শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১২ মে, ২০২৫

অল্প দেখা আমেরিকা

আফরোজা পারভীন
প্রিন্ট ভার্সন
অল্প দেখা আমেরিকা

এমন বাঙালি খুব কম আছেন, যিনি আমেরিকায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখেন না। যারা যেতে পেরেছেন, স্থায়ী হয়েছেন, তারা ভাগ্যকে সাধুবাদ দেন না। শুধু বাঙালি বললে বোধ হয় ভুল হবে, পৃথিবীর অধিকাংশ দেশের সিংহভাগ মানুষের স্বপ্ন আমেরিকায় আসা। তারা ভাবেন আমেরিকা এক স্বপ্নের দেশ। আমেরিকা মানেই কোটি কোটি ডলার, ঝকঝকে তকতকে বাড়ি, সামনে বিস্তীর্ণ লন, পেছনে ব্যাকইয়াড, সুইমিং পুল, দামি গাড়ি আরও কত কী। তাই তো যখন ডিভি লটারি ছাড়া হয় পাগলের মতো সবাই অ্যাপ্লাই করেন। যারা লটারি পান, তাদের তো পোয়াবারো। যারা পান না, তারা কপাল চাপড়ান।

এসব আমি ছেলেবেলা থেকেই দেখে আসছি। আমি সেই বিরল মানুষের একজন যে কোনো দিন বিদেশে স্থায়ী হওয়ার স্বপ্ন দেখিনি। যার সব চিন্তাভাবনা স্বপ্ন একীভূত ছিল দেশকে নিয়ে। কিন্তু স্বপ্ন না দেখলেও কার্যসূত্রে, বেড়াতে সন্তানদের কাছে থাকার জন্য অনেকবার যেতে হয়েছে আমেরিকায়। বুঝতে চেষ্টা করেছি আমেরিকার জীবনটা আসলে কেমন। সেখানে কী সত্যিই বাতাসে ডলার উড়ে বেড়ায়, সুখের পায়রা বাকুম বাকুম করে অবিরত!

একটা দেশের জন্মের পেছনে ইতিহাস থাকে। থাকে সময়ের পথপরিক্রমা। আমেরিকারও আছে। আমেরিকার পুরো নাম ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা। সংক্ষেপে ইউএসএ বা স্টেটস। যুক্তরাষ্ট্র অথবা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও বলা হয়। দেশটি আমেরিকা নামেও পরিচিত। দেশটির আয়তন প্রায় ৯৮ দশমিক ৩ লাখ বর্গকিলোমিটার (৩৭ দশমিক ৯ লাখ বর্গমাইল)। জনসংখ্যা প্রায় ৩২ কোটি ৮২ লাখ। আয়তনের হিসাবে এটি বিশ্বের তৃতীয় অথবা চতুর্থ বৃহত্তম রাষ্ট্র। স্থলভূমির আয়তন ও জনসংখ্যার হিসাবে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দেশ। ৫০টি অঙ্গরাজ্য নিয়ে দেশটি গঠিত। জনসংখ্যার ৮০ ভাগ সাদা আমেরিকান, বাকিদের মধ্যে আছে ব্ল্যাক আমেরিকান, নেটিভ আমেরিকান (স্পেনিশ), এশিয়ান আমেরিকান ও অন্যান্য।

১৫০৭ সালে জার্মান মানচিত্রকর মার্টিন ওয়াল্ডসিম্যুলার বিশ্বের একটি মানচিত্র প্রকাশ করেন। এই মানচিত্রে তিনি ইতালি আবিষ্কারক ও মানচিত্রকর আমেরিগো ভেসপুচির নামানুসারে পশ্চিম গোলার্ধের নামকরণ করেন ‘আমেরিকা’। আমেরিকার আদিবাসীরা রেড ইন্ডিয়ান। এর পরেই আসে আফ্রিকা থেকে কৃষ্ণ অধিবাসীরা। এই কালো মানুষরা একসময় শ্বেতাঙ্গদের ক্রীতদাস ছিল। প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের প্রচেষ্টায় বিলোপ করা হয় দাসপ্রথা। যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূমি এবং আলাস্কাতে এখনো যে আদিবাসীরা বাস করে, তারা এশিয়া থেকে অভিবাসী হয়ে প্রায় ৪০ হাজার বছর আগে আসা শুরু করেছিল। তবে ১২ হাজার বছর আগে তাদের আসার ব্যাপারটি প্রায় নিশ্চিত। তারা অগ্রসর কৃষি, স্থাপত্য এবং রাজ্যসদৃশ সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল। ইউরোপীয় অভিযাত্রী ক্রিস্টোফার কলম্বাস ১৪৯২ সালের ১৯ নভেম্বর আমেরিকা অঞ্চলের পুয়ার্তোতে পা রাখে। এর ফলে আদিবাসী আমেরিকানদের সঙ্গে ইউরোপীয়দের যোগাযোগ স্থাপিত হয়।

১৮৭০-এর দশকে মার্কিন অর্থনীতি বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির শিরোপা পায়। স্পেন-মার্কিন যুদ্ধ ও প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সামরিক শক্তি হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে প্রতিষ্ঠা দান আমেরিকার আদিবাসীকরে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই দেশ প্রথম পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদ লাভ করে। শীতল যুদ্ধের শেষভাগে এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের একমাত্র মহাশক্তিধর রাষ্ট্রে পরিণত হয়। বিশ্বের মোট সামরিক ব্যয়ের দুই-পঞ্চমাংশ খরচ করে দেশটি। বর্তমানে এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক শক্তিধর রাষ্ট্র।

পৃথিবীর মানচিত্রে আমেরিকার অবস্থান বাংলাদেশের বিপরীতে। কাজেই বাংলাদেশে যখন রাত আমেরিকায় তখন দিন। বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা ভ্রমণ দীর্ঘ ২৪-২৬ ঘণ্টার ব্যাপার। বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা ৭০ গুণ বড়। আমেরিকার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে বিমানে যেতে সময় লাগে ৬ ঘণ্টার বেশি। কাজেই এক প্রান্তে যখন বিকাল, অন্য প্রান্তে তখন রাত।

আমেরিকার বর্তমান অবস্থায় আসা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের সমাজ বিশ্বের সর্বাপেক্ষা বৈচিত্র্যমণ্ডিত এবং বহুজাতিক। পৃথিবীর বহু দেশ থেকে বিভিন্ন জাতির মানুষের অভিবাসনের ফলে এটি আজ বহু সংস্কৃতিবাদী দেশ। পৃথিবীর ১০০টির বেশি দেশের মানুষ আমেরিকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করে। এত ভাষাভাষীর দেশ বিশ্বের আর কোথাও একসঙ্গে বসবাস করে না। তাই আমেরিকাকে বলা হয় ‘ল্যান্ড অব ইমিগ্র্যান্ট’।

আমেরিকার মানুষ কাজে বিশ্বাসী। তারা কাজ ছাড়া কিছু বোঝে না। আমাদের মতো পূর্বপুরুষরা উত্তর-পুরুষের জন্য বিষয়সম্পত্তি রেখে যায় না। সেখানে নিজের ভাগ্য নিজেকে গড়ে নিতে হয়। বড় দেশ, শক্তিধর দেশ, ক্ষমতাধর দেশ হিসেবে সেখানে সুযোগের অভাব নেই। গোটা পৃথিবীর ২৫ শতাংশ কর্মসংস্থান হয় আমেরিকায়। সেই সুযোগগুলো সঠিকভাবে যারা কাজে লাগাতে পারে, তারাই আমেরিকায় টিকতে পারে। নইলে ছিটকে পড়তে হয়। দেশটির মূলমন্ত্রই হলো নো ওয়ার্ক, নো পে, নো ফুড। তুমি কাজ করবে না, ডলার পাবে না, খেতে পাবে না। অলসতার এখানে কোনো স্থান নেই। তুমি কাজ করবে না, বাবা-মা খাওয়াবে কিংবা সন্তানরা সে সুযোগ এখানে নেই। তাই সেখানে যারা যায় তারা দিনরাত ঊর্ধ্বশ্বাসে ছোটে। কয়েক শ মাইল দূরে গিয়ে চাকরি করে। আমাদের মতো অলস বিনোদনের সুযোগ এদের নেই। আঠারো বছর বয়স হলেই এখানে সন্তানরা বাবা-মা থেকে আলাদা হয়ে যায়। তারা নিজেদের মতো করে থাকে। বাবা- মার সঙ্গে দেখা হয় উইকএন্ডে বা কোনো অনুষ্ঠানে। এটা বাবা- মা এবং সন্তানরা স্বাভাবিক মনে করে। এটাই সেখানকার কালচার।

আমেরিকার মোট জনসংখার অর্ধেকের বেশি নারী। সে দেশে নারী-পুরুষের আচার-আচরণে তেমন পার্থক্য নেই। নারীরা প্রকাশ্যে সিগারেট ও মদ পান করে। পুরুষের মতোই কঠিন কঠিন কাজ করে। সে দেশের অধিকাংশ বাসচালক, ট্রেনচালক নারী। পুরুষ-নারীর কাজের বিভাজনে তারা বিশ্বাস করে না। তারা নিজেদের মতোই চলতে চায়। অন্য কোনো দেশের নিয়মনীতি সহজে মানতে চায় না। তাদের ইলেকট্রিক সুইচগুলো ওপরের দিকে চেপে অন করতে হয়। গাড়ি বাম দিকে বসে ড্রাইভ করে। টয়লেটের মেঝেতে পানি সরার কোনো জায়গা নেই। বাড়িগুলো কাঠের। বলতে গেলে আমেরিকা গোটা পৃথিবীটাকে শাসন করছে। তারপরও আমেরিকার একশ্রেণির মানুষ অতৃপ্ত। তারা হতাশাগ্রস্ত। তারা মনে করে, সংসার অসার। তারা পরিবারের বন্ধনে আবদ্ধ না থেকে জীবনকে উপভোগ করার জন্য নিত্যনতুন প্রেম খোঁজে।

১৮ বছর হলেই আমেরিকার ছেলেমেয়েরা ডেটিং করতে পারে। তারা ইচ্ছামতো তাদের বয়ফ্রেন্ড গার্লফ্রেন্ড নির্বাচন করে তাদের সঙ্গে সময় কাটায়। গার্লফ্রেন্ড বয়ফ্রেন্ডদের সঙ্গে সম্পর্ক স্বামী-স্ত্রীর মতোই। বিয়ে না করে তারা বছরের পর বছর এমনকি সারা জীবনও কাটাতে পারে, সন্তানও জন্ম দিতে পারে। তাতে আইনত কোনো বাধা নেই। তারা বিয়ের বন্ধনে জড়াতে চায় না। বিয়ে এড়িয়ে তারা যৌনজীবন যাপন করতে চায়। ডিভোর্সকে তারা ভয় পায়। তা ছাড়া বিয়েটাকে তারা অর্থনৈতিক দায়বদ্ধতা মনে করে। তারপরও যেসব বিয়ে হয়, তার অধিকাংশই ভেঙে যায়। আমেরিকার সমাজে বাছবিচার নীতিবোধ খুব কম। তাই মেয়ের বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে মা শয্যাসঙ্গিনী হওয়া, বাবা ছেলের গার্লফ্রেন্ডকে পটিয়ে বাবার বিছানায় নিয়ে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটে।

রাস্তাঘাটে বা উন্মুক্ত স্থানে তরুণ-তরুণী আলিঙ্গনাবদ্ধ হয়ে নিবিড় চুম্বন করছে এ দৃশ্য আমেরিকায় অতিসাধারণ। পথচারীরা চেয়েও দেখে না। ডেটিং ও যৌনতা তাদের কাছে ডালভাতের মতো। তবে জোর করে সেক্স করা যায় না। সেক্সের জন্য উভয়ের সম্মতির প্রয়োজন রয়েছে। কারও ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করলে রয়েছে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা। সে দেশের মেয়েরা মেয়েদের বা ছেলেরা ছেলেদের অহরহ বিয়ে করে। তারা নিজেদের স্বামী-স্ত্রী বলে পরিচয় দেয়। আমেরিকান সোসাইটিতে হোমো সেক্সুয়াল অর্থাৎ ‘লেসবিয়ান’ ও ‘গে’ দিন দিন বাড়ছে। আবার একধরনের নারী বড়লোক হওয়ার জন্য অনেক বেশি বয়স্ক পুরুষকে বিয়ে করছে। যাকে ওরা বলে ‘সুগার ড্যাডি’।

ওদের সমাজে ক্যাসিনো, নাইট ক্লাব, স্ট্রিপটিজ ক্লাব, সেক্স ক্লাব অবারিত। এসবের প্রভাবে ছেলেমেয়েরা দিন দিন মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। হতাশা বাড়ছে, মাদক অপরাধ, খুনখারাবি বাড়ছে। অন্যায়-অবিচার, ষড়যন্ত্র, কিডন্যাপ, সন্ত্রাস, ঘুষ-দুর্নীতি, এমনকি দিনদুপুরে মুখোশ পরে ডাকাতি পর্যন্ত হচ্ছে। টেলিভিশন খুললেই দেখা যায় গার্লফ্রেন্ডকে কেন্দ্র করে খুনখারাবি হচ্ছে। শিক্ষককে গুলি করছে ছাত্র। আমেরিকার কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে গুলি নিত্যকার ঘটনা।

আমেরিকার কিছু অধিবাসীর মধ্যে ধর্মের বালাই নেই। সন্তানরা আলাদা থাকে। ফলে বৃদ্ধ বয়সে তারা একেবারেই নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ে। তাই আমেরিকান মানুষের সঙ্গে মানুষের চেয়ে কুকুরই বেশি দেখা যায়। তবে আমেরিকান সমাজের সবকিছুই খারাপ, এটা ঠিক না। তাদের কর্মস্পৃহা মুগ্ধ হয়ে দেখার মতো। যন্ত্রের মতো কাজ করে তারা। তাদের সমাজে গৃহকর্মী বলে কিছু নেই। ঘরেবাইরে সব কাজ তারা নিজেরাই করে। সে কাজে স্বামী-স্ত্রী সমানভাবে হাত লাগায়। কেউ কারও ওপর ভার চাপায় না। এটা শিক্ষণীয়।

তাদের ব্যবহার ও পরোপকারী মনোভাব প্রশংসনীয়। তারা সব সময় হাসিমুখে কথা বলে। রাস্তাঘাটে দেখা হলে চেনা-অচেনানির্বিশেষে সহাস্যে হাই-হ্যালো বলে। কারও সাহায্য লাগলে হাত বাড়িয়ে দেয়। কেউ হয়তো রাস্তা পার হতে পারছে না, তাকে রাস্তাটা পার করে দেয়। দরজা খুলতে না পারলে দরজা খুলে দেয়। আমাদের মতো না দেখার ভান করে চলে যায় না।

আমেরিকার কিছু লোক ধর্মে বিশ্বাসী না হলেও তাদের মধ্যেও প্রবল ধর্মবিশ্বাসী লোক আছে। তারা নিয়মিত তাদের ধর্মের নিয়মাচার পালন করে। আমেরিকানরা বেড়াতে ভালোবাসে। তারা বিলাসব্যসনে টাকা ব্যয় না করে ছুটি পেলেই বেড়াতে বেরিয়ে যায়। আমেরিকার জনগণ খুবই পরিবেশসচেতন। তারা কখনই রাস্তাঘাটে নোংরা ফেলে না। কফ, থুতু, সর্দি ফেলার তো প্রশ্নই আসে না। বাড়ির চারপাশ ও পরিবেশের পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে তারা সজাগ। তারা পশুপাখির প্রতি যত্নশীল। পশুপাখি মেরে খায় না তারা। আমেরিকার রাস্তাঘাটে মাঠে পশুপাখি স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুরে বেড়ায়। মানুষকে তারা ভয় পায় না। বরং মানুষ তাদের দেখলে গাড়ি আস্তে চালায়। আগে তাদের চলাচলের পথ করে দেয়, তারপর নিজেরা যায়।

আমেরিকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো। পুলিশ-প্রশাসন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আইনের যথাযথ প্রয়োগও হয়। সবার জন্য একই আইন, কোনো ভেদাভেদ নেই। আইনের কঠোর শাসনে দেশের প্রেসিডেন্টও রেয়াত পান না। তাই প্রসিডেন্ট বিল ক্লিনটনকেও কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়েছিল। আমেরিকার জীবনযাত্রার মান উঁচু, সুযোগসুবিধা বেশি। কিন্তু সংগ্রাম আর প্রতিযোগিতাও বেশি। সমৃদ্ধি ও প্রাচুর্যে আমেরিকার অবস্থান বিশ্বের শীর্ষে। তবে আজকের এই আমেরিকা শুধু আমেরিকানদের কষ্টের নির্মাণ নয়। এর পেছনে আছে ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সব অভিবাসীরই বিন্দু বিন্দু শ্রম, ঘাম ত্যাগ-তিতিক্ষা- এ কথা ভুললে চলবে না। রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট। তিনি যোগ্য ব্যক্তি। রাজনীতি, গতিশীল নেতৃত্ব ও লেখালেখির জন্য সারা বিশ্বে সুপরিচিত। তার সুযোগ্য নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসীদের উচ্চশিক্ষা কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে, শৃঙ্খলা সুপ্রতিষ্ঠিত হবে, গোটা বিশ্বে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আসবে, বিশ্বজুড়ে শান্তি বিরাজ করবে এই প্রত্যাশা করি।

শেষ কথা এটাই, যারা ভাবেন আমেরিকার বাতাসে ডলার ওড়ে তারা বোকার স্বর্গে বাস করেন। যারা ভাবেন আমেরিকা মানেই অন্তহীন সুখের ফোয়ারা তারাও বোকা। আমেরিকাকে সুখের ফোয়ারা আপনি তখনই বানাতে পারবেন, যদি আপনি উদয়াস্ত খাটতে পারেন। তার আগে নয়।

লেখক : কথাশিল্পী, গবেষক

এই বিভাগের আরও খবর
মাদকের ট্রানজিট রুট
মাদকের ট্রানজিট রুট
বিদেশে পাঠ্যবই মুদ্রণ
বিদেশে পাঠ্যবই মুদ্রণ
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
নড়বড়ে সেতু ঘুমন্ত প্রশাসন
নড়বড়ে সেতু ঘুমন্ত প্রশাসন
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
বায়ুদূষণ
বায়ুদূষণ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
জুলাই সনদ নিয়ে কি ঐকমত্য হবে?
জুলাই সনদ নিয়ে কি ঐকমত্য হবে?
সিরাত অধ্যয়নের মূলনীতি
সিরাত অধ্যয়নের মূলনীতি
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
সর্বশেষ খবর
কে এই রহস্যময় আবু ওবায়দা?
কে এই রহস্যময় আবু ওবায়দা?

৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ ধরতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু
ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ ধরতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রূপসা সেতুর নিচ থেকে সাংবাদিক বুলুর মরদেহ উদ্ধার
রূপসা সেতুর নিচ থেকে সাংবাদিক বুলুর মরদেহ উদ্ধার

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ব্রাইটনের বিপক্ষে আবারও হারলো ম্যানসিটি
ব্রাইটনের বিপক্ষে আবারও হারলো ম্যানসিটি

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

হামাসের সামরিক শাখার মুখপাত্র আবু ওবায়দাকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের
হামাসের সামরিক শাখার মুখপাত্র আবু ওবায়দাকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের

৪৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাকৃবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা, হল ত্যাগের নির্দেশ
বাকৃবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা, হল ত্যাগের নির্দেশ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন নিয়ে কেউ বিকল্প ভাবলে তা হবে জাতির জন্য বিপজ্জনক : বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন নিয়ে কেউ বিকল্প ভাবলে তা হবে জাতির জন্য বিপজ্জনক : বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় সিইউজের নিন্দা
চবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় সিইউজের নিন্দা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাদারীপুরে ‘১৮০ টাকায়’ ১৬ জন পুলিশে চাকরি পেলেন
মাদারীপুরে ‘১৮০ টাকায়’ ১৬ জন পুলিশে চাকরি পেলেন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইজিবাইককে আধা কিলোমিটার টেনে নিয়ে যায় ট্রেন
ইজিবাইককে আধা কিলোমিটার টেনে নিয়ে যায় ট্রেন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে জাবিতে মানববন্ধন
চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে জাবিতে মানববন্ধন

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

গাজীপুরে পুকুরে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু
গাজীপুরে পুকুরে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশের মানুষ এখন ভোটমুখী: দুলু
দেশের মানুষ এখন ভোটমুখী: দুলু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রান্সফার ফির রেকর্ড গড়ে নিউক্যাসলে ভল্টামাডা
ট্রান্সফার ফির রেকর্ড গড়ে নিউক্যাসলে ভল্টামাডা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রেমিকার ফোন ব্যস্ত পাওয়ায় গ্রামের বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দিল যুবক
প্রেমিকার ফোন ব্যস্ত পাওয়ায় গ্রামের বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দিল যুবক

২ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

আলোকিত লালমনিরহাট গঠনে সুধী সমাবেশ
আলোকিত লালমনিরহাট গঠনে সুধী সমাবেশ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার, ছেলে-পুত্রবধূ আটক
কুমিল্লায় মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার, ছেলে-পুত্রবধূ আটক

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে যুবকের আত্মহত্যা
নাটোরে যুবকের আত্মহত্যা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘নির্বাচনকে বানচাল করার সব অপচেষ্টা জনগণ রুখে দেবে’
‘নির্বাচনকে বানচাল করার সব অপচেষ্টা জনগণ রুখে দেবে’

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সংঘর্ষে আহত যুবকের মৃত্যু, বিচার দাবিতে লাশ নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ
সংঘর্ষে আহত যুবকের মৃত্যু, বিচার দাবিতে লাশ নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাকৃবিতে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ
গাকৃবিতে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকনাফে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ একজন আটক
টেকনাফে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ একজন আটক

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিদেশ থেকে ফিরে ছাদ কৃষি চাষে সাফল্য
বিদেশ থেকে ফিরে ছাদ কৃষি চাষে সাফল্য

২ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন: মির্জা ফখরুল
আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন: মির্জা ফখরুল

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিয়ের পরদিনই নববধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, স্বামী কারাগারে
বিয়ের পরদিনই নববধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, স্বামী কারাগারে

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত চায় এনসিপি
জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত চায় এনসিপি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দিনাজপুরে বৃদ্ধের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
দিনাজপুরে বৃদ্ধের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বর্তমান পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে জামায়াতের শঙ্কা
বর্তমান পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে জামায়াতের শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

এবার কানাডা সুপার সিক্সটি কাপে দল পেলেন সাকিব
এবার কানাডা সুপার সিক্সটি কাপে দল পেলেন সাকিব

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নরসিংদীতে আকস্মিক সফরে উপদেষ্টা আসিফ নজরুল
নরসিংদীতে আকস্মিক সফরে উপদেষ্টা আসিফ নজরুল

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি
রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি

৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’
‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন
রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়
ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান
উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি
চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি
ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা
পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল
যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

১৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!
হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!

৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান
সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল
ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল

৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

প্রিয়জন হারালেন রশিদ খান
প্রিয়জন হারালেন রশিদ খান

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি
নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের
আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের

পেছনের পৃষ্ঠা

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন