প্রকাশ : সোমবার, ২২ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২১ মার্চ, ২০২১ ২২:৫৯

সম্মেলন ঘিরে কাদা ছোড়াছুড়ি

নিজস্ব প্রতিবেদক

পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন ঘিরে অভ্যন্তরীণ কাদা ছোড়াছুড়ি বাড়ছে। একে অপরকে ঘায়েল করতে উঠেপড়ে লেগেছেন বলে অভিযোগ উঠছে। ডিসেম্বরের আগেই জেলার সম্মেলন করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক ইতিমধ্যে কয়েকটি উপজেলার সম্মেলনও শেষ করেছেন। যোগ্য প্রার্থীকে ‘ঘায়েল’ করতে লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে নানা রকম ‘তকমা’।

এমন অভিযোগ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও পাবনা-২ আসনের সাবেক এমপি খন্দকার আজিজুল হক আরজুর। তিনি বলেন, ‘জেলা-উপজেলার সম্মেলনে দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ত্যাগী ও পরীক্ষিত এবং বঞ্চিত নেতা-কর্মীদের মূল্যায়ন করছেন। সে কারণে আমাকে নানা রকম তকমা লাগানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।’ উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, “৮ মার্চ বেড়া উপজেলার নাটিয়াবাড়ীতে একটি অবৈধ অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুজনকে আটক করে। এ ঘটনায় ‘সাবেক এমপি খন্দকার আজিজুল হক আরজুর ভাতিজার বাড়িতে অভিযান’ শীর্ষক সংবাদও ছাপা হয়েছে। যাকে আমার ভাতিজা বলা হয়েছে, সে আমার রক্তের কেউ না। একটি স্বার্থান্বেষী মহল আমাকে হেয় করতেই এ সংবাদ পরিবেশন করিয়েছে। সব পরিকল্পনা হচ্ছে জেলা সম্মেলন ঘিরে।”

২০১৪ সালের ২০ ডিসেম্বর পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এতে তৎকালীন ভূমিমন্ত্রী প্রবীণ রাজনীতিক শামসুর রহমান শরীফ ডিলুকে সভাপতি এবং গোলাম ফারুক প্রিন্স এমপিকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।

এ প্রসঙ্গে রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘ডিসেম্বরের আগেই সম্মেলন করতে সক্ষম হব বলে আশা করছি।’ নেতৃত্বে কেমন লোক আসবে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ক্লিন ইমেজ, ত্যাগী, পরীক্ষিত এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে এমন ব্যক্তিকেই কাউন্সিলররা বেছে নেবেন। কোনো হাইব্রিড, উড়ে এসে জুড়ে বসার ব্যক্তিদের স্থান আওয়ামী লীগে হবে না।’


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর