শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৯ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৮ জুলাই, ২০১৯ ২৩:৫০

ঢাকা ওয়াসার ১১ খাতে দুর্নীতি

দুদকের ১২ সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা ওয়াসার ১১ খাতে দুর্নীতি

ঢাকা ওয়াসার বিভিন্ন প্রকল্পসহ ১১টি পয়েন্টে দুর্নীতির সন্ধান পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। এসব দুর্নীতি ও অনিয়ম রোধে কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক টিমের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের আলোকে সরকারের কাছে ১২ দফা সুপারিশ। গতকাল স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলামের কাছে ওয়াসার দুর্নীতিসংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন দুদকের কমিশনার ড. মো. মোজাম্মেল হক খান। দুদক বলছে, ওয়াসার প্রকল্পগুলো যথাসময়ে শেষ না করে বিভিন্ন অজুহাতে প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়সীমা ও প্রকল্প ব্যয় বাড়ানো হয়। এ ছাড়া ঠিকাদার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট পদ্ধতি ও রাজনৈতিক পরিচয় এবং কাজ পাওয়ার বিনিময়ে ঘুষ লেনদেন প্রচলিত প্রথা হয়ে গেছে। এ ক্ষেত্রে প্রকল্প পরিচালকসহ প্রকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী এবং ওয়াসার ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ যুক্ত থাকেন।

ওয়াসার ১১টি দুর্নীতির উৎসের মধ্যে রয়েছে- নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ না করে বিভিন্ন অজুহাতে প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়সীমা ও প্রকল্প ব্যয় বাড়ানো হয়। ঠিকাদার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট পদ্ধতি ও রাজনৈতিক পরিচয় এবং কাজ পাওয়ার বিনিময়ে ঘুষ লেনদেন বর্তমানে একটি প্রচলিত প্রথা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে স্পেসিফিকেশন ও ডিজাইন অনুযায়ী প্রকল্পকাজ যথাসময়ে শেষ হয় না এবং প্রকল্পের ব্যয়ভার অস্বাভাবিক বাড়ে। ব্যক্তিমালিকানাধীন গভীর নলকূপ স্থাপন, মিটার রিডিং ও রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে ওয়াসা এখনো ম্যানুয়াল পদ্ধতি ব্যবহার করায় প্রকৌশল ও রাজস্ব শাখার সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরা সিন্ডিকেট গড়েছেন। এর মাধ্যমে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হচ্ছে। ওয়াসায় পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় বিভিন্ন শ্রেণির কর্মচারীদের তাদের নির্ধারিত কাজের সময়ের বাইরে অতিরিক্ত কাজ করতে হয়।


আপনার মন্তব্য