Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২১ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২০ জুলাই, ২০১৯ ২৩:৩৯

লাইট ফ্যান ছাড়াই রাত কাটালেন প্রিয়াঙ্কা

নয়াদিল্লি প্রতিনিধি

লাইট ফ্যান ছাড়াই রাত কাটালেন প্রিয়াঙ্কা

শেষ পর্যন্ত অনড় প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর কাছে নতিস্বীকার করল উত্তর প্রদেশের যোগী সরকার। বলেছে, ‘প্রিয়াঙ্কা আদিবাসী চাষিদের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে করবেন। আপত্তি নেই।’ সোনভদ্র গ্রামে গুলিতে নিহত আদিবাসী চাষি পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে এলে গত শুক্রবার তাকে আটক করে মির্জাপুরে সরকারি গেস্ট হাউসে নিয়ে যাওয়া হয়। বলা হয় ফিরে যান। প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘চাষিদের সঙ্গে দেখা না করে যাব না।’ গেস্ট হাউসে বিদ্যুৎ ছিল না। ফ্যানও ছিল না। ওই অবস্থায় রাতটি কাটিয়ে দিলেন প্রিয়াঙ্কা। প্রিয়াঙ্কা টুইট করেন, ‘আমার কাছে রাত ১টায় উত্তর প্রদেশের তিন অফিসার এসে চলে যেতে বলেন। কিন্তু আমি জানাই আমার এসি-লাইট চাই না, যতক্ষণ না চাষি পরিবারের সঙ্গে দেখা করছি ততক্ষণ যাব না।’ শনিবার সকালে উত্তর প্রদেশ সরকার সিদ্ধান্ত নেয় প্রিয়াঙ্কা গান্ধী যেখানে ইচ্ছা যেতে পারেন। কংগ্রেস অভিযোগ করে লাইট-ফ্যানের অভাবে প্রিয়াঙ্কা যাতে গেস্ট হাউস ছাড়তে বাধ্য হন তাই সব বিদ্যুৎ লাইন কেটে দেওয়া হয়। স্থানীয় গ্রামবাসী সারা রাত তাকে হাতপাখা দিয়ে বাতাস করতে থাকেন। সোনভদ্র গ্রামের চাষি পরিবারের মহিলারা মির্জাপুরে অতিথি নিবাসে এসে দেখা করেন। তারা কান্নায় ভেঙে পড়েন। এরপর প্রিয়াঙ্কা দিল্লি ফিরে আসেন। তবে তার আগে ঘোষণা করেন, আমি আবার এখানে আসব। পূর্ব উত্তর প্রদেশের অন্তর্গত এই এলাকার কংগ্রেসের পক্ষে দায়িত্বে প্রিয়াঙ্কা। এটা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্বাচনী এলাকাভুক্ত। এখানেই গ্রামপ্রধানদের গুলিতে ১০ জন আদিবাসী চাষি নিহত হন। এর আগে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেছিলেন, ১৯৫৫ সালের নেহেরু সরকারের কারণেই এই জমি বিবাদ তৈরি হয়। প্রিয়াঙ্কা খোঁচা দিয়ে বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর মনে রাখা উচিত গণহত্যার দায় তার।


আপনার মন্তব্য