শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২১ জানুয়ারি, ২০২০ ২৩:৩২

প্রয়োজনে শিক্ষকদের বিদেশে প্রশিক্ষণ : প্রধানমন্ত্রী

কারখানার পাশে জলাধার রাখার নির্দেশ, একনেকে আট প্রকল্প অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রয়োজনে শিক্ষকদের বিদেশে প্রশিক্ষণ : প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দক্ষ শিক্ষক নিয়োগ দিতে প্রয়োজনে তাদের বিদেশে প্রশিক্ষণে পাঠানোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে শিল্প-কারখানার পাশে জলাধার রাখারও নির্দেশনা দেন। গতকাল রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

গতকাল একনেকে ২২ হাজার ৯৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে মোট ৮টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পটি হচ্ছে : উপজেলা পর্যায়ে ৩২৯টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ (টিএসসি) স্থাপন (২য় পর্যায়)। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ২০ হাজার ৫২৫ কোটি টাকা।  সভা শেষে প্রধানমন্ত্রীর বরাতে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, উপজেলা পর্যায়ে যে নতুন টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ (টিএসসি) স্থাপন প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হলো, তাতে তো শিক্ষক দিতে হবে। প্রশিক্ষিত শিক্ষকের অভাব আছে। এজন্য শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘যে মানের আমরা প্রশিক্ষণ দেব, সুতরাং ক্র্যাশ প্রোগ্রাম করে শিক্ষকদের ট্রেনিং দাও। প্রয়োজন হলে শিক্ষকদের বিদেশে পাঠাও। কয়েকশ হলেও আমার আপত্তি নেই। যাক, তাড়াতাড়ি প্রশিক্ষণ নিয়ে আসুক।’ পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর একটা আশঙ্কা রয়েছে। অনেক জায়গায় সরকারের স্থাপনা নির্মাণ করার পর দেখা যায়, লোক নাই, চেয়ার নাই, বেঞ্চ নাই, যন্ত্র নাই। এটা পরিহার করতেই হবে। এখানে (নতুন টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ প্রকল্প) যেন এটা না হয়। ৩২৯ টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ নির্মাণ করছি। তিনি (প্রধানমন্ত্রী) চাচ্ছেন, এটা নির্মাণ হতে হতে যন্ত্রপাতি, চেয়ার-টেবিল, শিক্ষক যেন প্রস্তুত থাকে।’ একনেকে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর অন্য নির্দেশনাগুলো তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন ‘শিল্পে বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে হবে। সিইটিপি (কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগার) স্থাপন প্রয়োজন হলে করতে হবে। আর জলাধার রাখো কাছে, যাতে আগুন লাগলে পানি দেওয়া যায়। আগুন লাগলে অনেক সময় পানি পাওয়া যায় না। উন্নয়ন কাজের জন্য মাটি তো কাটতেই হয়। কাটা মাটিতেই একটা জলাধার হয়ে যাবে।’ একনেকে অনুমোদিত অন্য প্রল্পসমূহ হলো- ৯১ কোটি টাকা ব্যয়ে সিরাজগঞ্জের বিসিক শিল্প পার্ক স্থাপন, ১৪৩ কোটি টাকা ব্যয়ে এসআরডিআই ভবন নির্মাণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধি, ২৩৩ কোটি টাকা ব্যয়ে জামালপুরের শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং নার্সিং কলেজ স্থাপন, ৩৩৯ কোটি টাকা ব্যয়ে কিশোরগঞ্জ  জেলার হাওর এলাকার নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উন্নয়ন, ৩৩৯ কোটি টাকা ব্যয়ে বেতগ্রামতুলা-পাইকগাছা-কয়রা সড়ক যথাযথ মানে উন্নীতকরণ, ৩৬৯ কোটি টাকা ব্যয়ে লক্ষ্মীপুর শহর সংযোগ সড়ক ও চর আলেকজান্ডার-সোনাপুর-মাইজদী সড়ক প্রশস্তকরণ এবং ৮৪৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন।


আপনার মন্তব্য