১২এস এর মতো ভিভো ওয়াই২০জি’তেও যুক্ত করা হয়েছে সাইড মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তি; যা দিয়ে অনস্ক্রিন মোডে ফোন আনলক করা যায় মাত্র ০ দশমিক ১৭ সেকেন্ডে। 

ভিভো ওয়াই২০জি পরিচালিত হচ্ছে অপারেটিং সিস্টেম ফানটাচ ওএস ১১ দিয়ে।  এ স্মার্টফোনটিতে আরো আছে চমৎকার তিনটি ব্যাক ক্যামেরা ও একটি ফ্রন্ট ক্যামেরা। এর আগে প্রতিবেশি দেশ ভারতেও ব্যাপক সাড়া ফেলে ভিভোর ওয়াই২০জি স্মার্টফোন। এরই ধারাবাহিকতায় এবার বাংলাদেশের মার্কেটে যাত্রা শুরু করতে চাচ্ছে ভিভোর ওয়াই২০জি।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৭:০৭
প্রিন্ট করুন printer

এশিয়াটিক থ্রিসিক্সটির নতুন চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান নূর

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

এশিয়াটিক থ্রিসিক্সটির নতুন চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান নূর

এশিয়াটিক থ্রিসিক্সটির নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেলেন হলেন আসাদুজ্জামান নূর। সেই সাথে গ্রুপের নতুন কো-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন হয়েছেন সারা যাকের। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গ্রুপের পরিচালনা পর্ষদের এক সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং এই সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে বলবৎ করা হয়।

এর আগে তাঁরা যথাক্রমে ভাইস চেয়ারম্যান এবং এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। 

আসাদুজ্জামান নূর বলেন, এশিয়াটিক থ্রিসিক্সটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়া আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের বিষয়। এমন সুবর্ণ অতীত এবং অসীম সম্ভাবনাময় একটি প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব প্রদান আমার জন্য অবশ্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব এবং এই দায়িত্ব পালনের জন্য আমার ওপর যারা আস্থা রেখেছেন তাদের সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমার বিশ্বাস, শ্রদ্ধেয় আলী যাকের’র রেখে যাওয়া দিক নির্দেশনাকে আমরা আরও ফলপ্রসূ করতে সক্ষম হবো। 

সারা যাকের বলেন, দেশের যোগাযোগ মাধ্যম খাতে এশিয়াটিক থ্রিসিক্সটি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য কাজ এবং দায়িত্বশীল কর্মপরিধির মধ্য দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। ৫০ বছরের অধিক সময়ের যাত্রায় আমাদের অর্জন আমাদের নিজেদের জন্যই নতুন মাপকাঠি তৈরি করেছে, যা কেবল ধারাবাহিকভাবে কঠোর পরিশ্রম এবং উদ্ভাবনের মাধ্যমেই উত্তরণ সম্ভব।

এই যাত্রায় যারা আমাদের অংশীদার হয়েছেন, তাদের সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ। নতুন কো-চেয়ারম্যান হিসেবে সামনের দিনগুলোতে আমি সবার কাছ থেকে একই রকম সহযোগিতা কামনা করছি।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৪:০৬
প্রিন্ট করুন printer

ন্যাচারাল ময়মুনা টাওয়ারে অ্যাপার্টমেন্ট হস্তান্তর

অনলাইন ডেস্ক

ন্যাচারাল ময়মুনা টাওয়ারে অ্যাপার্টমেন্ট হস্তান্তর

ঢাকার উত্তরা বাউনিয়াস্থ ৫২ নাম্বার ওয়ার্ডের আওতাধীন ন্যাচারাল ময়মুনা টাওয়ার্, নির্মাণ কাজ শেষে অ্যাপার্টমেন্ট মালিকদের মাঝে হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া অ্যাপার্টমেন্ট মালিক সমিতি গঠন করা হয়। গত ২২শে ফেব্রুয়ারি এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ন্যাচারাল ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট এর চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার হোসেন, ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোঃ আনোয়ার হোসেন। 

ফ্ল্যাট মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আবুল কালাম আজাদ ও এম মাহফুজুর রহমান, ফ্ল্যাট মালিক সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন মোঃ নাছির, মোঃ শফিকুল ইসলাম, মোঃ আকবর মুন্সি, মোঃ মিলন, মোঃ মহিউদ্দিন ও মোঃ দেলোয়ার।

ন্যাচারাল ময়মুনা টাওয়ারে দশটি ফ্লোরে মোট ৩৬ টি ফ্ল্যাট  ও নিচতলায় ডেইলি মার্ট নামের একটি সুপারসপ রয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৭:৪৭
প্রিন্ট করুন printer

আইটেল ‘ভিশন ১ প্রো’

অনলাইন ডেস্ক

আইটেল ‘ভিশন ১ প্রো’

দেশের বাজারে আইটেল নিয়ে এলো ৩ জিবি র‌্যাম ভার্সনের ‘ভিশন ১ প্রো’ স্মার্টফোন। ৬.৫" এইচডি + ডিসপ্লের স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ৩২ জিবি ইন্টারন্যাল স্টোরেজ এছাড়াও এতে যুক্ত করা হয়েছে বিশেষ কিছু ফিচার। এক কথায় বলা যায় স্মার্টফোনটি ২০২১ সালের বাজেট-বান্ধব সেরা স্মার্টফোনগুলোর মধ্যে একটি।

পছন্দসই ইন্টারন্যাল স্টোরেজ ছাড়াও এই ডিভাইসে থাকা ডেডিকেটেড মাইক্রোএসডি কার্ড স্লটের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা ১২৮ জিবি পর্যন্ত অতিরিক্ত স্টোরেজ বাড়াতে পারবেন। ৬.৫" এইচডি + ওয়াটারড্রপ ফুলস্ক্রিন ডিসপ্লে আইটেল ভিশন ১ প্রো স্মার্টফোনটিকে আরো ফ্যাশনেবল ও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

ফোনটিতে ‘আয়তক্ষেত্রাকার’ আকৃতির ট্রিপল-ক্যামেরা সেট আপ করা হয়েছে। ৮ মেগাপিক্সেলের মূল এবং ২ এমপি ম্যাক্রো লেন্সের সাথে একটি ডেপথ-সেন্সরের সমন্বয়ে নিয়ে আসা নতুন ফোনটি দিয়ে আপনি দুর্দান্ত ছবি এবং ভিডিও করতে পারবেন। 

৫ এমপি ফ্রন্ট ক্যামেরার সাথে থাকা এআই ফেস বিউটি ৩.০ প্রযুক্তির কারণে সেলফিগুলোকে আরও বেশি আকর্ষণীয় করে তুলবে। এতে থাকা দুর্দান্ত এআই ডার্ট লেন্স ডিটেক্টরের কারণে কোনও ময়লা বা ধূলিকণা ধরা পড়লে লেন্স পরিষ্কার করার জন্য আপনাকে রিমাইন্ডার দেবে।

এআই পাওয়ার মাস্টার ফিচার যুক্ত আইটেল ‘ভিশন ১ প্রো’তে রয়েছে শক্তিশালী ৪০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি। ফোনটি দিয়ে অবিচ্ছিন্নভাবে ৭ ঘণ্টা ভিডিও দেখা যাবে। এতে থাকা এআই পাওয়ার মাস্টার প্রযুক্তির কারণে ব্যাটারিটি বুদ্ধিমত্তার সাথে পাওয়ার সেইভ করে ব্যাটারির আয়ু ৩৫% পর্যন্ত বাড়ানো যাবে।

মাত্র ৮.৫ মিমি থিকনেসের প্রায় ১৬৪ গ্রাম ওজনের ‘ভিশন ১ প্রো’ ফোনটি আইটেলের এযাবৎকালে নিয়ে আসা সবচেয়ে স্লিম স্মার্টফোনগুলোর মধ্যে একটি। ৩ জিবির ‘ভিশন ১ প্রো’ ফোনটি ডেজেল ব্লাক এবং কসমিক শাইন- এ দুটি আকর্ষণীয় রঙে পাওয়া যাচ্ছে।

সবকিছু মিলিয়ে, আইটেল ভিশন ১ প্রো একটি ডিসেন্ট এবং বাজেট-বান্ধব স্মার্টফোন। এখনি আপনার নিকটবর্তী মোবাইল স্টোরে গিয়ে স্টাইলিশ আইটেল ‘ভিশন ১ প্রো’ স্মার্টফোনটি যাচাই করে আসতে পারেন। আইটেল ‘ভিশন ১ প্রো’ (৩ জিবি) এর বাজার দরসহ আরও বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন এখানে

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এই বিভাগের আরও খবর