শিরোনাম
প্রকাশ : ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৯:২০

ভালুকায় শিক্ষিকার জমি দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:

ভালুকায় শিক্ষিকার জমি দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভালুকা পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডে বিধবা এক শিক্ষিকার জমি দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। ওই এলাকার ক্ষমতাবান নুরুল ইসলাম জলিল নামের এক ব্যক্তি ওই স্কুল শিক্ষিকা শাহানারা আক্তারের ৭ শতাংশ জমি জবর দখল করে রেখেছেন বলে অভিযোগ। 

শাহানারা আক্তার জানান, ২০০৭ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর পৌরসদরের ৩নং ওয়ার্ডে ভালুকা মৌজার সাবেক ৪৩৩ বিআরএস নতুন ৩৫৬৭ দাগে মকবুল হোসেনের নিকট থেকে তার স্বামী শহীদুল্লাহ ও দেবর শাহাব উদ্দিন গং ৭ শতাংশ জমি ক্রয় করে ভোগ দখল করে আসছে। 

দেবর শাহাব উদ্দিনের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী গত ৩ সেপ্টেম্বর ৫ শতাংশ জমি গোপনে নুরুল ইসলাম জলিলের নিকট (১৫ লাখ ২৮ হাজার টাকা) বিক্রি করে দেয়। ঘটনাটি প্রকাশ হলে গত ১৩ অক্টোবর শাহানারা আক্তার গং উক্ত ৫ শতাংশ জমি ৩য় সাব-জজ আদালত ময়মনসিংহে ১৬ লাখ ৪ হাজার ৪ শত টাকা জমা দিয়ে একটি পিএমশন মামলা দায়ের করেন। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই জমিতে কোন পক্ষই প্রবেশ করতে পারবে না মূলে গত ৭ নভেম্বর আদালত ১৪৪ ধারা জারির আদেশ প্রদান করেন। কিন্তু নুরুল ইসলাম জলিল পিএমশন মামলার খরব পেয়ে রাতের আঁধারে ভাড়াটিয়া গুন্ডাবাহিনী নিয়ে জমি জবর দখল করে একটি টিনসেড ঘর নির্মাণ করেণ। শিক্ষিকা শাহানারা আক্তার প্রতিবাদ করলে তাকে প্রাণনাশসহ তার সন্তানদের ক্ষতি করার হুমকি প্রদান করা হয়। 

একই এলাকার ভূমির মালিক আফতাব উদ্দিন ও রফিকুল ইসলাম জানান, নুরুল ইসলাম জলিল একই মৌজার ৩৫৬৭ ও ৩৫৬৮ নং দাগের তাদের ২৪ শতাংশ জমি দীর্ঘদিন যাবত দখলের পায়তারা করে আসছে। নুরুল ইসলাম জলিল ৩য় শ্রণীর একজন সরকারি চাকরিজীবী হয়ে এখন কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে আমাদেরকে নানারকম মামলা মোকাদ্দমা দিয়ে হয়রানি করে। 

ভালুকা পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এস এম মাজাহারুল আলম রুমেজ জানান, নুরুল ইসলাম জলিল মামলাবাজ প্রকৃতির লোক। বিভিন্ন সময় মিথ্যা মামলা দিয়ে এলাকাবাসীকে হয়রানি করে আসছে। ইতিমধ্যে তার বিরুদ্ধে জমি সংক্রান্ত একাধিক সালিশ করা হয়েছে। 

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত নুরুল ইসলাম জলিল বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সত্য নয়। আমি আমার ক্রয় ও দখলকৃত জমিতে ঘর নির্মাণ করেছি। 

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

close