শিরোনাম
প্রকাশ : ২৪ নভেম্বর, ২০২০ ১২:৫৭
প্রিন্ট করুন printer

খুলনায় আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনে কাস্টমস কর্মচারীর ১৩ বছরের জেল

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা

খুলনায় আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনে কাস্টমস কর্মচারীর ১৩ বছরের জেল

খুলনায় আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় কাস্টমস হাউসের কর্মচারী রাফেজা বেগম ওরফে নাজমা হায়দার রাফিজাকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাকে এক কোটি ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে খুলনার বিভাগীয় বিশেষ আদালতের বিচারক জিয়া হায়দার এই রায় ঘোষণা করেন। রাফেজা বেগম চট্টগ্রাম কাস্টমসে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা থানা এলাকায়। 

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)’র আইনজীবী খন্দকার মজিবর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

জানা যায়, ২০১৫ সালের ২৯ এপ্রিল সোনাডাঙ্গা থানায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন বাদি হয়ে মামলা করেন। মামলা তদন্ত করেন দুদকের আরেক কর্মকর্তা শামীম ইকবাল। রাফেজা বেগমের স্বামী এমএম জাহাঙ্গীর আলমও কাস্টমস হাউসে কর্মরত। তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা রয়েছে। রায় ঘোষণাকালে রাফেজা বেগম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আইনজীবী খন্দকার মজিবর রহমান বলেন, তদন্তে তার বিরুদ্ধে আয় বহির্ভূত বিপুল সম্পত্তির প্রমান পাওয়ায় কারাদণ্ড ও জরিমানা শাস্তি দেওয়া হয়েছে। 

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৫:৩০
প্রিন্ট করুন printer

টাকা নিয়েও প্রেমিকার অশ্লীল ভিডিও ছড়িয়ে দিচ্ছিলেন প্রেমিক!

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

টাকা নিয়েও প্রেমিকার অশ্লীল ভিডিও ছড়িয়ে দিচ্ছিলেন প্রেমিক!
দুই বছর ধরে এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল হারুনুর রশিদের (৩০)। সে সময় কৌশলে ধারণ করে রেখেছিলেন প্রেমিকার অশ্লীল ছবি এবং ভিডিও। নানা কারণে তাদের প্রেমের সম্পর্ক আর টেকেনি। এখন প্রেমিকার সেই অশ্লীল ভিডিও এবং ছবি ইন্টারনেটের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছিলেন হারুন। 
 
ওই তরুণী সাবেক প্রেমিক হারুনের সঙ্গে যোগাযোগ করে সেসব ছবি ও ভিডিও মুছে ফেলার অনুরোধও করেন। হারুন দাবি করেন টাকা। এরপর বিভিন্ন সময় ওই তরুণী তিন লাখ টাকাও দেন। কিন্তু তারপরও ছবি এবং ভিডিও ছড়িয়ে যাচ্ছিলেন হারুন। অবশেষে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে।
 
হারুনের বাড়ি রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার নামকান গ্রামের শাহাজাহান প্রামাণিকের ছেলে। সোমবার সন্ধ্যায় রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) একটি দল তাকে গ্রেফতার করেছে। 
 
মঙ্গলবার দুপুরে নিজের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানিয়েছেন আরএমপি কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক। তিনি জানান, হারুনুর রশিদ আসলে ওই তরুণীর সঙ্গে দু’বছর ধরে প্রেমের অভিনয় করেছেন। মেয়েটির দুর্বলতার সুযোগে হারুন তার অশ্লীল ভিডিও এবং ছবি সংরক্ষণ করে রেখেছিলেন। নানা কারণে মনোমালিন্য হলে এখন তাদের আর কোনো সম্পর্ক নেই। গত ১১ জানুয়ারি মেয়েটি জানতে পারেন, হারুন অন্য একটি নামে ফেসবুক আইডি থেকে তার ভিডিও এবং ছবি পরিচতদের ম্যাসেঞ্জারে পাঠাচ্ছেন।
 
বিষয়টি জানতে পেরে ওই তরুণী হারুনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এসব মুছে ফেলার জন্য হারুন তখন তিন লাখ টাকা দাবি করেন। মানসম্মানের ভয়ে ওই তরুণী বিভিন্নভাবে টাকা ম্যানেজ করে হারুনের হাতে তুলে দেন। কিন্তু তারপরও হারুন থামেননি। আগের মতোই তিনি ভিডিও এবং ছবি ছড়াচ্ছিলেন ইন্টারনেটে। দাবি করছিলেন আরও টাকা। এ নিয়ে ভুক্তভোগী তরুণী নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আরএমপির সাইবার ক্রাইম ইউনিটের সহায়তায় হারুনকে তার নিজ গ্রাম থেকে গ্রেফতার করে আনে।
 
পুলিশ কমিশনার জানান, হারুনের মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে। সেটি ফরেনসিক ল্যাবে পরীক্ষা করা হবে। এতে বোঝা যাবে, এই মুঠোফোন দিয়ে হারুন আর কোনো তরুণীর সঙ্গে এমন প্রতারণা করেছেন কিনা। এছাড়া তদন্ত কর্মকর্তা মঙ্গলবারই হারুনকে আদালতে তুলবেন। আদালতে তার রিমান্ড চাওয়া হবে। রিমান্ড মঞ্জুর হলে তাকে থানায় এনে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলেও জানান তিনি।
 
বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন

আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৫:২৯
প্রিন্ট করুন printer

একজন মাদক সম্রাটকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন? সেতুমন্ত্রীকে মির্জা কাদের

অনলাইন ডেস্ক

একজন মাদক সম্রাটকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন? সেতুমন্ত্রীকে মির্জা কাদের
সংগৃহীত ছবি

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার নব-নির্বাচিত মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেছেন, একজন দুশ্চরিত্র- মাদক সম্রাটকে আপনি প্রশ্রয় দিচ্ছেন। কেউ না থাকলে আমি আবদুল কাদের মির্জা রাস্তায় একা থাকবে। প্রয়োজনে জীবন উৎসর্গ করবো।

সোমবার রাত ৮টায় বসুরহাট বাজারের রুপালি চত্বরে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কাদের মির্জা বলেন, আমি নেতার কথা বলবো না, উনি কোনো রকমের কথাবার্তা বলছেন না। আমি আজ স্পষ্ট ভাষায় বলবো- আপনারা কী জানেন আমি রাজাকারের সন্তান? ওবায়দুল কাদের সাহেব উনি বড় নেতা। উনি উনার দৃষ্টিকোণ থেকে এটিকে কোনভাবে নিয়েছেন, আমি জানি না।

তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রতিবাদ করতে দিচ্ছেন না, আমাদের কর্মসূচি পালন করতে দিচ্ছেন না। রক্তচক্ষু দেখাচ্ছেন। আমি কারও রক্তচক্ষুকে ভয় পাই না। আমি কারও খাই না কারও পরিও না। আমরা কি কথা বলতে পারবো না? থামিয়ে দেবেন? থামিয়ে দিতে পারবেন না।

কাদের মির্জা বলেন, একরাম চৌধুরীকে দল থেকে বহিষ্কার করতে হবে। আমাদের দাবি মানতে হবে। নোয়াখালী আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটি বাতিল করতে হবে।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খিজির হায়াত খান, সাধারণ সম্পাদক নুরনবী চৌধুরী প্রমুখ।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৫:১৮
প্রিন্ট করুন printer

খুবি শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে ছাত্র ফ্রন্টের মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া

খুবি শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের
দাবিতে ছাত্র ফ্রন্টের মানববন্ধন

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারাদেশ ও শিক্ষকদের অপসারণের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা, শিক্ষার্থীদের ৫ দফা দাবি মেনে নেওয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় শহরের সাতমাথায় সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট বগুড়া জেলা শাখা মানববন্ধন সমাবেশ করেছে।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট জেলা সভাপতি ধনঞ্জয় বর্মনের সভাপতিত্বে পলিটেকনিক শাখার সংগঠক সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাসদ জেলা সদস্য রাধা রানি বর্মন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় সহসভাপতি শ্যামল বর্মন, সরকারি আজিজুল হক কলেজ শাখার সদস্য সচিব নিয়তি সরকার নিতুসহ আরও অনেকে।

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৫:০৬
প্রিন্ট করুন printer

ডিমলায় ইউএসডিও’র অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

নীলফামারী প্রতিনিধি

ডিমলায় ইউএসডিও’র অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

নীলফামারীর ডিমলায় ইউএসডিও পাথওয়েজ টু প্রসপারিটি ফর এক্সট্রিমলি পুওর পিপল (পিপিইপিপি) প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়শ্রী রানী রায়। 

সভায় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সেকেন্দার আলী, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা পূরবী রায়, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল হালিম, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. নিরঞ্জন কুমার রায় উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন- ডিমলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মাজহারুল ইসলাম লিটন, ইউএসডিওর পিসি (এমএফ) স্বপন কুমার সাহা, পিপিইপিপি প্রকল্পের (ফোকাল পার্সন) মো. আইনুল হক, ইউএসডিও নীলফামারীর জোনাল ম্যানেজার মো. লোকমান হোসাইনসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান ও সুবিধাভোগীরা।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৪:৫৬
প্রিন্ট করুন printer

ইছামতি নদীর বুকে ধানসহ বিভিন্ন ফসলের চাষ

দিনাজপুর প্রতিনিধি

ইছামতি নদীর বুকে ধানসহ বিভিন্ন ফসলের চাষ

শুষ্ক এ মওসুমে নদীর বুকে চলছে ধান চাষ। আবার কোথাও চলছে বীজতলা নয়তো অন্য ফসল চাষের জমি প্রস্তুতকরন। এই অবস্থা দিনাজপুরের চিরিরবন্দর ও খানসামার উপর দিয়ে প্রবাহিত ইছামতি নদীর বুকে। নদীর কোথাও পানি আছে আবার কোথাও নেই। কোথাও খাল নয়তো ডাঙ্গা। 
তাই কালের বির্বতনে ও নদী সংস্কারের অভাবে চিরিরবন্দরের উপর দিয়ে প্রবাহিত ইছামতি নদীর বুকে বিভিন্ন স্থানে চলছে ধানসহ বিভিন্ন ফসলের চাষ। এতে প্রবাহের গতিপথের প্রস্থ কমে গেছে বিভিন্ন জায়গায়। পানি না থাকায় প্রবাহিত নদীর বিভিন্ন স্থানে চলছে ধান, ইরিবোরো ধানের বীজতলা, ভুট্টা, মরিচসহ বিভিন্ন ফসলের আবাদ।

শুষ্ক মৌসুমের আগেই নদী শুকিয়ে যাওয়ার ফলে হারিয়ে যাচ্ছে অধিকাংশ প্রজাতির মাছ ও জলজ প্রানী। কখনও নদীর অস্থিতই সংকটে পড়ে। আবার নদীর পানি ধারন ক্ষমতা কমে যাওয়ায় বর্ষাকালে দেখা দেয় কখনও বন্যা।

চিরিরবন্দরের নশরতপুর গ্রামের প্রবীণ সাংবাদিক এমএ কারী(৮০) জানান, তৎকালীন জমিদাররা তাদের জামিদারী তদারককালে অত্রাঞ্চলের মানুষের নদীপথে চলাচলের সুবিধার্থে ইছামতি নদী দিয়ে যাতায়াত করত। এলাকার প্রজাদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য এ নদীটি খনন করা হয়েছিল। কিন্তু কালের বির্বতনে নদীপথের গুরুত্ব কমার পাশাপাশি পলিমাটি জমে প্রায় সমতলে পরিণত হয়েছে। বর্ষার সময়ে দেখা যায় নদীর চেহারা এবং শুষ্ক মওসুমে নদী জায়গায় শুকিয়ে গেলে ধানসহ হয় বিভিন্ন ফসলের চাষ।   

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর