শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২৩:৩৪

বেআইনিভাবে ধনী হওয়া রুখতে সুশাসন নিশ্চিত জরুরি

মাহমুদ আজহার

বেআইনিভাবে ধনী হওয়া রুখতে সুশাসন নিশ্চিত জরুরি
আলী ইমাম মজুমদার

সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, বেআইনিভাবে কালো টাকায় ধনী হওয়াদের রুখতে হলে দেশে সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। এটা নিশ্চিত হলে কেউ অন্যায্যভাবে ধনী বা বড়লোক হতে পারবে না। টাকা ন্যায্যভাবে আয় করলে কর দিতে হবে। তাকে সেই টাকা যথাযথভাবে বিনিয়োগ করতে হয়। এতে কর্মসংস্থান বাড়ে। ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য কমে। 

দেশে হঠাৎই ধনীর সংখ্যা বাড়ছে। বেআইনিভাবে প্রতারণার মাধ্যমে এরই মধ্যে প্রায় ১০ হাজার কোটিপতি জন্ম নিয়েছে। এতে সমাজের নানা ক্ষেত্রে বৈষম্যের সৃষ্টি হচ্ছে। এ নিয়ে গতকাল সন্ধ্যায় বাংলাদেশ প্রতিদিনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন সাবেক এই মন্ত্রিপরিষদ সচিব। আলাপচারিতায় আলী ইমাম মজুমদার এও বলেন, ধনী বা কোটিপতি হওয়াটা ওই পর্যন্ত খারাপ নয়, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা আইনগতভাবে বৈধ পন্থায় সম্পদ অর্জন করেন। তারা যথাযথভাবে আয়কর প্রদান করেন। নিয়মমাফিক বিনিয়োগ করেন। এতে দেশের অর্থনীতিও গতিশীল হয়।

আলী ইমাম মজুমদার বলেন, আমাদের দেশে সুশাসনের অভাবে একটি শ্রেণি বেআইনিভাবে কালো টাকার মাধ্যমে কিংবা অন্য কোনো পন্থায় সরকারকে রাজস্ব না দিয়ে ধনী শ্রেণিতে পরিণত হচ্ছে। এদের অনেকেই সরকারের অন্যায্য পৃষ্ঠপোষকতায় ধনী শ্রেণি হয়ে যাচ্ছে। তারা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে আর ফেরত দিচ্ছে না। সরকার তাদের ঋণের মেয়াদ বাড়িয়ে দিচ্ছে। এটা দরকার ছিল না। অন্যদিকে মধ্যবিত্ত বা নিম্নমধ্যবিত্ত শ্রেণি তলিয়ে যাচ্ছে। তারা আয়কর দিচ্ছে। সরকারের সব নিয়ম-কানুন মেনে চলছে। কিন্তু ওই ধনী শ্রেণি সরকারকে নানাভাবে ফাঁকি দিচ্ছে। আয়কর দিচ্ছে না। এতে আমাদের সমাজে বৈষম্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে। সামাজিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে। তিনি বলেন, এতে সামাজিক পর্যায়েও বৈষম্য সৃষ্টি করে। যেমন আমরা যারা মধ্যবিত্ত বা নিম্নমধ্যবিত্ত শ্রেণি আছি, তারা বাজারে গিয়েও জিনিসপত্র কিনতে পারছি না। কিন্তু নতুন ধনী শ্রেণি টাকা গুনে খরচ করে না। তারা দুই হাতে টাকা উড়ায়। এতে সমাজে ব্যাপকভাবে প্রভাব পড়ে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর