টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাকুয়া ইনিয়নের চরপৌলী গ্রামের দেড় শতাধিক ঘরবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও সাপ্তাহিক বাজার যমুনা নদীর করাল গ্রাসে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের ফলে ওই এলাকার শতাধিক তাঁত ফ্যাক্টরি হুমকিতে রয়েছে। ভাঙন রোধে এলাকাবাসী স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
প্রতি বছরই যমুনার গর্ভে হাজার হাজার বাড়ি ঘর বিলীন হলেও কার্যকরী কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় এলাকাবাসীর মধ্যে আতংক দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নে বর্ষা মৌসুমে প্রতি বছরই যমুনার ব্যাপক ভাঙন দেখা দেয়। এবছর ভাঙনের তীব্রতা অনেক বেশি। যমুনার পানি বাড়ার সাথে সাথে ভাঙন মারাত্বক আকার ধারণ করেছে। ভাঙনের মুখে বাড়িঘর- তাঁত পল্লীর ঘরগুলো অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছে স্থানীয়রা।
টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাজাহান সিরাজ বলন, যমুনা নদীর ভাঙন ঠেকাতে টাঙ্গাইলের পশ্চিমাঞ্চলে উত্তর-দক্ষিণ বরাবর একটি বেড়িবাঁধ নির্মাণের প্রকল্প মন্ত্রণালয়ের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদন পেলেই কাজ শুরু করা হবে।
বিডি প্রতিদিন/এ মজুমদার