শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৮ অক্টোবর, ২০২০ ২২:৪৬

প্রশ্নবিদ্ধ করতেই উপনির্বাচনে অংশ নিয়েছে বিএনপি

----- ওবায়দুল কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণের নামে বিএনপি তামাশার নাটক করেছে। সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই উপনির্বাচনে অংশ নিয়েছে বিএনপি।

গতকাল শহীদ শেখ রাসেলের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে স্বেচ্ছাসেবক লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনা সভায় সংসদ ভবনের সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন ওবায়দুল কাদের।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহের সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম আফজালুর রহমান বক্তব্য রাখেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, গত এক দশকে গণতান্ত্রিক আচার-আচরণ, রীতিনীতিতে ব্যর্থ বিএনপি একটি নালিশ পার্টিতে পরিণত হয়েছে। নির্বাচনে পরাজিত হওয়া এবং নিজেদের ব্যর্থতার দায় নির্বাচন কমিশন ও সরকারের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার তৎপরতা চালানো বিএনপির নিত্যনৈমিত্তিক কর্মকান্ডে পরিণত হয়েছে। জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষা ও সুসংহত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার এবং আওয়ামী লীগ বদ্ধপরিকর। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বরাবরের মতোই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাদের কথাবার্তা ও আচার-আচরণে দেশবাসী গভীরভাবে হতাশ হয়েছে। উভয় আসনে তাদের প্রার্থী বিপুল ব্যবধানে পরাজিত হওয়ায় বিএনপি নেতারা চিরাচরিত ভঙ্গিতে দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করেছেন। অতীতেও আমরা দেখেছি নির্বাচন এলেই বিএনপি জনগণের কাছে না গিয়ে নানা ধরনের কূটকৌশল ও অপতৎপরতা শুরু করে।’ তিনি বলেন, নিজেদের রাজনৈতিক ব্যর্থতার কারণে নিশ্চিত পরাজয় জেনে তারা সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ বিনষ্ট করতে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করে থাকে এবং একের পর এক দোষারোপ করে ভোটারদের উৎসাহ-উদ্দীপনা নষ্টের অপচেষ্টা চালায়। নওগাঁ-৫ ও ঢাকা-৫ আসনের উপনির্বাচনেও দেশবাসী বিএনপির চিরায়ত অপরাজনীতির এই কৌশল প্রত্যক্ষ করেছে। ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘শেখ রাসেল অত্যন্ত মেধাবী, বিচক্ষণ ও তীক্ষ মস্তিষ্কের অধিকারী ছিল। শৈশবেই তার মধ্যে দেশপ্রেম জাগ্রত ছিল। বাঙালির মুক্তি আন্দোলনের স্লোগান ‘জয় বাংলা’ ছিল তার রন্ধ্রে রন্ধ্রে। বাঙালির এই স্বাধীনতার ইতিহাসে জড়িয়ে আছে শেখ রাসেলের নাম। স্বাধীন বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে রাসেলেরও বড় হওয়ার স্বপ্ন ছিল। শেখ রাসেল আমাদের স্মৃতিতে অম্লান, অনুভূতিতে অক্ষয় আর চেতনায় চিরজাগরূক। আমরা চাই শিশুদের অধিকার বাস্তবায়নের মাধ্যমে তাদের জন্য বাসযোগ্য এক পৃথিবী গড়ে উঠুক।’


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর