শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ৫ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা
আপলোড : ৪ জুন, ২০১৬ ২৩:২৪

ইন্টারভিউ : শ্রাবন্তী

শাকিব খুবই সুইট ছেলে

শামছুল হক রাসেল

শাকিব খুবই সুইট ছেলে

যৌথ প্রযোজনার ছবি ‘শিকারী’তে শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করছেন কলকাতার অভিনেত্রী শ্রাবন্তী। এই মিষ্টি মেয়ে লন্ডনে শুটিং শেষ করে সম্প্রতি কলকাতায় ফিরেছেন। গতকাল মুঠোফোনে বাংলাদেশ প্রতিদিনের সঙ্গে কথা বলেন তিনি—

 

কেমন আছেন?

হুম... খুব ভালো। লন্ডন থেকে ফেরার পর এখানকার নতুন ছবি নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি। প্রস্তুতি নিচ্ছি টালিউডের বিগ বাজেটের আরও একটি ছবির জন্য। তাই ভালো আছি ঠিকই, কিন্তু ব্যস্ততার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। অবসর নেই এতটুকুও।

প্রথমবারের মতো যৌথ প্রযোজনায় কাজ করলেন। অনুভূতি কী?

সত্যি কথা বলতে কি, বলার জন্য বলছি না— আসলেই খুব ভালো লেগেছে। একটু এক্সাইটেডও বটে। কারণ দুই বাংলাতেই আমার ছবি মুক্তি পাবে। আর আমাদের ‘শিকারী’ নাকি মুক্তি পাবে ঈদের সময়। এ ধরনের সময়ে ছবি মুক্তির আনন্দই আলাদা। কাজ করতে গিয়ে মনেই হয়নি অন্য কোনো ঘরানায় শুটিং করছি। সবাই যেমন আপন করে নিয়েছিলেন, আমিও নিয়েছিলাম সবাইকে আপন করে। তাই একটা পারিবারিক কিংবা বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশেই কাজ করেছি। এখন ফিল করছি, এ ধরনের ছবি আরও বেশি বেশি হওয়া উচিত।

শাকিব খানের সঙ্গে কেমিস্ট্রি কেমন লাগল?

খুউব ভালো লেগেছে। ব্যক্তি হিসেবে শাকিব খুবই সুইট একটা ছেলে। অসাধারণ ব্যক্তিত্ব তার। শাকিবের মতো কো-আর্টিস্টের সঙ্গে কাজ করার আনন্দই আলাদা। কারণ কো-আর্টিস্ট ভালো হলে কেমিস্ট্রির বিক্রিয়াটাও ভালো হয়। আশা করছি টালিউড ও ঢালিউডের এ বিক্রিয়া সবাই পছন্দ করবেন।

বুঝলাম ব্যক্তি শাকিব খুবই সুইট, কিন্তু অভিনেতা শাকিব কেমন?

অভিনেতা শাকিব আরও বেশি সুইট... হা হা হা...। ওর সঙ্গে অভিনয় করে সত্যিই ভালো লেগেছে। স্বাভাবিকভাবেই শুরুতে কেমিস্ট্রি জমতে একটু সময় নিয়েছে। কিন্তু কিছুদিন পরই আমরা খুব জমিয়ে অভিনয় করেছি। আমাদের মধ্যে ফ্রেন্ডশিপটা ভালোই জমেছিল।

ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে আরও পাব?

হি হি হি... কেন নয়? আমরা শিল্পীরা সব সময়ই চাই নিজেদের গণ্ডি পেরিয়ে শিল্পসত্তাকে ছড়িয়ে দিতে। আমিও এর ব্যতিক্রম নই। ‘শিকারী’র মতো ভালো কাজের প্রস্তাব পেলে অবশ্যই করব। তা ছাড়া বাংলাদেশ তো আমার রক্তে মিশে আছে।

রক্তে মিশে আছে!...

আসলে আমার দাদার বাড়ি ছিল বরিশালে। ছোটবেলায় অনেক কথা শুনেছি সেই জায়গার। বেশ কয়েকবার পরিকল্পনাও এঁটেছিলাম বরিশালে যাব। তা আর হয়ে ওঠেনি। হয়তো এপারে চলে এসেছি কিন্তু রক্তের সেই টানটা এখনো অনুভব করি।

এবার একটি ব্যক্তিগত প্রশ্ন, শুনেছি ফের ঘর বাঁধতে চলেছেন?

বুঝেছি, কৃষাণের কথা বলছেন তো! সঙ্গী হিসেবে সে চমৎকার। সে আমার জীবনে এমন স্থিরতা এনে দিয়েছে যা আগে কখনো পাইনি। এর চেয়ে বেশি কিছু বলার নেই। সময় হলে সবাই জানতে পারবেন আমাদের কথা।

কিন্তু চারদিকে তো বেশ হৈচৈ এই খবর নিয়ে।

তা তো হবেই। কিছু মানুষ তো বসেই থাকে হৈচৈ করার জন্য। তারা এখন হৈচৈ করার মতো বিষয় পেয়েছে তাই করছে। কিন্তু আমি করছি না।


আপনার মন্তব্য