শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ০৩ জুলাই, ২০২৫

ফুল আর জুতার মালা মুদ্রার দুই পিঠ

ড. মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন
প্রিন্ট ভার্সন
ফুল আর জুতার মালা মুদ্রার দুই পিঠ

বাংলাদেশের ইতিহাসে শেখ মুজিবের মতো যশ, খ্যাতি, ফুলেল শুভেচ্ছা ইত্যাদি লাভের ঘটনা আজ পর্যন্ত অন্য কারও ভাগ্যে জোটেনি, সেই সঙ্গে তাঁর জীবনের দুঃখজনক পরিণতির কথাও সবারই জানা! এসব ঘটনায় প্রমাণিত হয়, মানবজীবন বড়ই বিচিত্র, কার ভাগ্যে কখন কী ঘটে বলা যায় না! অন্যথায় শেখ হাসিনার পরিণতিই বা এমনটি হবে কেন আর সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার নূরুল হুদারই বা এমন অসম্মানজনক দশা হবে কেন?  এসব ঘটনাও প্রমাণ করে যশ, খ্যাতি, ক্ষমতা কোনোটাই চিরস্থায়ী নয়। আজ যার গলায় ফুলের মালা, কাল তার গলায় যে জুতার মালা পরানো হবে না, তারও কোনো নিশ্চয়তা নেই!

কারণ স্বাধীনতার পর থেকে আমাদের দেশে আজ পর্যন্ত যা ঘটে গেল, সে দিকটায় ফিরে তাকালেই এসব ক্ষেত্রে আমাদের কাছে অনেক কিছু পরিষ্কার হয়ে যাবে, অনেক শিক্ষণীয় বিষয় আমরা এখানে দেখতে পাব।

আর এসব জানতে-বুঝতে এখানে শুরুতেই যা উল্লেখ করতে চাই, তা হলো, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের পর থেকেই একদল লোক স্বাধীন বাংলাদেশকে তাদের নিজস্ব সম্পত্তি তথা ‘গনিমতের মাল’ হিসেবে গণ্য করা শুরু করেন!

সে সময়ে একশ্রেণির অস্ত্রধারী মানুষ ঘরে ঘরে রাজাকার খোঁজ করায় মানুষের মনে একধরনের ভীতিকর অবস্থার সৃষ্টি হয়! কারণ আসল রাজাকার যারা তারা গা-ঢাকা দেওয়ায়, রাজাকার খুঁজতে থাকা লোকেরা রাজাকারদের আত্মীয়-পরিজনের ওপর অত্যাচার শুরু করে। কেউ কেউ তুলে নিয়ে অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেয়, আবার কাউকে গুম করে দেওয়া হয়! এ অবস্থায় স্বাধীনতার পরও দেশে হত্যা, রাহাজানি বন্ধ হয়নি! আবার কারও বাড়িতে সুন্দরী কোনো মেয়ে থাকলে এবং রাজাকার খোঁজা মানুষদের কারও সেই মেয়েটি চোখে ধরে গেলে ওই বাড়ির কোনো পুরুষ সদস্যকে রাজাকার আখ্যা দিয়ে জোর করে সেই মেয়েকে বিয়ে করা হতো! আর সে সময় কেউ এসব ঘটনার প্রতিকার করতে গেলে তার জন্য মৃত্যু ছিল অনিবার্য! সে সময় দেশে একটি সরকার থাকা সত্ত্বেও ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা দ্বারা কোনো প্রতিরোধ ছাড়াই নির্বিঘ্নে এসব কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতো! তা ছাড়া সরকারি আমলাদের দুর্নীতিসহ সরকারদলীয় নেতা-কর্মীদের লুটতরাজ ইত্যাদি ঘটনাতেও জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল! শীতার্ত দরিদ্র মানুষের জন্য আনীত রিলিফের কম্বল চুরির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর উদ্দেশে স্বয়ং শেখ সাহেবকেও বলতে হয়েছিল, ‘কই রে আমার কম্বলটি কোথায়?’

এ অবস্থায় দেশে ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ১০ মাস প্রলম্বিত একটি দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে বেসরকারি এক হিসাব অনুযায়ী ১০ থেকে ১৫ লাখ মানুষ প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে সেই দুর্ভিক্ষে প্রাণ হারায়। যদিও সরকারি হিসাবে তা অনেক কমিয়ে দেখানো হয়! দেশ-বিদেশের বিশেষজ্ঞরা সেই দুর্ভিক্ষকে তৎকালীন সরকারের বিরাট ব্যর্থতা হিসেবে চিহ্নিত করায় অতঃপর সরকার নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে ১৯৭৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি দেশের সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে একদলীয় শাসনব্যবস্থা ‘বাকশাল’ কায়েম করে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেয়! ফলে দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষই সরকারের ওপর ভীষণভাবে ক্ষিপ্ত হয়ে পড়ে। আর সেই সুযোগে ’৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেষ রাতে একদল সৈনিক ৩২ নম্বর বাসভবন আক্রমণ করে সপরিবার শেখ

মুজিবকে নির্মমভাবে হত্যা করে! শুধু শেখ হাসিনা এবং শেখ রেহানা বিদেশে অবস্থান করায় প্রাণে রক্ষা পান!

ওপরের ঘটনাসমূহ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, শেখ মুজিবের মতো একজন নেতা এবং রাজনীতিবিদও একসময় জনপ্রিয়তা হারিয়ে ভুল রাস্তা অতিক্রম করতে গিয়ে কীভাবে বেঘোরে প্রাণ হারিয়েছিলেন। যদিও তার খুনিদের কর্মকাণ্ড কোনোমতেই সমর্থনযোগ্য নয়, কিন্তু বাস্তবে তেমনটিই ঘটেছিল!

আবার ক্ষমতার লোভে পড়ে মুজিবকন্যা ২০১৮ সালের নির্বাচনে যা করেছেন তা নিন্দনীয়। নির্বাচনের আগের দিন রাতে ব্যালটে সিল মেরে আগ থেকেই ভোটবাক্স ভর্তি করে যে ঘটনার জন্ম দিলেন তা খুবই অশোভনীয় সে অবস্থায় বিরোধী দল আন্দোলন-সংগ্রাম অব্যাহত রাখায় পুলিশ এবং দলীয় ক্যাডার ব্যবহার করে বিরোধী দল দমনের পদক্ষেপ নিন তিনি। দেশবাসীর চাওয়া পাওয়াকে উপেক্ষা করে ’২৪-এর ৭ জানুয়ারি পুনরায় ভোটারবিহীন একটি ডামি নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি পুনরায় নিজেকে যেভাবে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করলেন, সেসব ঘটনাও ক্ষমতালিপ্সার এক অনন্য নজির হিসেবেই ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছে।

অতঃপর সেই স্বৈরাচারী সরকারেরও অবসান হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলনে দেশের আমজনতা সম্পৃক্ত হয়ে পড়লে সে আন্দোলন দমনে শেখ হাসিনা এ দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বর্বরোচিত পন্থা অবলম্বন করেও টিকে থাকতে পারেননি। সে আন্দোলন গণ অভ্যুত্থানে পরিণত হলে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। উল্লেখ্য স্বাধীনতার পর মুজিব সরকার এবং জুলাই ২৪ পর্যন্ত শেখ হাসিনা সরকারের তুলনামূলক একটি চিত্র তুলে ধরাই ওপরে বর্ণিত কিছু ঘটনার অবতারণা করার উদ্দেশ্য। তবে হাসিনা সরকারের ফ্যাসিস্ট কর্মকাণ্ড ছাড়াও তাঁর সরকারের দুর্নীতিসহ অর্থ পাচার ইত্যাদি অনেক অপকর্ম এবং অপরাধের কথা তুলে ধরা এই স্বল্পপরিসরে সম্ভব হলো না।

এ অবস্থায় লেখাটির শেষ অংশে এসে বর্তমান সরকার সম্পর্কেও সংক্ষেপে এখানে কিছু বলা প্রয়োজন বলে অনুভব করছি। শুরুতেই বর্তমান সরকারের প্রধান উপদেষ্টার উদ্দেশে বলতে চাই, শেখ হাসিনা সরকারের শাসনামলে যাঁরা গুম, খুন, লুটতরাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন-তাঁদের বিরুদ্ধে বিচারের ব্যবস্থা করে শাস্তি প্রদান করার ক্ষেত্রে যেমন দেশের মানুষের কোনো আপত্তি নেই, ঠিক একইভাবে আসল অপরাধীদের না পেয়ে স্বাধীনতার পর রাজাকার খোঁজার মতো যাকেতাকে ‘স্বৈরাচারের দোসর’ তকমা দিয়ে শত শত বা হাজার হাজার মানুষকে জেলে ঢোকানোও সমর্থনযোগ্য নয়। কারণ শেখ হাসিনা সরকারের আমলের মতো হাজার হাজার মিথ্যা এবং গায়েবি মামলা দিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ পাঠিয়ে একই দৃশ্য অভিনীত হচ্ছে। ব্যক্তিগত শত্রুতার কারণে অথবা হীনস্বার্থ হাসিলে ব্যর্থ হয়ে বা চাঁদাবাজির কারণেও অনেকে যারতার বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দিচ্ছে এবং সেসব মামলায় দেশের মানুষের অশেষ ভোগান্তি হচ্ছে! অথচ এসব মামলায় অনেক বাদী আসামির নাম-পরিচয়ও জানেন না! যদিও সেসব নিয়েও আইন উপদেষ্টাকে বলতে শোনা গেল, ‘দেশের মানুষের তো মামলা করার অধিকার আছে!’ আর এসব কারণে আমাদের মনে হওয়ার যথেষ্ট কারণ হয়েছে, প্রধান উপদেষ্টা এবং উপদেষ্টামণ্ডলী তাঁদের ইচ্ছামতো বা স্বাধীনভাবে দেশ পরিচালনা করতে পারছেন না; সময়ে সময়ে কোনো গোষ্ঠীকে অবলাইজ করতে হচ্ছে! আবার অতিসম্প্রতি সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার নূরুল হুদার গালে জুতা মেরে, তাঁর গলায় জুতার মালা পরানোর যে ঘটনাটি ঘটানো হলো, তার দায়ভারই বা বর্তমান সরকার কীভাবে এড়াবে? সরকারের একজন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার যদি অতীত কর্মকাণ্ডের জন্য দোষী বলে প্রমাণিত হন, সে ক্ষেত্রেও তাঁর স্বাভাবিক বিচার পাওয়ার অধিকার আছে। এমনকি একজন খুনিরও সে অধিকার আছে! কিন্তু দেশে একটি সরকার থাকা অবস্থায় সাংবিধানিক পদে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা হিসেবে নূরুল হুদার সে অধিকারটুকুও তো সরকার নিশ্চিত করতে পারল না! সুতরাং এ ক্ষেত্রে তো প্রশ্ন তোলাই যায়, কে কীভাবে সরকার চালাচ্ছে? আবার ভবিষ্যতে এসব অপকর্মের দায়ভার কার ওপর বর্তাবে, সে বিষয়েও তো একটি কথা থেকে যায়! কারণ মনে রাখা প্রয়োজন, কোনো বেআইনি কার্যকলাপই জবাবদিহির ঊর্ধ্বে নয়, অতীতের সব অপশাসন, অবিচারের ক্ষেত্রেই যেহেতু জবাবদিহি প্রদান করতে হয়েছে এবং হচ্ছে, সুতরাং বর্তমান সরকারের আমলে আইনের শাসনের বাইরে কোনো কিছু ঘটলে ভবিষ্যতে তারও কিন্তু বিচার হবে, অতএব সাধু সাবধান!

সবশেষে বলতে চাই, অতীত বা বর্তমান সরকারের কারও পক্ষে বা বিপক্ষে কিছু বলার জন্য ওপরের কথাগুলো বলিনি। শুধু কিছু সত্য ঘটনা উল্লেখ করে সময়ে সময়ে যারা সরকার চালান, তাঁদের সাবধান করতে চেয়েছি মাত্র! কারণ ক্ষমতার লোভ কিন্তু নিজের অজান্তেই যে কাউকে গ্রাস করে ফেলতে পারে! এ অবস্থায় প্রধান উপদেষ্টাসহ উপদেষ্টা পরিষদের কাছে অনুরোধ, ‘এ পর্যন্ত যতটুকু সম্ভব যা পেরেছেন, সেখানেই ইতি টেনে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নির্বাচন দিয়ে নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করাই হবে এখন সময়ের কাজ।’ অন্যথায় এভাবে কোনো গোষ্ঠীর অবলিগেশনে থেকে দেশ চালালে, কোনো গোষ্ঠী কর্তৃক কারও গালে জুতার বাড়ি মারলে, গলায় জুতার মালা পরালে সেসব ঘটনার বিরূপ প্রতিক্রিয়ায় দেশের মানুষের কাছে কিন্তু ভুল বার্তা পৌঁছে যাবে এবং পতিত সরকারের লোকজনসহ সুযোগসন্ধানীরা তার সুযোগ গ্রহণ করে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে!  সুতরাং বিচিত্র এই দেশে কখন কী ঘটে, সে বিষয়টি মাথায় রেখেই সরকার পরিচালনা করা বা ক্ষমতায় থাকা উচিত বলে মনে করি। কারণ আমাদের দেশে ফুল এবং জুতার মালা অনেকটা মুদ্রার এপিঠ ওপিঠের মতো!

                লেখক : কলামিস্ট, বীর মুক্তিযোদ্ধা

এই বিভাগের আরও খবর
মাদকের ট্রানজিট রুট
মাদকের ট্রানজিট রুট
বিদেশে পাঠ্যবই মুদ্রণ
বিদেশে পাঠ্যবই মুদ্রণ
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
নড়বড়ে সেতু ঘুমন্ত প্রশাসন
নড়বড়ে সেতু ঘুমন্ত প্রশাসন
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
বায়ুদূষণ
বায়ুদূষণ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
জুলাই সনদ নিয়ে কি ঐকমত্য হবে?
জুলাই সনদ নিয়ে কি ঐকমত্য হবে?
সিরাত অধ্যয়নের মূলনীতি
সিরাত অধ্যয়নের মূলনীতি
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
সর্বশেষ খবর
ভিয়েতনামের গুহা থেকে উদ্ধার হওয়া কঙ্কাল নিয়ে গোলকধাঁধায় বিজ্ঞানীরা
ভিয়েতনামের গুহা থেকে উদ্ধার হওয়া কঙ্কাল নিয়ে গোলকধাঁধায় বিজ্ঞানীরা

এই মাত্র | বিজ্ঞান

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

৩৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির প্রয়োজনীয়তা
বিএনপির প্রয়োজনীয়তা

৫৯ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় একদিনে ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় একদিনে ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নরসিংদীতে কারাগার থেকে পলাতক আসামি গ্রেফতার
নরসিংদীতে কারাগার থেকে পলাতক আসামি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজা সিটি থেকে নিরাপদ গণউচ্ছেদ ‘অসম্ভব’: রেড ক্রস প্রধান
গাজা সিটি থেকে নিরাপদ গণউচ্ছেদ ‘অসম্ভব’: রেড ক্রস প্রধান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রিটেনে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভ থেকে গ্রেফতার ৩
ব্রিটেনে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভ থেকে গ্রেফতার ৩

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্সে ভিড়ের মধ্যে গাড়ি চাপায় নিহত ১, আহত ৫
ফ্রান্সে ভিড়ের মধ্যে গাড়ি চাপায় নিহত ১, আহত ৫

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মহানবী (সা.)-এর জীবনাচারে সরলতার সৌন্দর্য
মহানবী (সা.)-এর জীবনাচারে সরলতার সৌন্দর্য

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গুলার-ভিনিসিউসের গোলে রিয়ালের টানা তিন জয়
গুলার-ভিনিসিউসের গোলে রিয়ালের টানা তিন জয়

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সাইম ও নওয়াজের ব্যাটে পাকিস্তানের টানা দ্বিতীয় জয়
সাইম ও নওয়াজের ব্যাটে পাকিস্তানের টানা দ্বিতীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সরকার-সেনাবাহিনী নিয়ে অতিকথন নির্বাচন ভণ্ডুলের অপচেষ্টা?
সরকার-সেনাবাহিনী নিয়ে অতিকথন নির্বাচন ভণ্ডুলের অপচেষ্টা?

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব
সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না : নবীউল্লাহ নবী
নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না : নবীউল্লাহ নবী

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চবিতে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে মশাল মিছিল
চবিতে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে মশাল মিছিল

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

৮ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

ছাদ থেকে লাফ, ফতুল্লায় নারীর আত্মহত্যা
ছাদ থেকে লাফ, ফতুল্লায় নারীর আত্মহত্যা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বিতর্কে বিজয়ী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ
এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বিতর্কে বিজয়ী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ

৯ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু
নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের পুনরুত্থান হতে দেব না: নওশাদ
বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের পুনরুত্থান হতে দেব না: নওশাদ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ব্রাজিলিয়ান ও আর্জেন্টাইনের গোলে টেবিলের শীর্ষে চেলসি
ব্রাজিলিয়ান ও আর্জেন্টাইনের গোলে টেবিলের শীর্ষে চেলসি

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

১২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

২০ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না
মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না

নগর জীবন

নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র
নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

নগর জীবন