শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৫ এপ্রিল, ২০১৯ ২৩:৩৫

নওশীনকে দুষলেন মিলা

পান্থ আফজাল

নওশীনকে দুষলেন মিলা

দেশীয় সংগীতাঙ্গনের সত্যিকারের রকস্টারের নাম মিলা। শুধু গায়কীতেই নয়, গানে গানে তার পারফর্মও চোখ ধাঁধানো। যে কোনো স্টেজ শো মানেই মিলার ধামাকা পারফরমেন্স! তবে গত কয়েক বছর ধরেই এই রকস্টারের দেখা নেই কোথাও। ব্যক্তিগত কিছু ঝামেলার কারণে সংগীতজগৎ থেকে ছিলেন কিছুটা দূরে। এদিকে সম্প্রতি স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির অমানবিক নির্যাতনের বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করলেন মিলা। একইসঙ্গে তার সাবেক স্বামী বৈমানিক পারভেজ সানজারির সঙ্গে ডিভোর্সের পেছনে অভিনেত্রী নওশীনের সংশ্লিষ্টতা তুলে ধরেন। সংগীত তারকা মিলার দাবি, নিজের সাবেক স্বামী বৈমানিক পারভেজ সানজারির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন নওশীন। এর ফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে তার পুরনো সংসারে। এদিকে সংবাদ সম্মেলনে নওশীনের সঙ্গে গত জুনে মোবাইল ফোনে বিবাদের একটি রেকর্ডও শোনান মিলা। তখনো ডিভোর্স হয়নি বলে জানান তিনি। রেকর্ডে শোনা যায়, বৈমানিক পারভেজ সানজারির সঙ্গে পরিচয় থাকার কথা স্বীকার করেছেন নওশীন। এ ছাড়া শোনা গেছে, পারভেজ সানজারির সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় ছবি তোলা নিয়ে নওশীনকে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন মিলা। নওশীন প্রসঙ্গে কথা বললে মিলা অভিযোগ করেন, ‘আমার স্বামীর সঙ্গে নওশীনের সম্পর্ক ছিল। তাদের ঘনিষ্ঠ ছবি হাতে পেয়ে নওশীনের স্বামী হিল্লোলকে জানানোর পরও কোনো সুরাহা হয়নি। উল্টো সাইবার ক্রাইমে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তারা। পরে সাইবার ক্রাইম বিভাগ থেকে আমাকে বলা হয়, এসব নিয়ে প্রকাশ্যে কথা না বলাই ভালো। আমার প্রশ্ন হলো, নওশীন শোবিজের মেয়ে হয়ে শোবিজেরই আরেকজনের স্বামীকে নিয়ে এমন করল, আমরা শোবিজের মেয়েরা তাহলে কোথায় যাব? আর শুধু এই অভিনেত্রী নয়, অনেকের সঙ্গেই পরকীয়ায় আসক্ত আমার স্বামী।’ তবে মিলার এ অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন অভিনেত্রী নওশীন। তার মতে, তাকে নিয়ে সাজানো এসব অভিযোগ পুরোপুরি ভিত্তিহীন, ভুল ও বানোয়াট। নওশীন তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আমি যদি মিলার সংসার ভাঙতে চাইতাম, তাহলে আগে আমার সংসার ভাঙতে হবে। আমি মিডিয়ার মেয়ে হয়ে শোবিজের আরেকটি মেয়ের সংসার কীভাবে ভাঙব? আর আমি মিলার নামে সাইবার ক্রাইমে কোনো কিছু করিনি। তাকে অনেকবার বোঝানোর চেষ্টা করেছি। হিল্লোলও বোঝানোর চেষ্টা করেছে। কিন্তু আমরা ব্যর্থ হয়েছি। সে ভুল বুঝছে সেটা বোঝানোর ক্ষমতা আমাদের নেই। জানি তার ব্যক্তিজীবনে দুঃসময় চলছে। একটা মেয়ে এমনিই বিপদে আছে, আমার মামলার কারণে সে আরও বিপদে পড়বে ভেবে মামলা করিনি।’ এদিকে নওশীনের দাবি, মিলা সংবাদকর্মীদের যে ফোন রেকর্ড শুনিয়েছেন সেটা ছিল এডিটেড। তবে সব কিছুর পরও নওশীন আশাবাদী মিলা সুবিচার পাবেন। তিনি বলেন ‘আমি চাই মিলা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুক। গান-বাজনা করুক। একইসঙ্গে অবশ্যই সে সুবিচার পাবে আশা করছি।’ এদিকে মিলা তার সংসার ভাঙার জন্য অভিনেত্রী নওশীনের পাশাপাশি বেসরকারি টিভি চ্যানেল ইটিভির এক নারী কর্মকর্তাকেও দায়ী করেন। মিলা তার বিবাহিত জীবনের আরও অনেক অজানা ঘটনা তুলে ধরতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তার ওপর হয়ে যাওয়া অন্যায়ের সঠিক বিচারের প্রত্যাশা করেন। সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে বিচারও চেয়েছেন।


আপনার মন্তব্য