শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৪ নভেম্বর, ২০২০ ২৩:০৯

পদ্মায় আটকা ৩০ কার্গো

নাব্য সংকটে দৌলতদিয়া বাঘাবাড়ী নৌপথ

দেবাশীষ বিশ্বাস, রাজবাড়ী

নৌপথে পণ্য পরিবহনের জন্য রাজবাড়ী দৌলতদিয়া ঘাট থেকে পাবনার নগরবাড়ী হয়ে সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রুট। নাব্য সংকট এবং অসংখ্য ডুবোচরের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে দৌলতদিয়া-বাঘাবাড়ী নৌপথ। এতে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ৩০টি কার্গো রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আটকা পড়েছে। এ সব কার্গোতে সার, কয়লা ও ক্লিকারসহ বিভিন্ন পণ্য রয়েছে। সরেজমিনে মঙ্গলবার নৌপথ এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, দৌলতদিয়ায় প্রস্তাবিত ৭ নম্বর ফেরিঘাটের পাশে  বাহিরচর এলাকায় পদ্মায় নোঙর করে আছে বিভিন্ন পণ্যবোঝাই ছোট-বড় ৩০টি কার্গো জাহাজ। এ সব কার্গো থেকে ছোট ছোট বলগেটে ইউরিয়া সার, সিমেন্ট তৈরির কাঁচামালসহ অন্য পণ্য নামানো হচ্ছে। কয়েকজন কার্গোর মাস্টার জানান, দৌলতদিয়া-বাঘাবাড়ী নৌপথে বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য ডুবোচর সৃষ্টি হয়েছে। এ নৌপথ দিয়ে পণ্যবোঝাই ১২-১৩ ড্রাফটের কার্গো চলাচলের জন্য ১৫ ফুট গাভীরতা দরকার। বর্তমানে এ নৌপথে পানি রয়েছে মাত্র ৬-৮ ফুট। যে কারণে দৌলতদিয়া এসে কার্গোগুলো আটকা পড়েছে।

মেসার্স পোটন ট্রেডার্সের এমভি রোদেলার মাস্টার আরিফুজ্জামন বলেন, প্রায় ১০ বছর ধরে শুষ্ক মৌসুমে এ নৌপথটি বন্ধ হয়ে যায়। তখন এ রুট দিয়ে কার্গো জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে মালিক পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিভিন্ন বন্দর থেকে ছেড়ে আসার ২১ দিনের মধ্যে পণ্য খালাস করে পুনরায় বন্দরে ফিরে না যেতে পারলে দ্বিগুণ ভাড়া পরিশোধ করতে হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মাস্টার জানান, শোনা যায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে প্রতি বছর ড্রেজিংয়ের জন্য অনেক টাকা ব্যয় হয়। কিন্তু বছরের পর বছর এই নৌপথ ড্রেজিং করা হয় হয় না। দৌলতদিয়া-বাঘাবাড়ী নৌপথ নিয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিএর) রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া কার্যালয়ের কোনো কর্মকর্তা কথা বলতে রাজি হয়নি। বিষয়টি নিয়ে বিআইউব্লিউটিএর আরিচা কার্যালয়ের ড্রেজিং বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর সুলতান আহম্মেদ খানের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর