নারায়ণগঞ্জের বন্দরে গার্মেন্টকর্মী আসমাকে অপহরণ ও ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় তিন আসামির ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত। এ মামলায় বাকি ৪ আসামিকে খালাস দিয়েছে আদালত। আজ সকাল সাড়ে ১১টায় নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক মো. জুয়েল রানা এ রায় ঘোষণা করেন। মামলায় চার্জশিটে মোট ২৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জন সাক্ষীর জবানবন্দি ও জেরা শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, নূর উদ্দিনের ছেলে নাসির উদ্দিন বিটল (৪০), অকু মিয়ার ছেলে ছফুন (৩৪), মৃত আব্দুস সালামের ছেলে খোকন মিয়া (৩২)।
খালাসপ্রাপ্তরা হলেন, আলমাস ব্যাপারির ছেলে ছালেহ আহমেদ ছালাত (৩৮), মৃত মোমিন আলী মুন্সির ছেলে হাসান কবির মেম্বার (৫৪), আবুল কাশেমের ছেলে আব্দুল আজিজ ওরফে দাড়িওয়ালা আজিজ (৩৯), সুজন মিয়ার ছেলে মো. মিজান (৩৫)। এদের মধ্যে সকলে কারাগারে থাকলেও হাসান কবির মেম্বার পলাতক রয়েছেন।
আদালতের স্পেশাল পিপি রাকিবউদ্দিন আহমেদ রাকিব জানান, আসামিদের জবানবন্দি, সাক্ষীদের দীর্ঘ জেরা শেষে আদালত তিনজনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন এবং বাকি ৪ জনকে খালাস দিয়েছেন।
২০০৮ সালের ১২ মার্চ রাতে মামলার বাদী রাজামিয়ার মেয়ে গার্মেন্টস কর্মী আসমা আক্তার ডিউটি শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে বন্দরের কুশিয়ারা ভদ্রাসন শরবত এর বাড়ির সামনে থেকে আসামিরা আসমাকে অপহরণ করে এবং পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে তাকে হত্যা করে লাশ মাটিচাপা রাখে। এ ঘটনায় আসামি খোকন ২০০৮ সালের ১১ জুন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় ও আসামিদের নাম উল্লেখ করে।
বিডি প্রতিদিন/এ মজুমদার