শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৯ জানুয়ারি, ২০২০ ২৩:৪৫

প্রাক্তন ৫০০ সচিবের ফোরাম হচ্ছে

আগামী মাসে সাধারণ সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রাক্তন ৫০০ সচিবের ফোরাম হচ্ছে

কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা ও গবেষণাকে কাজে লাগিয়ে রাষ্ট্রকে সহযোগিতা করতে সাবেক আমলারা বৃহত্তর ফোরাম করতে যাচ্ছেন। যার আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ ঘটবে আগামী মাসে। যেখানে প্রায় ৫০০ সাবেক সচিবকে অন্তর্ভুক্ত করতে চান ফোরামের উদ্যোক্তারা। প্রস্তাবিত এই ফোরামের নাম হতে পারে ‘অ্যাসোসিয়েশন অব ফরমার সেক্রেটারি’ বা ‘ফরমার সেক্রেটারি ফোরাম’। গত ২৭ জানুয়ারি রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে সরকারের সাবেক সচিবদের একটি পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে এই ফোরাম গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই লক্ষ্যে সাবেক সচিব নজরুল ইসলামকে আহ্বায়ক ও সাবেক সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুনকে সদস্য সচিব করে ১৫ সদস্যের একটি আহ্বায়ক কমিটিও গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠনের গঠনতন্ত্রের খসড়া প্রণয়নের জন্য পাঁচ সদস্যের একটি উপকমিটিও গঠন করা হয়েছে।

সাবেক সচিব ও প্রস্তাবিত ফোরামের সদস্য সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন জানান, তারা একটি মহৎ উদ্দেশ্যে সাবেক সচিবদের নিয়ে এই সংগঠন বা ফোরাম করার উদ্যোগ নিয়েছেন। প্রস্তাবিত ফোরামে এ পর্যন্ত অবসরে যাওয়া প্রায় ৫০০ সচিবকে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করবেন। ইতিমধ্যে তারা সাবেক এই সচিবদের ঠিকানা ও ফোন নম্বর সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। আল মামুন জানান, ফোরাম হবে অরাজনৈতিক। ফোরামের দুটি সম্ভাব্য নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে নাম ঠিক করা হবে সংগঠনের সাধারণ সভায়। এপর্যন্ত যেসব সচিবরা অবসরে গেছেন তাদের সবাইকে এই ফোরামে আহ্বান করা হবে। ইতিমধ্যে আমরা তাদের নাম, ঠিকানা সংগ্রহের চেষ্টা করছি। তবে যেসব সাবেক সচিব সরাসরি ও সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে জড়িয়েছেন তাদের বাদ দিয়ে বাকিদেরকে এই ফোরামের সদস্য করার চেষ্টা থাকবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হবে। তিনি জানান, এই ফোরামের মূল কাজ হবে গবেষণা করা। প্রকাশনা করা। বিভিন্ন জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে কাজ করবে। দীর্ঘ চাকরিজীবনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতেই মূলত এই ফোরাম গঠনের লক্ষ্য। এই ফোরাম থিংক ট্যাংক হিসেবে কাজ করবে। অভিজ্ঞতা ও গবেষণাকে কাজে লাগিয়ে রাষ্ট্রকে সহযোগিতা করবে। এই উদ্যোগকে কীভাবে দেখছেন জানতে চাইলে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) চ্যাপ্টারের নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, দেশের যে কোনো নাগরিকের এরকম প্লাটফর্ম করার অধিকার আছে। তারা সাবেক সচিব হোন বা অন্য কেউও এটা করতে পারেন। তবে দেশের সাধারণ মানুষের যে প্রত্যাশা থাকবে সেটা হচ্ছে এই প্লাটফর্মকে যেভাবে অরাজনৈতিক বলা হচ্ছে সেটা যেন সত্যিই দলনিরপেক্ষ হয়। অরাজনৈতিক হয়। তিনি বলেন, যে সরকারই ক্ষমতায় থাকুক না কেন, তারা সহযোগিতা করবেন। এটাই সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা। দলীয় রাজনীতি বিবেচনায় আনলে এটা ব্যাহত হবে। আমাদের দেশে সাধারণত এরকম উদ্যোগ নেওয়া হয় কিন্তু শেষ পর্যন্ত অরাজনৈতিক থাকে না।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর