শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ৫ ডিসেম্বর, ২০২০ ২৩:৪১

সীতাকুন্ডে অভিন্ন সমস্যায় আওয়ামী লীগ-বিএনপি

মুহাম্মদ সেলিম, চট্টগ্রাম

সীতাকুন্ডে অভিন্ন সমস্যায় আওয়ামী লীগ-বিএনপি

চট্টগ্রাম সীতাকুন্ড পৌরসভার নির্বাচনে অভিন্ন সমস্যায় রয়েছে আওয়ামী লীগ ও রাজনীতির মাঠে অন্যতম প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি। মেয়র পদে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিলেও বিএনপির একাধিক প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে। মেয়র পদে ঠিক উল্টো চিত্র ওয়ার্ড পর্যায়ে। কাউন্সিলর পদে বিএনপি একক প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিলেও আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের ছড়াছড়ি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে।  চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান বলেন, ‘কাউন্সিলর পদে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। তাই কাউন্সিলর পদে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার চিন্তা করছি না। তবে স্থানীয় নেতারা যদি দলীয় সমর্থন নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দেয় তাতে আমাদের সমর্থন থাকবে।’ জানা যায়, সীতাকুন্ড উপজেলা বিএনপি-জামায়াত অধ্যুষিত হলেও পৌর এলাকায় শক্তিশালী অবন্থানে রয়েছে আওয়ামী লীগ। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত পৌর এলাকার বার বার নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা। সর্বশেষ পৌর নির্বাচনে মেয়র হিসেবে বিজয়ী হন  পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদিউল আলম। এবারও তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন। আওয়ামী লীগের পাশাপাশি সর্বশেষ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী আবুল মুনছুরকে এবার দল থেকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তার গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়ে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জহিরুল ইসলাম। তিনি নাগরিক কমিটির ব্যানারে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। মেয়র পদে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী থাকলেও কাউন্সিলর পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর ছড়াছড়ি। প্রায় ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের দুই থেকে ১০ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। যার মধ্যে ১ নং ওয়ার্ডে  মনোনয়ন জমা দেওয়া ৮ প্রার্থীর মধ্যে ৭ জনই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত, ২ নং ওয়ার্ডে ৬ জনের মধ্যে ৫ জনই আওয়ামী লীগের নেতা, ৩ নং ওয়ার্ডে ৮ জনের মধ্যে একজন করে বিএনপি ও জাতীয় পার্টির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত বাকিরা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। সংরক্ষিত ৩ মহিলা কাউন্সিলর পদেও অভিন্ন চিত্র। এরই মধ্যে একজন বাদে সবাইকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের নির্দেশনা দেওয়া হলেও প্রায় সবাই অনড় রয়েছে নির্বাচন করার বিষয়ে।  আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী বদিউল আলম বলেন, ‘প্রতি ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী দেওয়ার প্রচেষ্টা করছে স্থানীয় নেতারা। তারপরও কাউন্সিলর পদে আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থীর প্রভাব পড়বে না নির্বাচনে। বিএনপির প্রার্থী আবুল মুনছর বলেন, ‘বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে চিন্তা করছি না। আমার মূল চিন্তাই হচ্ছেন সুষ্ঠু নির্বাচন।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর