Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ১২ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১১ এপ্রিল, ২০১৯ ২২:৫৫

বগুড়ার শিল্পকলা

তরুণদের মাঝে সংস্কৃতির চেতনা ছড়িয়ে দিচ্ছে

আবদুর রহমান টুলু, বগুড়া

তরুণদের মাঝে সংস্কৃতির চেতনা ছড়িয়ে দিচ্ছে

বগুড়ার শিল্পকলা একাডেমি শিশু-কিশোর ও তরুণদের মাঝে সংস্কৃতির চেতনা ছড়িয়ে দিতে কাজ করে যাচ্ছে। সরকারের এ প্রতিষ্ঠানে প্রতি বছর ২শর বেশি শিক্ষার্থী সংস্কৃতির বিভিন্ন শাখায় শিক্ষা গ্রহণ করছে। সাংস্কৃতিক শিক্ষা প্রদানের পাশাপাশি অসহায় ও দুস্থ সাংস্কৃতিক কর্মীদের এবং অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য আর্থিক এককালীন অনুদান প্রদান করছে। গত অর্থবছরে বগুড়ায় ৩২ লাখ টাকার অনুদান প্রদান করেছে।

বগুড়া জেলা শিল্পকলা একাডেমি সূত্রে জানা যায়, বগুড়া শিল্পকলায় চারুকলা, নাটক, আবৃত্তি, তালযন্ত্র, নৃত্য, সংগীত প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে। বগুড়া শিল্পকলা একাডেমিতে এখন রয়েছে প্রায় ২০০ জন শিক্ষার্থী। বগুড়া শিল্পকলায় জনবল এবং অবকাঠামো ঠিক থাকলেও রয়েছে মঞ্চ সমস্যা। প্রায় এক দশক আগে নতুন ভবন গড়ার পর থেকে তেমন কোনো সংস্কার করা হয়নি। দিনে দিনে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মঞ্চ হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত। প্রশিক্ষক স্থায়ীকরণ না করায় অনেক সময় দক্ষ প্রশিক্ষক নিয়ে সমস্যার সৃষ্টি হয়। অস্থায়ী ভিত্তিতে প্রশিক্ষক থাকলেও তাদের নামমাত্র সম্মানী প্রদান করা হচ্ছে। তবে বগুড়ার শিল্পকলা একাডেমি পরিষদের কমিটিও গঠন হয়নি প্রায় এক দশক।  এদিকে দীর্ঘদিন আহ্বায়ক কমিটি থাকার পর ২০১৮ সালে আবারও আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে রাখা হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ কমিটির রূপ পায়নি আজও। বগুড়ার সাংস্কৃতিক কর্মীরা জানান, শিশুদের সংস্কৃতির বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করে সংস্কৃতিতে আগ্রহী করে তুলছে। শিশুরা লেখাপড়ার পাশাপাশি সংস্কৃতি চেতনায় বেড়ে উঠছে।

এ প্রসঙ্গে বগুড়া জেলা শিল্পকলা একাডেমির কর্মকর্তা শাহাদৎ হোসেন জানান, জেলা মিল্পকলা একাডেমির সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ, সংস্কারের বিষয়ে সার্বিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয়ভাবে এই সংস্কার করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এটি সংস্কার করা হলে মঞ্চের কোনো সমস্যা থাকবে না। আমারা সব কিছুই পর্যায়ক্রমে ঠিক করে নিচ্ছি। শিল্পকলার কাজ হলো সংস্কৃতি চর্চায় আগ্রহী করে তোলা। দেশীয় সংস্কৃতিকে সাধারণ মানুষের মাঝে বেশি বেশি করে পৌঁছে দেওয়া। সাংস্কৃতিক কর্মীরা যেন ভালো থাকে সে বিষয়ে কর্মসূচি গ্রহণ করার পাশাপাশি জাতীয় দিবসগুলো যথাযোগ্য পালনে সহযোগিতা করা।


আপনার মন্তব্য