শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ১২ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১১ মার্চ, ২০২১ ২৩:০৩

‘কালো সোনায়’ সোনালি স্বপ্ন

অজয় দাস, ভাঙ্গা

‘কালো সোনায়’ সোনালি স্বপ্ন
ভাঙ্গার বিভিন্ন মাঠে শোভা পাচ্ছে পিঁয়াজ বীজ -বাংলাদেশ প্রতিদিন

পিঁয়াজ চাষের জন্য ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার খ্যাতি দীর্ঘদিনের। এখানকার চাষিরা পিঁয়াজের পাশাপাশি চাষ করেন পিঁয়াজের বীজ। যা স্থানীয়ভাবে ‘কলো সোনা’ হিসেবে পরিচিত। গত বছর পিঁয়াজ বীজের দাম অনেক বেড়ে যাওয়ায় এ এলাকার চাষিরা এ বছর পিঁয়াজের দানা আবাদ বেশি করেছেন। এ বছর উপজেলায় ৪৩০ হেক্টর জমিতে পিঁয়াজের দানার চাষ হয়েছে। মাঠে ফলনও ভালো হয়েছে। আর মাস খানেক পরে বীজ চাষিরা ঘরে তুলতে পারবেন।

ভাঙ্গার ঘারুয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও চৌকিঘাটা গ্রামের বাসিন্দা সফিউদ্দিন মোল্লা জানান, এ অঞ্চলে স্বাধীনতার ২-১ বছর আগে চৌকিঘাটা গ্রামের আ. বারেক প্রথম পিঁয়াজ বীজ চাষ শুরু করেন। তার দেখাদেখি অন্য চাষিরা উৎসাহিত হন। ওই সময় বীজ চাষ করে চৌকিঘাটা গ্রামের চাষিরা লাভবান হতে থাকে। এদের দেখাদেখি আশেপাশে গ্রামের মানুষ পিঁয়াজের বীজ চাষে উৎসাহিত হন। এখন পুরো ভাঙ্গাসহ অন্য উপজেলায়ও পিঁয়াজের বীজ চাষ ছড়িয়ে পড়েছে। গত বছর প্রতি কেজি পিঁয়াজ বীজ ৫-৬ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এ এলাকার বীজ কুষ্টিয়া, পাবনাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে যায়। ভাঙ্গার বামনকান্দা গ্রামের পিঁয়াজের বীজ চাষি দেলোয়ার হোসেন জানান, ফলন ভালো হলে খরচ কোনো বিষয় না। ভাঙ্গা পৌরসভার আতাদী মহল্লার বসার মাতুব্বর বলেন, আমাদের অঞ্চলের চাষিরা পিঁয়াজ বীজ চাষ করে অর্থনৈতিকভাবে ভালো আছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুদর্শন শিকদার বলেন, ভাঙ্গা এলাকার পিঁয়াজের বীজের মান বেশ ভালো। চাষিরাও এ বীজ চাষে লাভবান হচ্ছে। এ বছর বীজ খেতের অবস্থা ভালো।


আপনার মন্তব্য