শিরোনাম
প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১৬:১১
আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১৭:১৩

সেই দুই ভাইয়ের প্রতিষ্ঠানের ২৫ কার্যাদেশ বাতিল

ফরিদপুর প্রতিনিধি

সেই দুই ভাইয়ের প্রতিষ্ঠানের ২৫ কার্যাদেশ বাতিল

দুই হাজার কোটি টাকা মানি লন্ডারিং মামলায় গ্রেফতার ফরিদপুরের দুই ভাই সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও ইমতিয়াজ হাসান রুবেলের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের ২৫টি কাজের কার্যাদেশ বাতিল করেছে এলজিইডি কর্তৃপক্ষ। 

ফরিদপুর এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা গেছে, অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে এলজিইডিতে হাজার হাজার কোটি টাকার কাজ বাগিয়ে নেয় ফরিদপুর প্রেসক্লাবের বহিষ্কৃত সভাপতি ইমতিয়াজ হাসান ও শহর আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেনের মালিকানায় থাকা রাফিয়া কনস্ট্রাকশন ও এসবি ট্রেডার্স। 

এর মধ্যে বর্তমানে চলমান ৩৮টি কাজের মধ্যে ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ফরিদপুরে ২৫টির কার্যাদেশ বাতিল করা হয়েছে। বাকি কাজগুলোর কার্যাদেশ এই মাসের মধ্যেই বাতিল করার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে। 

এ ছাড়া এলজিইডিতে ওই প্রতিষ্ঠান দুটির নিয়ন্ত্রণে আরও কোনো কাজ থাকলে সেগুলোও যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। 

ঢাকার সিআইডির মামলা থেকে জানা যায়, আওয়ামী লীগের বিতর্কিত এই দুই ভাই দলে অনুপ্রবেশ করে টেন্ডারবাজিসহ নানা অপকর্ম করে হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এ ব্যাপারে ঢাকার কাফরুল থানায় গত ২৬ জুন অবৈধভাবে সম্পত্তি অর্জন ও বিদেশে টাকা পাচারের অভিযোগে ওই দুই ভাইয়ের নামে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করা হয়। 

গত ২৮ জুন অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ফরিদপুরে এসে বিষয়টির সত্যতা পান। মামলায় বরকত-রুবেলের স্বীকারোক্তিতে অনেকের নাম এসেছে। 

সিআইডির তালিকা অনুযায়ী এ পর্যন্ত আটক করা হয়েছে শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজমুল হাসান লেভী, জেলা শ্রমিক লীগের সাবেক অর্থ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন, যুবলীগ নেতা আসিবুর রহমান ফারহান, জেলা ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি শামীমসহ কয়েকজনকে। 

এ ছাড়া আটকের তালিকায় রয়েছেন সাবেক মন্ত্রীর এপিএস এইচ এম ফুয়াদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক ফাইন, ঠিকাদারসহ বেশ কয়েকজন আলোচিত ব্যক্তি। 

এর আগে, গত ২৭ মে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুবল সাহার বাড়িতে হামলার ঘটনায় গত ৭ জুন রাতে বরকত-রুবেলের বদরপুরের বাড়ি থেকে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছে থাকা অস্ত্র, গুলি, বিদেশি মদ, ইয়াবা, এক হাজার ২০০ বস্তা সরকারি চাল ও বিদেশি মুদ্রা জব্দ করা হয়।

পরবর্তী সময়ে একে একে অস্ত্র, চাঁদাবাজি, মাদক, হত্যাসহ এক ডজন মামলা করা হয়। তারা বিভিন্ন মামলায় রিমান্ড শেষে বর্তমানে ফরিদপুর জেলা কারাগারে রয়েছেন।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর