শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৩ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:২৩

তালিকায় এক পরিবারের ১৫ সদস্য, আছে মৃত ব্যক্তির নাম

শিল্পীদের প্রণোদনা বণ্টনে অনিময়

রাশেদ খান, মাগুরা

মাগুরায় করোনায় কর্মহীন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিদের জন্য প্রণোদনার অর্থ বিতরণে অনিময় ও স্বজন প্রীতির অভিযোগ উঠেছে। মাথাপিছু ১০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ পাওয়া ৪৩৮ জনের তালিকায় মৃত ব্যক্তিসহ একই পরিবারের ৬ থেকে ১৫ সদস্যের নাম রয়েছে। বাদ পড়েছেন প্রকৃত শিল্পী কলাকুশলীদের অনেকে। অভিযোগ আছে, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদকের অসুস্থতার সুযোগে সহ-সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, অজিত রায় এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের একটি চক্র বিভিন্ন ব্যক্তির নাম ও আইডি নম্বর সংগ্রহ করে মনগড়া তালিকা করেন। মাগুরার একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, শিল্পকলার এই প্রণোদনার তালিকায় থাকা নামের মধ্যে ৭০ ভাগই তালিকা প্রস্তুতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পছন্দের। এমনকি মুক্তিযুদ্ধ ও সরকারবিরোধী অনেকের নাম আছে-যারা সংস্কৃতিক ব্যক্তি নন। জেলা শিল্পকলা একাডেমির সহ-সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিত চক্রবর্তী জানান, আমার পরিবারের সদস্যরা যদি প্রণোদনা পাওয়ার উপযোগী হন তাহলে তারা টাকা পেতেই পারেন। আমি কোনো স্বজনপ্রীতি বা দুর্নীতি করিনি। শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার জসিম উদ্দিন জানান, জেলা শিল্পকলা একাডেমি থেকে নামের তালিকা চেয়ে পাঠানোর পর দ্রুত তালিকা পাঠানো হয়েছে। ফলে কিছু অসামঞ্জস্য থাকতেই পারে।

তবে এক পরিবারের ১৫ জনের নাম থাকা দুর্ভাগ্যজনক। জেলা শিল্পকলা একাডেমির জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি শামীম আহমেদ বলেন, ‘এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রণোদনার টাকা বণ্টনের ক্ষেত্রে ব্যাপক সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত ছিল। দুঃখের বিষয় হচ্ছে তালিকা প্রণয়নের সময় শিল্পকলার নির্বাহী কমিটির সদস্যদের অধিকাংশের মতামতই নেওয়া হয়নি।’ জেলা প্রশাসক ড. আশরাফুল আলম জানান, কয়েকজন শিল্প সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির মাধ্যমে আমরা চেষ্টা করেছি সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে তালিকা প্রস্তুত করতে। এখানে কোনো অনিয়ম হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই বিভাগের আরও খবর