শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ২৫ জুন, ২০২৫

রাষ্ট্রভাবনা

আর্য সারথী
প্রিন্ট ভার্সন
রাষ্ট্রভাবনা

রাষ্ট্র কেবল একটি বাহ্যিক প্রতিষ্ঠান নয়। যা আইন, বিচার ও বিভিন্ন বাহিনীর ওপর নির্ভর করে চলে। রাষ্ট্রের প্রকৃত রূপ নির্ধারিত হয় মানুষের চেতনা, নৈতিকতা ও পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে। রাষ্ট্র আমাদের সম্মিলিত মনোভাবের প্রতিবিম্ব। ব্যক্তি যদি অন্তরে পরিশুদ্ধ হয়, রাষ্ট্র এমনিতেই সুন্দর হয়ে যাবে। রাষ্ট্র কেবল নাগরিকদের নিয়ন্ত্রণ করার কাঠামো নয়। এতে রাষ্ট্রের সম্ভাবনা ও গুরুত্ব খর্ব হয়। বরং প্রজ্ঞাসম্পন্ন চিন্তাভাবনার সামষ্টিক রূপ হয়ে উঠতে পারে রাষ্ট্র। রাষ্ট্র কেবল সামাজিক চুক্তি নয়, এটি সত্তার জাগরণ। সামাজিকতার সর্বোচ্চ বিকাশ রাষ্ট্রেই সম্ভব। যেখানে সম্পর্ক প্রাণবন্ত থাকে সেখানে রাষ্ট্র টিকে থাকে। যেখানে সম্পর্ক মরে যায় সেখানে রাষ্ট্রও ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। রাষ্ট্র কেবল কিছু কল বা প্রযুক্তি বা সমীকরণ দিয়ে চলে না। এটি চলে করুণা ও প্রজ্ঞার মাধ্যমে।

রাষ্ট্র যদি কেবল নিয়ম, আদেশ বা বাহ্যিক আইন হয়; তবে তা জীবন্ত নয়; এক ধরনের জড়ো মূর্তি মাত্র। রাষ্ট্রকে হতে হয় চৈতন্যের বহিঃপ্রকাশ। রাষ্ট্র গড়ে ওঠে ভিতরের আলো ও অন্ধকারের সংঘাতে। রাষ্ট্র এক জীবন্ত দেহ, যার হৃদয় হলো প্রজ্ঞা। আলোচনা, সহযোগিতা ও সমাজ গঠনই রাষ্ট্রের আসল কাজ। রাষ্ট্র ও ব্যক্তির সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। রাষ্ট্র ও ব্যক্তিকে একে অপরের আয়না বলাটাও দূষণীয় নয়। এখানে ব্যক্তি নিজেকে বুঝে ওঠার সুযোগ পায় এবং সেই বোধ থেকে সমাজে দায়িত্বশীল হয়ে ওঠে। ব্যক্তি যদি আত্মিকভাবে দুর্বল ও পশ্চাৎপদ হয়, রাষ্ট্র হয়ে উঠবে উ™£ান্ত ও দমনমূলক। আমরা জনগোষ্ঠীর জায়গা থেকেও জিনিসটা বলতে পারি। রাষ্ট্র এমন এক আয়না যেখানে একটি জনগোষ্ঠীর অন্তর্জগৎ প্রতিফলিত হয়। যদি জনগোষ্ঠীর চিন্তাভাবনা কলুষিত হয় তবে রাষ্ট্র কলুষিত হবে। যদি জনগোষ্ঠীর অন্তর মুক্ত হয় তবে রাষ্ট্র উদার হবে। তাই রাষ্ট্র এক প্রতিচ্ছবি। জনগোষ্ঠী ব্যক্তি থেকে ভিন্ন নয়। তাই ব্যক্তির বিকাশ বাদ দিয়ে বিমূর্তভাবে জনগোষ্ঠীর বিকাশ অসম্ভব। বিকাশের পরিকল্পনা করতে হবে জনগোষ্ঠীর কথা মাথায় রেখে কিন্তু বাস্তবায়ন করতে হবে ব্যক্তির কথা মাথায় রেখে। যাই হোক রাষ্ট্রকে পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন ব্যক্তির আত্মজ্ঞান। রাষ্ট্রকে ধরা যেতে পারে, ‘ব্যক্তির সম্প্রসারিত অবয়ব’ হিসেবে। অর্থাৎ প্রত্যেক নাগরিকের চিন্তাচেতনা মিলিত হয়ে গঠন করে এক রাষ্ট্রসত্তা। রাষ্ট্র যেন এক দিগন্ত যেখানে সরলভাবে ব্যক্তি, সমাজ, সংসার, প্রজ্ঞা ও করুণা মিশে যেতে পারে। রাষ্ট্র যদি ধর্মহীন হয়, তবে তা আত্মাশূন্য। পক্ষান্তরে রাষ্ট্র যদি নির্দিষ্ট ধর্মমতে (রিলিজিয়ন) চলে, তবে তা আত্মঘাতী। ধর্ম বলতে বোঝা উচিত সত্য ও সনাতন (চিরন্তন) মার্গ, যা সব মত ও পথের ঊর্ধ্বে। এ মার্গ সত্তার বোধ ও করুণা ভাবকে জাগ্রত করে। রাষ্ট্রকে এই প্রকৃত ধর্মকে ধারণ করতে হবে, যা সব মত ও পথের ঊর্ধ্বে। না কোনো সম্প্রদায়ের ধর্মমত, না কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ধর্মহীন হওয়া-এটাই রাষ্ট্রের অগ্রগতির পথ। রাষ্ট্রের প্রয়োজন অন্তর্জাগরণ ও ন্যায্যতা।

রাষ্ট্র কেবল নির্দিষ্ট ভূখণ্ড বা প্রশাসনিক অঞ্চল নয়-তা হলো মৃন্ময়ী মূর্তির অন্তরালে চিন্ময়ীর প্রকাশ। রাষ্ট্রে থাকতে হবে আত্মজিজ্ঞাসা, দায়িত্ব-কর্তব্য পালনের স্পৃহা ও নৈতিকতার পূর্ণাঙ্গ অনুশীলন। মানুষের অন্তরাত্মাকে জাগানো, সমাজে ন্যায়, সহানুভূতি ও মৈত্রীর বিস্তার এবং প্রজ্ঞা ও সাধনার পরিবেশ সৃষ্টি করা-এগুলো ছাড়া রাষ্ট্রের আলাদা কোনো কাজ নেই।

রাষ্ট্র যদি প্রজ্ঞাহীন হয় তবে তা দানব হয়ে ওঠে। এই সংকট সমাধান করতে হলে রাষ্ট্রকে শিক্ষানির্ভর চৈতন্যসমাজ। শিক্ষা মানে শুধু পঠন-পাঠন বা কাগজ সংগ্রহ করা নয় বরং নৈতিক বিকাশ, জগৎকে উপলব্ধির চর্চা এবং অন্তর্জাগরণ। শিক্ষায় থাকবে আত্মজ্ঞানের পথনির্দেশ, সমাজচেতনার বীজ, ভিন্নমতের প্রতি সহিষ্ণুতা এবং প্রকৃতির সঙ্গে সখ্য। রাষ্ট্র তখনই প্রকৃত শিক্ষা দিতে পারে যখন তা নিজেই এক শিক্ষাপ্রাপ্ত সত্তা হয়ে ওঠে।

রাষ্ট্রের কাঠামোকে কোনো কেন্দ্রীভূত শক্তিবলয় হিসেবে গড়ে তোলা যাবে না। রাষ্ট্রকে নির্দিষ্ট স্থানে রেখে দিলে চলবে না; ছড়িয়ে দিতে হবে সর্বত্র। প্রতিটি নাগরিক, প্রতিটি অঞ্চল ও প্রতিটি সম্প্রদায় বা গোষ্ঠী যেন রাষ্ট্রের অধিষ্ঠিত হয়। সর্বত্র রাষ্ট্রের শক্তি আবর্তিত হতে হবে। রাষ্ট্রের হৃৎস্পন্দন হবে আলোকিত ভাবনা বা মননশীলতা। রাষ্ট্রকাঠামোকে এমনভাবে সাজাতে হবে যেন কেন্দ্রে ও প্রান্তে থাকে সহযোগিতার মনোভাব ও সমন্বয়।

রাষ্ট্রের কাজ কেবল মানুষকে নিয়ে নয়। প্রাণিকুল, গাছপালা, নদী, পর্বত, সমুদ্র-এসব কিছুর প্রতি দায়িত্বশীলতা বজায় রাখাও রাষ্ট্রের কাজ। রাষ্ট্র প্রকৃতি থেকে আলাদা নয়। কিন্তু রাষ্ট্রের ভিত যদি প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্কহীন হয়, তবে রাষ্ট্র নিজেই নিজের ধ্বংসের পথ তৈরি করে রাখবে। তাই পরিবেশ রক্ষা, জীববৈচিত্র্যের সুরক্ষা এবং প্রকৃতির সঙ্গে সজীব সম্পর্ক-এসব কিছুই রাষ্ট্রচালনার অবিচ্ছেদ্য অংশ।

আগামী দিনে রাষ্ট্রের মাধ্যমে শুধু একটি নতুন শাসনব্যবস্থা তৈরি হবে এমন নয়; ঘটবে উন্নত, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক যুগের সূচনা। রাষ্ট্র মানেই শাসনব্যবস্থা- এমন ধারণা আমাদের মনে গেঁথে গেছে। রাষ্ট্রকে কেবল একটি প্রশাসনিক কাঠামো, একটি সাংবিধানিক যন্ত্র অথবা ক্ষমতাবান প্রভু হিসেবে দেখা হয়েছে। কিন্তু এই ধারণা বদলাতে হবে। রাষ্ট্রের মধ্যে এক নতুন সভ্যতার সম্ভাবনা বা বীজ নিহিত। রাষ্ট্রচিন্তা কেবল বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর দর্শন নয়; বরং এক জ্যোতির্ময় ভবিষ্যতের দিশা। রাষ্ট্র হবে সভ্যতার এক সাধনক্ষেত্র। সেখানে প্রযুক্তি, বিজ্ঞান, অর্থনীতি- সব থাকবে; কিন্তু নিয়ন্ত্রিত হবে নৈতিকতা ও বোধের মাধ্যমে।

                লেখক : প্রাবন্ধিক ও গবেষক

এই বিভাগের আরও খবর
মাদকের ট্রানজিট রুট
মাদকের ট্রানজিট রুট
বিদেশে পাঠ্যবই মুদ্রণ
বিদেশে পাঠ্যবই মুদ্রণ
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
নড়বড়ে সেতু ঘুমন্ত প্রশাসন
নড়বড়ে সেতু ঘুমন্ত প্রশাসন
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
বায়ুদূষণ
বায়ুদূষণ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
জুলাই সনদ নিয়ে কি ঐকমত্য হবে?
জুলাই সনদ নিয়ে কি ঐকমত্য হবে?
সিরাত অধ্যয়নের মূলনীতি
সিরাত অধ্যয়নের মূলনীতি
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
সর্বশেষ খবর
ভিয়েতনামের গুহা থেকে উদ্ধার হওয়া কঙ্কাল নিয়ে গোলকধাঁধায় বিজ্ঞানীরা
ভিয়েতনামের গুহা থেকে উদ্ধার হওয়া কঙ্কাল নিয়ে গোলকধাঁধায় বিজ্ঞানীরা

এই মাত্র | বিজ্ঞান

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

৩৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির প্রয়োজনীয়তা
বিএনপির প্রয়োজনীয়তা

৫৯ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় একদিনে ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় একদিনে ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নরসিংদীতে কারাগার থেকে পলাতক আসামি গ্রেফতার
নরসিংদীতে কারাগার থেকে পলাতক আসামি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজা সিটি থেকে নিরাপদ গণউচ্ছেদ ‘অসম্ভব’: রেড ক্রস প্রধান
গাজা সিটি থেকে নিরাপদ গণউচ্ছেদ ‘অসম্ভব’: রেড ক্রস প্রধান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রিটেনে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভ থেকে গ্রেফতার ৩
ব্রিটেনে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভ থেকে গ্রেফতার ৩

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্সে ভিড়ের মধ্যে গাড়ি চাপায় নিহত ১, আহত ৫
ফ্রান্সে ভিড়ের মধ্যে গাড়ি চাপায় নিহত ১, আহত ৫

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মহানবী (সা.)-এর জীবনাচারে সরলতার সৌন্দর্য
মহানবী (সা.)-এর জীবনাচারে সরলতার সৌন্দর্য

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গুলার-ভিনিসিউসের গোলে রিয়ালের টানা তিন জয়
গুলার-ভিনিসিউসের গোলে রিয়ালের টানা তিন জয়

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সাইম ও নওয়াজের ব্যাটে পাকিস্তানের টানা দ্বিতীয় জয়
সাইম ও নওয়াজের ব্যাটে পাকিস্তানের টানা দ্বিতীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সরকার-সেনাবাহিনী নিয়ে অতিকথন নির্বাচন ভণ্ডুলের অপচেষ্টা?
সরকার-সেনাবাহিনী নিয়ে অতিকথন নির্বাচন ভণ্ডুলের অপচেষ্টা?

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব
সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না : নবীউল্লাহ নবী
নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না : নবীউল্লাহ নবী

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চবিতে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে মশাল মিছিল
চবিতে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে মশাল মিছিল

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

৮ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

ছাদ থেকে লাফ, ফতুল্লায় নারীর আত্মহত্যা
ছাদ থেকে লাফ, ফতুল্লায় নারীর আত্মহত্যা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বিতর্কে বিজয়ী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ
এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বিতর্কে বিজয়ী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ

৯ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু
নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের পুনরুত্থান হতে দেব না: নওশাদ
বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের পুনরুত্থান হতে দেব না: নওশাদ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ব্রাজিলিয়ান ও আর্জেন্টাইনের গোলে টেবিলের শীর্ষে চেলসি
ব্রাজিলিয়ান ও আর্জেন্টাইনের গোলে টেবিলের শীর্ষে চেলসি

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

১২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

২০ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না
মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না

নগর জীবন

নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র
নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

নগর জীবন