Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২৩:১৯

হুইল চেয়ারে করে আদালতে খালেদা জিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক

হুইল চেয়ারে করে আদালতে খালেদা জিয়া

নাইকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন কারাবন্দী খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের ওপর শুনানি অব্যাহত রয়েছে। গতকাল রাজধানীর নাজিম-উদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত অস্থায়ী এজলাসে খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতে নিজের পক্ষে আংশিক শুনানি করেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। হুইল চেয়ারে বসিয়ে খালেদা জিয়াকে আদালতে আনা হয়। শুনানি শেষে ঢাকার ৯ নম্বর বিশেষ জজ শেখ হাফিজুর রহমান আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি মামলার পরবর্তী দিন ঠিক করেন। এদিন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আদালতকে বলেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ভালো নয় এবং সমস্যাগুলো দিন দিন  বাড়ছে। এ জন্য কারাগারে ব্যক্তিগত চিকিৎসক এনে তার চিকিৎসার জন্য আদালতে আবেদন জানান তারা। এ সময় দুদকের আইনজীবীর কাছে তার বক্তব্য জানতে চায় আদালত। দুদকের আইনজীবী মোশারফ হোসেন কাজল বলেন, জেল কোড অনুযায়ী আপনি আদেশ দিতে পারেন। এরপর বিচারক বলেন, হাই কোর্টের আদেশটি আদালতে দাখিল করেন। আমি দেখে পরে আদেশ দেব। এ সময় খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবদুর রেজ্জাক খান, জয়নুল আবেদীন, বোরহান উদ্দিনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। গতকাল বেলা ১২টা ২৮ মিনিটে এ মামলার শুনানির জন্য আদালত বসে। এর আগে মামলার প্রধান আসামি খালেদা জিয়াকে কারাগারের দোতালা থেকে হুইল চেয়ারে করে আদালত কক্ষে আনা হয়। এরপর মামলার অভিযোগ গঠনের বৈধতা নিয়ে নিজের পক্ষে শুনানি করেন বিএনপি নেতা সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। এদিন মামলার আরেক আসামি শহীদুল ইসলামের পক্ষে আংশিক শুনানি করেন তার আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামান। এরপর শুনানির জন্য আরও সময় চাইলে আদালত পরবর্তী শুনানির জন্য ২০ ফেব্র“য়ারি দিন ধার্য করেন। এরপর দুপুর ২টার পরে খালেদা জিয়াকে কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলাটি দায়ের করে দুদক। ২০০৮ সালের ৫ মে, খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগপত্র দেয় দুদক। মামলায় অভিযোগে বলা হয়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনটি গ্যাসক্ষেত্র পরিত্যক্ত দেখিয়ে কানাডীয় কোম্পানি নাইকোর হাতে ‘তুলে দেওয়ার’ মাধ্যমে আসামিরা রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার ক্ষতি করেছেন।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর