শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ১৮ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৭ জুলাই, ২০২১ ২৩:১৩

পদ্মা গিলছে কৃষি জমি বসতভিটা

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

পদ্মা গিলছে কৃষি জমি বসতভিটা
পদ্মায় বিলীন হচ্ছে বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ। মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা শিলই ইউনিয়ন থেকে তোলা ছবি -বাংলাদেশ প্রতিদিন
Google News

পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙনে দিশাহারা মুন্সীগঞ্জ জেলার চরাঞ্চলের শিলই ইউনিয়নের বাসিন্দারা। প্রতি বছর পদ্মার ভাঙনের কবলে পড়ে বিলীন হচ্ছে এলাকার বিস্তীর্ণ কৃষিজমি ও বসতভিটা। চলতি বছর বর্ষার শুরুতে তীব্র ভাঙন দেখায় দেয় ইউনিয়নের তিন কিলোমিটার জায়গাজুড়ে। এলাকায় একটি স্থায়ী বাঁধের দাবি জানিয়ে এলেও বার বার হতাশ হচ্ছেন ভাঙন কবলিতরা। সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার চরাঞ্চলের শিলই ইউনিয়নে কয়েক বছর ধরে পদ্মার ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। বর্ষা মৌসুমে প্রায় প্রতিদিন ওই এলাকার তিন ফসলি জমি বিলীন হচ্ছে পদ্মাগর্ভে। গত কয়েকদিনে প্রায় ১২ একর কৃষি জমি নদীগর্ভে হারিয়ে গেছে। এখনো হুমকিতে রয়েছে শত শত বসতবাড়ি ও ফসলি জমি। ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে মানচিত্র থেকে মুছে যেতে পারে শিলই ইউনিয়ন। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, বছরের পর বছর পদ্মায় ভাঙন চলছে। নদী ভাঙন রোধে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে শুধু প্রতিশ্রুতি পাই। আজও কেউ কার্যকর ব্যবস্থা গ্রাহণ করেনি। স্থানীয় কৃষকরা জানান, আমাদের কৃষি জমি দিনে দিনে নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এখন যেটুকু আছে তা-ও ভাঙতে শুরু করেছে। নদীর তীরে শিগগিরই স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা না গেলে ভাঙন রোধ করা সম্ভব হবে না। শিলই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হাসেম লিটন বলেন, এই এলাকায় কয়েক বছর যাবত ভাঙছে প্রমত্মা পদ্মা। এবার ভাঙনে ইতিমধ্যে ইউনিয়নের বহু জমি ভেঙে গেছে। দ্রুত ভাঙন প্রতিরোধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। তা করা না গেলে এই ইউনিয়নের সব কৃষি জমি হারিয়ে যাবে। বাড়বে বেকারত্ব। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হামিদুর রহমান বলেন, পদ্মা নদীর ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সরকারের পক্ষ ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

এই বিভাগের আরও খবর