শিরোনাম
প্রকাশ : ৩ মে, ২০২১ ১৭:১২
প্রিন্ট করুন printer

হিলি স্থলবন্দরে করোনার ঝুঁকি ঠেকাতে প্রশাসনের সাথে ব্যবসায়ীদের বৈঠক

হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

হিলি স্থলবন্দরে করোনার ঝুঁকি ঠেকাতে 
প্রশাসনের সাথে ব্যবসায়ীদের বৈঠক

ভারতে করোনাভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণের কারণে দিনাজপুরের হিলি স্থল বন্দর চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এই স্থলবন্দর আসা ভারতীয় ট্রাকের চালক ও হেলপার অবস্থান করলেও তাপমাত্রা ছাড়া আর কোন পরীক্ষার ব্যবস্থা নেই। করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে ব্যবসায়ীদের সাথে সোমবার সকালে হাকিমপুর উপজেলা নিবার্হী অফিসারের সভাপতিত্বে এক বৈঠক করেছে স্থানীয় প্রশাসন ।

বৈঠকে বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ, মেয়র জামিল হোসেন, হাকিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মোস্তাফিজুর রহমান, পানামা হিলি পোর্ট এর সহকারী ব্যবস্থাপক হায়দার আলী, পোর্ট মিডিয়া উইং সোহরাফ হোসেন, হিলি বন্দরের আমদানি রফতানি কারক এসোসিয়েশনের  সভাপতি গণেশ প্রসাদ সাহা, সিএন্ডএফ এসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল আজিজ সরদারসহ অনেকে । 

বৈঠকে বন্দরে ভারতীয় ট্রাকের চালক ও হেলপারের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা, চলাচল সীমিতকরন, বাংলাদেশী চালক, ব্যবসায়ীদের বন্দরের অভ্যন্তরে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার সিদ্ধান্তসহ ভারতীয় আমদানিকৃত ট্রাক ২ দিনের মধ্যে পন্য আনলোড করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত না মানলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে সাময়িক আমদানি-রপ্তানি বন্ধের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হবে।

এদিকে ভারতে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় হাকিমপুর পৌরবাসীর ও দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সাময়িক আমদানি-রপ্তানি বন্ধের জন্য দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কাছে প্রস্তাব দিয়েছেন হাকিমপুর পৌরসভার মেয়র।

হাকিমপুর পৌরসভার মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত বলেন, দেশে দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর হিলি। এই বন্দর দিয়ে করোনা মহামারীর মধ্যেও আমদানি-রপ্তানি স্বাভাবিক রয়েছে। ভারতে করোনা সংক্রমণ ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে এতে করে আমরা চরম ঝুঁকির মধ্যে আছি। যেহেতু প্রতিদিন পন্য সামগ্রী নিয়ে এখানে ৫ থেকে ৬ শত ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভার ও হেলপাররা আসে। তাই হিলিবাসীর কথা চিন্তা করে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে সাময়িক আমদানি-রপ্তানি বন্ধের জন্য প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন

এই বিভাগের আরও খবর