শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৫ অক্টোবর, ২০২০ ২৩:৪৯

নারী নির্যাতনকারীদের জন্য আওয়ামী লীগের দরজা বন্ধ : কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

নারী নির্যাতনকারীদের জন্য আওয়ামী লীগের দরজা চিরদিনের মতো বন্ধ বলে জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। গতকাল সকালে নোয়াখালীতে নিজ নির্বাচনী এলাকা বসুরহাট ও কবিরহাটে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের সংসদ ভবন এলাকার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত দেন।

দলীয় পরিচয় কোনো অপরাধীর আত্মরক্ষার ঢাল হতে পারে না জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, অপরাধীর পরিচয় অপরাধীই। নোয়াখালীতে বিভিন্ন উন্নয়নের কাজ চলমান রয়েছে উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, এখনো যেসব কাজ বাকি আছে, বর্তমান সরকারের আমলেই তা শেষ করা হবে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থানের জন্য সবকিছুই করা হবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের অদম্য গতিতে এগিয়ে যাওয়া যাদের গাত্রদাহ সৃষ্টি করেছে, তারা নানা অপকৌশলে দেশকে পিছিয়ে দিতে চায়। তাদের অপকৌশলের একটি হচ্ছে হিন্দু-মুসলমান বৈরিতা সৃষ্টি করা। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আপনারা জানেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ। আমরা কারও প্রতিপক্ষ নই। আমরা প্রতিবেশী, আমরা একে অপরের সহমর্মী। আমরা একই দেশের নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের সংবিধানে আপনার যে অধিকার, আমারও সেই অধিকার।’ ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সংখ্যালঘু বলে আপনারা নিজেদের দুর্বল ভাববেন না। এ দেশে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প তারাই ছড়ায়, যারা আবহমান কাল থেকে এ দেশে চর্চিত সম্প্রীতির বীজতলা নষ্ট করতে চায়।’ তিনি বলেন, ‘তারা সমস্যা তৈরি করে সাম্প্রদায়িক দূরত্ব বাড়িয়ে দিতে চায়। আমাদের বরাবরের মতো সতর্ক থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে, সাম্প্রদায়িক অপশক্তি দুর্বল হয়েছে কিন্তু নির্মূল হয়নি। শব্দহীনতা কিংবা আড়ালে থাকা তাদের শক্তি সঞ্চয়ের কৌশলও হতে পারে।’ এ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে নানা ধরনের মিথ্যাচার বা উসকানিমূলক পোস্ট না দেওয়ার জন্য ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি। ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যে ধর্মের অনুসারীই আমরা হই না কেন, প্রকৃত ধর্মানুশীলন মানুষের আত্মার শক্তিকে জাগিয়ে তোলে। ধর্মচর্চা মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করে। অপরাধ এবং চিত্ত ও বিত্তের নেতিবাচক ভাবনা থেকে সুরক্ষা দেয়। তাই আমি অপরাধ থেকে সুরক্ষা পেতে আত্মিক শক্তি জোরদারে নিজ নিজ ধর্মের মূল বাণী পাঠ ও চর্চার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। আহ্বান জানাচ্ছি ধর্ম নিয়ে যারা বাড়াবাড়ি করে, তাদের সম্পর্কে সচেতন থাকতে।’


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর