শিরোনাম
প্রকাশ : ২৬ অক্টোবর, ২০২০ ২০:২২

যমুনা ও বাঙালি নদীতে পানি বৃদ্ধি, হুমকির মুখে ৬ গ্রামের মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া

যমুনা ও বাঙালি নদীতে পানি বৃদ্ধি, হুমকির মুখে ৬ গ্রামের মানুষ

বগুড়ায় যমুনা ও বাঙালি নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে ৪র্থ দফায় বন্যায় আবারও নদী ভাঙ্গনের সঙ্গে কপালও ভেঙে যাচ্ছে বানভাসিদের। বন্যায় সোনাতলা উপজেলার বাঙালী নদীর অব্যাহত ভাঙনে ৬টি পয়েন্ট হুমকির মুখে পড়েছে।

সোনাকানিয়ায় ভাঙন রোধে নদীর তীর রক্ষায় বালির বস্তা ও বাঁশের পাইলিং করার পর সেটিও নদীতে ধসে গেছে। ফলে হুমকির মুখে পড়েছে শত বছরের ঐতিহ্যবাহী মসজিদ, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গুড়াভাঙ্গা বাজারসহ প্রায় ৬টি গ্রামের প্রায় ৩ হাজার মানুষ। 

বগুড়ার সোনাতলায় বাঙালী নদীর অব্যাহত ভাঙনে সোনাকানিয়া, হলিদাবগা, রানীরপাড়া, নামাজখালী, রংরারপাড়া, নিশ্চিন্তপুর এলাকায় শতশত একর আবাদী জমি, গাছপালা, ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে পড়েছে আরও প্রায় ৬টি গ্রামের প্রায় ৩ হাজার মানুষ।

চলতি বছরের বন্যায় বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার সোনাকানিয়া ঐতিহ্যবাহী শত বছরের জামে মসজিদ, গুড়াভাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গুড়াভাঙ্গা বাজার হুমকির মুখে পড়লে পানি উন্নয়ন বোর্ড সোনাকানিয়া নদীর তীর রক্ষার জন্য সেখানে বালির বস্তা ও বাঁশের পাইলিং করে ভাঙন রোধের চেষ্টা করে। বাঁশের পাইলিং ও নদীর তীর রক্ষার জন্য বালির বস্তা ফেলা হলেও সোমবার তা নদীতে ধসে যায়। ফলে যে উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগ কাজটি করেছিল তা ব্যর্থ হয়ে যায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, যখনই বন্যা আসে, তখন কয়েকটি বালুর বস্তা ও কয়েকটি বাঁশ পোঁতা হয়। পানি শুকালে স্থায়ীভাবে কাজ করার লোক থাকে না। এভাবেই যুগের পর যুগ কেটে গেলেও সোনাকানিয়ায় বাঙালী নদীর ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। 

বগুড়ার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাহবুবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এবার বন্যার পর ওই স্থানে নদীভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা

BP

আপনার মন্তব্য