শিরোনাম
প্রকাশ : ১১ মার্চ, ২০২১ ০৮:৩৮
প্রিন্ট করুন printer

‘বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়াদের ২১ শতাংশই নারী’

নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর

‘বাংলাদেশ থেকে পাচার 
হওয়াদের ২১ শতাংশই নারী’
প্রতীকী ছবি

বাংলাদেশ থেকে বিদেশে নারীর কর্মসংস্থান যেমন বাড়ছে, একইসাথে পাচার, নিপীড়ন ও মৃত্যুর ঘটনাও বাড়ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০১২ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ৯ বছরে এ সংক্রান্ত যত মামলা হয়েছে, তাতে অন্তত এক হাজার ৭৯১ জন নারী মানবপাচারের শিকার হয়েছেন। এসব মামলার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাংলাদেশ থেকে যত পাচারের ঘটনা ঘটে তার মধ্যে ২১ শতাংশই নারী।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, শুধু ২০২০ সালেই অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমকালে ৩০৩ নারীকে উদ্ধার করা হয়েছে। 

গতকাল বুধবার যশোরের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্রাকের মানবপাচার ও অনিয়মিত অভিবাসন থেকে নারী ও শিশুদের সুরক্ষা বিষয়ক এক কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়। ডিসরাপটিং ক্রস বর্ডর ট্রাফিকিং নেটওয়ার্ক ইন বাংলাদেশ প্রজেক্টের আওতায় এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। ব্রাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের প্রধান শরিফুল হাসানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মো. তমিজুল ইসলাম খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মো. সায়েমুজ্জামান, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার কৃষ্ণ চন্দ্র। কর্মশালায় ভার্চুয়ালি অংশ নেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের পূর্ণকালীন সদস্য ড. কামাল উদ্দীন আহমেদ ও ব্রাকের সিনিয়র ডিরেক্টর কেএএম মোর্শেদ। কর্মশালায় সরকারি কর্মকর্তা, এনজিও, আইনজনীবী এবং সাংবাদিক প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে কর্মশালায় জানানো হয়, দুবাইয়ে এখন অন্তত দেড় হাজার বাংলাদেশি তরুণীকে বিভিন্ন বারে বাধ্যতামূলক কাজ করতে হচ্ছে। রোহিঙ্গা নারী ও শিশুদের পাচারও থেমে নেই। 
মানবপাচার প্রতিরোধে কর্মশালায়  নারী অভিবাসন নীতিমালা যথাযথ বাস্তবায়নের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়।

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা

এই বিভাগের আরও খবর