শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২৩:২০

তরুণী ধর্ষণে দুই পুলিশ কর্মকর্তা ছয় দিনের রিমান্ডে

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জে ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত দুই পুলিশ কর্মকর্তার ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। গতকাল মানিকগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৭-এর বিচারক মোহাম্মদ গোলাম সারোয়ার এ আদেশ দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করলে আদালত ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। এ সময় বাদী উপস্থিত ছিলেন না।

তরুণী ধর্ষণের ঘটনায় প্রাথমিকভাবে সাটুরিয়া থানার এসআই সেকেন্দার হোসেন ও এএসআই মাজহারুল ইসলামের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় সোমবার রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এর আগে তাদের দুজনকে সাটুরিয়া থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছিল। সোমবার রাতে ভুক্তভোগী তরুণীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। তবে এখনো ডাক্তারি পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. লুৎফর রহমান জানান, রিপোর্ট পেতে দুদিন সময় লাগবে। উল্লেখ্য, রবিবার এক তরুণী মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) রিফাত রহমান শামীমের কাছে লিখিত অভিযোগ করার পর তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

 লিখিত অভিযোগে তরুণী দাবি করেন, তার খালা সাটুরিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সেকেন্দার হোসেনের কাছে প্রায় তিন লাখ টাকা পান। ওই টাকা আনতে গত বুধবার বিকাল ৫টার দিকে খালার সঙ্গে তিনি সাটুরিয়া থানায় যান। সেখান থেকে এসআই সেকেন্দার দুজনকে নিয়ে সাটুরিয়ার ডাক-বাংলোতে যান। সেখানে এসআই সেকেন্দার ও এএসআই মাজহারুল ইসলাম বাংলোতে তরুণী ও তার খালাকে আলাদা ঘরে আটকে রাখেন। তরুণীকে অস্ত্রের মুখে ইয়াবা সেবনে বাধ্য করে একাধিকবার তাকে তারা ধর্ষণ করেন। শুক্রবার সকালে তাদের ডাকবাংলো থেকে বের করে দেওয়া হয়। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে এসআই সেকেন্দার হোসেন বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা।’ সোমবার ধর্ষিতা সাটুরিয়া থানায় মামলা করেন। ওই রাতেই আসামিদের গ্রেফতার করা হয়। গতকাল তাদের আদালতে হাজির করে ছয় দিনের রিমান্ডে আনা হয়।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর