শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২৩:১২

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অনিয়মে আদালতের চোখ বন্ধ থাকতে পারে না : আপিল বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অনিয়মে আদালতের চোখ বন্ধ থাকতে পারে না : আপিল বিভাগ

ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম, দুর্নীতি দেখে আদালত চোখ বন্ধ করে থাকতে পারে না বলে মন্তব্য করেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। গতকাল প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ মন্তব্য করে। ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেডের পরিচালক পি কে হালদারসহ ১৩ পরিচালকের ব্যাংক হিসাব ও পাসপোর্ট জব্দের বিষয়ে শুনানির এক পর্যায়ে আদালত এ অভিমত ব্যক্ত করে।

পরে আদালত ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেডের আর্থিক অবস্থার বিষয়ে জানতে প্রতিষ্ঠানটির স্বাধীন চেয়ারম্যান (হাই কোর্টের নির্দেশে নিয়োগপ্রাপ্ত) খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকের নিচে নয়, এমন একজন কর্মকর্তাকে তলব করেন। আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি তাদের আপিল বিভাগে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে জনগণের আমানত রাখা হয়। কিন্তু সেই আমানত যেভাবে লুটপাট হচ্ছে, তাতে ব্যাংক সংশ্লিষ্ট আর্থিক খাত ভয়ঙ্কর পরিণতির দিকে যাচ্ছে। যারা এ টাকা লুটপাটের সঙ্গে জড়িত তাদের ব্যাপারে আদালত কঠোর ভূমিকা রাখতে পারে। আদালতে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেডের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আহসানুল করীম। এর আগে গত ১৯ জানুয়ারি ওই কোম্পানির আমানতকারীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাই কোর্ট এক আদেশে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আর্থিক খাতের কোম্পানি ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেড পরিচালনার জন্য স্বাধীন পরিচালক ও চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে নিয়োগ দেয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির বহুল আলোচিত ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার হালদারসহ (পি কে হালদার) ২০ জনের ব্যাংক হিসাব, সম্পদ ও পাসপোর্ট জব্দের নির্দেশ দেয়। তাদের দেশত্যাগের ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেয় আদালত।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর