শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৭ জুলাই, ২০১৯ ২৩:৫৩

আদালতে ছুরি নিয়ে যায় কীভাবে

পুলিশ কী করে? বিচারকদের নিরাপত্তায় কী ব্যবস্থা জানতে চায় হাই কোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক

আদালতে ছুরি নিয়ে যায় কীভাবে

আদালতে আইনজীবী, বিচারক ও কর্মকর্তাদের নিরাপত্তায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা জানতে চেয়েছে হাই কোর্ট। একই সঙ্গে কুমিল্লায় বিচারকের খাসকামরায় এক আসামিকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় পুলিশেরই গাফিলতি দেখছে উচ্চ আদালত। বিচারকদের নিরাপত্তা চেয়ে দায়ের করা এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট গতকাল বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। কুমিল্লার ঘটনার পর মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান বিচার বিভাগ, বিচারাঙ্গন ও বিচারকদের নিরাপত্তা চেয়ে এই রিট আবেদন করেন। তিনি নিজে একজন বিচারকের স্ত্রী। গতকাল আদালতে রিটের ওপর শুনানিতে ইশরাত নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

এদিকে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনে হত্যা মামলার এক আসামি জামিন নেওয়ার পর তার ওপর বাদীপক্ষের লোকজন হামলা করে। আসামির আইনজীবীও সেখানে আক্রান্ত হন। ওই দুটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারক শুনানিতে বলেন, কুমিল্লার পর সুপ্রিম কোর্ট বারেও ঘটনা ঘটেছে। এ অবস্থায় কোর্টে আইনজীবী, জাজ ও কর্মকর্তাদের সিকিউরিটির জন্য কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বাশার তখন বলেন, কুমিল্লা এবং সুপ্রিম কোর্ট বারের দুটি ঘটনাই ব্যক্তিগত। এ সময় বিচারক বলেন, ব্যক্তিগত হোক আর যাই হোক, কোর্টের ভিতরে ছুরি নিয়ে কীভাবে যায়? পুলিশ কী করে? ডেফিনেটলি এটা পুলিশের গাফিলতি। রিট আবেদনকারী আইনজীবী ইশরাত তখন বলেন, নিরাপত্তা তো সবার জন্য। উনিও (রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী) এমন পরিস্থিতিতে পড়তে পারেন। তাই আইনজীবী, বিচারকসহ সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এরপর আদালত ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে দেশের আদালতগুলোতে আইনজীবী, বিচারক ও কর্মকর্তাদের নিরাপত্তায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং কুমিল্লার আদালতে ঘটনার দিন ওই সেখানে যারা নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা জানাতে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে নির্দেশ দেয়।


আপনার মন্তব্য