শিরোনাম
প্রকাশ : ২৩ ডিসেম্বর, ২০২০ ১২:৫৯
প্রিন্ট করুন printer

সমুদ্র দূষণরোধে ১০ বছর পূর্ণ করলো কোকা-কোলা ও কেওক্রাডং

অনলাইন ডেস্ক

সমুদ্র দূষণরোধে ১০ বছর পূর্ণ করলো কোকা-কোলা ও কেওক্রাডং

কোকা-কোলা বাংলাদেশ এবং ‘ওশান কনজারভেন্সি’র দেশীয় সমন্বয়ক কেওক্রাডং সেন্ট মার্টিনসে ১০ম বারের মতো আয়োজিত আন্তর্জাতিক সমুদ্র সৈকত পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও গণ-সচেতনতা কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে।

২০৩০ সালের মধ্যে কোকা-কোলার ‘বর্জ্য মুক্ত বিশ্ব’ প্রতিষ্ঠার বৈশ্বিক প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ২০১১ সাল থেকে বাংলাদেশে পরিচালিত হয়ে আসা এই স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগটিকে সহযোগিতা করে আসছে কোকা-কোলা। সমুদ্রের পরিবেশ রক্ষায় ওশান কনজানভেন্সির সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে যারা দীর্ঘদিন যাবৎ কাজ করে আসছে, দি কোকা-কোলা কোম্পানি তাদের মধ্যে অন্যতম। ১৯৯৫ সাল থেকে শুরু হওয়া এই যৌথ অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সমুদ্র ও জলপথকে পরিচ্ছন্ন এবং দূষণমুক্ত রাখতে বিশ্বব্যাপী কাজ করছে কোকা-কোলা।

চলমান করোনা মহামারী সত্ত্বেও নানান শ্রেণি-পেশার অন্তত ৫২০ জন স্বেচ্ছাসেবী এবছরের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেন এবং সমবেতভাবে তারা প্রায় ৮৭০ কিলোগ্রাম সামুদ্রিক আবর্জনা সংগ্রহ করেন। কেওক্রাডং ও কোকা-কোলা বাংলাদেশের যৌথ প্রচেষ্টায় গত ১০ বছরে সেন্ট মার্টিন কোরাল দ্বীপ থেকে প্রায় ১২,০০০ কেজি সামুদ্রিক আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়েছে, যাতে অংশ নিয়েছেন সারা দেশের ৪,৫০০ জনেরও বেশি স্বেচ্ছাসেবী।

করোনা মহামারীর কারণে এবারের পরিচ্ছন্নতা অভিযানে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হয়। অভিযানের আগেই অংশগ্রহণকারীদের সবাইকে করোনা টেস্ট করা হয়। এছাড়া ইভেন্ট চলাকালে ফেসমাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস, স্যানিটাইজারসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রীর যথাযথ ব্যবহার এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়টি কঠোরভাবে নিশ্চিত করা হয়। সারাদেশ থেকে আগত শিক্ষার্থী, শিক্ষক, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সহ নানান পেশাজীবীরা পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতা তৈরির এই কার্যক্রমে অংশ নেন।

যৌথ এই প্রচেষ্টা সম্পর্কে ‘ওশান কনজারভেন্সি’র এদেশীয় সমন্বয়ক মুনতাসির মামুন বলেন, “কোকা-কোলার সাথে নিজেদের অংশীদারিত্বকে গুরুত্বের সাথে মূল্যায়ন করে কেওক্রাডং ও ইন্টারন্যাশনাল কোস্টাল ক্লিনআপ। আমরা আমাদের নিবেদিতপ্রাণ সমন্বয়কদের নেটওয়ার্ক নিয়ে গর্বিত, যারা ১০ বছর ধরে সেন্ট মার্টিনস দ্বীপে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।”

এ প্রসঙ্গে কোকা-কোলা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) অজয় বাতিজা বলেন, “সমুদ্র সৈকতকে প্লাস্টিকের আবর্জনামুক্ত রাখতে কেওক্রাডংয়ের নিরন্তর প্রচেষ্টাকে আমরা সাধুবাদ জানাই। সমুদ্র তীর থেকে অবাঞ্ছিত আবর্জনা অপসারণ কেবল এখানকার পরিবেশেরই উপকার করছে না, পাশাপাশি সারা দেশের অন্যান্য মানুষদেরকেও এ কাজে উদ্বুদ্ধ করবে বলে আশা করি।”

তিনি আরও বলেন, “সমুদ্র পরিচ্ছন্ন রাখার কার্যক্রমে এই অংশগ্রহণ মূলত আমাদের ‘বর্জ্য মুক্ত বিশ্ব’ তৈরির প্রচেষ্টারই অংশ।”

 

বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর