শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১৩ মে, ২০২৫ আপডেট: ১১:৪৭, মঙ্গলবার, ১৩ মে, ২০২৫

বিশ্বকে পথ দেখাল সশস্ত্র বাহিনী

অদিতি করিম
প্রিন্ট ভার্সন
বিশ্বকে পথ দেখাল সশস্ত্র বাহিনী

বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর প্রশংসা, গৌরবগাথা বিশ্বজুড়ে। বিশ্বে যেসব দেশে গৃহযুদ্ধ, হানাহানি এবং অশান্তির আগুনে নিপতিত, সেখানেই আমাদের সশস্ত্র বাহিনী থেকে শান্তির বার্তা পৌঁছে দিয়েছে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের মাধ্যমে। আমাদের সশস্ত্র বাহিনী শান্তিরক্ষা মিশনে বিশ্বে কেন এত জনপ্রিয়, কেন শীর্ষে তা পূর্ব তিমুর, দক্ষিণ সুদান, কঙ্গো, আফ্রিকাসহ বিভিন্ন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বললেই জানা যায়। আমরা বাংলাদেশে বসবাস করে শুধু তাদের প্রশংসা শুনতাম; কিন্তু তাদের দক্ষতা, মেধা এবং কর্তব্যপরায়ণতা সম্পর্কে আমাদের সরাসরি অভিজ্ঞতা ছিল না। গত ৯ মাসে যেন সেই সশস্ত্র বাহিনীকে নতুনভাবে আবিষ্কার করেছে বাংলাদেশের মানুষ। আমাদের সশস্ত্র    বাহিনী এই ৯ মাসে জনগণের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। জনগণের ভালোবাসায় ধন্য হচ্ছে প্রতিনিয়ত। সশস্ত্র বাহিনী দেখিয়েছে কীভাবে উচ্চাকাক্সক্ষা পরিত্যাগ করে জনগণের পাশে থেকে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গড়ার সংগ্রাম করা যায়। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। যদি আমাদের সশস্ত্র বাহিনী না থাকত তাহলে এই ৯ মাস দেশে গৃহযদ্ধ ছিল অনিবার্য। হানাহানি মারামারির মধ্যে দেশ এক গভীর সংকটের মধ্যে নিপতিত হতো। অস্থিতিশীল এবং অস্থির হয়ে উঠত আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি। কিন্তু আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর দৃঢ়চিত্র ভূমিকার কারণে বিশেষ করে আমাদের সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামানের অসাধারণ ধৈর্য, প্রজ্ঞা এবং সমরনায়কের প্রজ্ঞায় বাংলাদেশ যেন এখনো সঠিক পথে রয়েছে এবং গণতন্ত্রের কাঙ্ক্ষিত যাত্রাপথের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

আমরা যদি গত বছর আগস্ট থেকেই শুরু করি তাহলে দেখব, যে সময়ে ফ্যাসিবাদী সরকার সেনাবাহিনীকে মাঠে নামিয়েছিল ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য। সাধারণ শিক্ষার্থী এবং জনগণের আন্দোলন দমন করার জন্য। সেই সময় সেনাবাহিনী এক ঐতিহাসিক ভূমিকা গ্রহণ করে। সশস্ত্র বাহিনী ফ্যাসিস্ট সরকারের ক্ষমতালিপ্সার হাতিয়ার হয়নি। এটা সম্ভব হয়েছিল আমাদের সেনাপ্রধানের অসাধারণ এবং বলিষ্ঠ ভূমিকার জন্য। তার কারণেই সেনাবাহিনী জনগণের মুখোমুখি দাঁড়ায়নি, বরং জনগণের এই আন্দোলনে যেন প্রাণহানি না ঘটে, জনগণ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, নিরীহ শিক্ষার্থীদের যেন প্রাণ না যায়, সেজন্য সজাগ এবং সচেষ্ট থেকেছেন। আমাদের সার্বভৌমত্বের প্রতীক সশস্ত্র বাহিনী জন-আকাঙ্ক্ষার পক্ষে সেনাবাহিনীর অবস্থানের কারণে আসলে শেষ পর্যন্ত সাড়ে ১৫ বছর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে থাকা ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন সম্ভব হয়েছে। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের নেপথ্য নায়ক আসলে আমাদের সেনাপ্রধান এবং সশস্ত্র বাহিনী। সেনাপ্রধান সাম্প্রতিক সময়ে আলজাজিরার সাক্ষাৎকারে বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। তিনি বলেছেন, সশস্ত্র বাহিনী এই মাটির সন্তান, তারা জনগণের প্রতিপক্ষ হতে চায়নি। তারা দেশের শান্তি চেয়েছে, স্থিতিশীলতা চেয়েছে।

এবার আমরা যদি দ্বিতীয় ধাপে আসি দেখব যে সাবেক স্বৈরাচারের পতনের পর দেশে একটি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। পুলিশ সদস্যরা পালিয়ে যান এবং দেশে অন্তত এক সপ্তাহ পুলিশের কোনো ভূমিকা ছিল না। একটি রাষ্ট্র অনেক কিছু ছাড়া চলতে পারে কিন্তু আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ছাড়া কখনো চলতে পারে না। পুলিশ ছাড়া একটি রাষ্ট্র চিন্তা করা অসম্ভব। বাংলাদেশে তেমন একটি শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছিল। এক সপ্তাহের বেশি সময় দেশে পুলিশ ছিল না। কিন্তু আমাদের সশস্ত্র বাহিনী এই সংকটের সময় অকুতোভয় সৈনিকের মতো রাজপথে থেকেছে, জনগণকে শান্ত রেখেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে। একটি অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পথকে প্রশস্ত করেছে।

আমরা সবাই জানি, ৫ আগস্টের ফ্যাসিবাদের পতন আকস্মিক ঘটনা ছিল। অনেকেই এত দ্রুত ১৫ বছরের একটি স্বৈরশাসনের পতন হবে চিন্তাও করতে পারেননি। যার জন্য আন্দোলনরত সব শক্তির প্রস্তুতির অভাব ছিল। আন্দোলনে সক্রিয় বিভিন্ন দল ও পক্ষের যোগাযোগের সীমাবদ্ধতা ছিল। এর মধ্যে কেউ জাতীয় সরকারের প্রস্তাব করেছিলেন। কেউ বিপ্লবী সরকারের কথা ভাবছিলেন। কোনো কোনো মহল সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করবে এমন প্রচারণা করছিল। সব পক্ষকে নিয়ে বসে একটি ঐকমত্যের সমাধান সে সময় ছিল সবচেয়ে জরুরি, কিন্তু সব থেকে কঠিন কাজ। দিনরাত একাকার করে সেনাপ্রধান সে কাজটি করেছেন। দেশকে বাঁচিয়েছেন এক চরম সাংবিধানিক সংকট থেকে। এ সময় চাইলেই সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করতে পারত। কেউ-ই বাধা দিত না। কিন্তু সশস্ত্র বাহিনী কখনো নিজে ক্ষমতা দখলে আগ্রহী নয়। সশস্ত্র বাহিনী যে জনগণের পাশে থেকে জনগণের অধিকার সুরক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, এ দেশের সশস্ত্র বাহিনী যে সব সময় একটি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি দায়িত্বশীল তা তারা প্রমাণ করল এই সংকটের সময়ে। আমরা যদি তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নের জন্য সংগ্রামরত দেশগুলোর দিকে তাকাই যেখানে ভঙ্গুর গণতন্ত্র, তাহলে দেখব যে এ ধরনের পরিস্থিতিতে অনিবার্যভাবে সশস্ত্র বাহিনী ক্ষমতা দখল করে। দেশে সামরিক আইন জারি হয়। কিন্তু জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সেটি চাননি। ক্ষমতালিপ্সা নয়, বরং দায়িত্বে অবিচল থাকার এক অসাধারণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন তিনি। তিনি চেয়েছিলেন দেশ একটি গণতান্ত্রিক ধারায় চলুক। জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হোক।

গত বছরের ৮ আগস্ট নতুন সরকার গঠিত হয়। এ সময় দেশে পুলিশ ছিল না, প্রশাসন ছিল অগোছালো, এলোমেলো ও বিভ্রান্ত। একটি দেশে সরকারপ্রধান থেকে শুরু করে মসজিদের ইমাম পর্যন্ত পালিয়েছিলেন। এরকম একটি বিশৃঙ্খল অবস্থায় সশস্ত্র বাহিনীর উদ্যোগেই অন্তর্বর্তী সরকার যাত্রা শুরু করে।

আমাদের সেনাবাহিনীর সদস্যের সংখ্যা সীমিত। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য যে বিপুল পরিমাণ পুলিশ বাহিনী ছিল তার তুলনায় মাঠে দায়িত্ব পালনরত সশস্ত্র বাহিনীর সংখ্যায় খুবই কম। তারা ব্যারাক থেকে এসে সাধারণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করবে- এটি প্রত্যাশা করাও অন্যায়। এই কাজে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী অভ্যস্ত নয়। তারপরও দেশমাতৃকার জন্য, জনগণের জন্য তারা এই কাজটি করছে ৯ মাসের বেশি সময় ধরে।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস দায়িত্ব গ্রহণের পর আমরা দেখেছি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের নানা রকম আন্দোলন। বিভিন্ন দাবিতে কথায় কথায় রাজপথ অবরোধ, অবস্থান ধর্মঘট ইত্যাদি। কিন্তু এই উত্তেজনা এবং বিভিন্ন আন্দোলন, বিভিন্ন দাবিদাওয়াতে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী কোথাও উসকানি দেয়নি। কোথাও বলপ্রয়োগ করেনি। তারা শক্তি দেখিয়ে আন্দোলন দমনের চেষ্টা করেনি। এটা বিশ্বের জন্য একটি অনন্য উদাহরণ। বলপ্রয়োগ না করে, শক্তি না দেখিয়ে শুধু ধৈর্য ধরে, বুঝিয়ে এবং উপস্থিতি দিয়ে মানুষকে যে ধ্বংসাত্মক তৎপরতা থেকে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা থেকে বিরত রাখা যায়, তা আমাদের সশস্ত্র বাহিনী এবার প্রমাণ করল। এটি বিশ্বের একটি অনন্য উদাহরণ। এসব আন্দোলন থেকে যেকোনো উসকানিমূলক তৎপরতা ঘটতে পারত। যে কোনো দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটতে পারত। কিন্তু সশস্ত্র বাহিনীর নিরলস পরিশ্রমের কারণে তেমন কিছুই ঘটেনি।

অতীতে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী সম্পর্কে জনগণের মধ্যে একটা ভীতি ছিল। কয়েকটি সামরিক শাসন আমাদের এই ভীতিকে আরও প্রগাঢ় করেছে। বিশেষ করে ৭৫-এর পরে সামরিক শাসন, ৮২ সালের সামরিক শাসন, এক-এগারোর সেনাবাহিনীর উপস্থিতি মানুষের জন্য ছিল ভয়জাগানিয়া। বুট, বেয়নেটে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেই সেনাশাসন কর্তৃত্ব করত। সেনাবাহিনী লম্বা চুল দেখলে কেটে ফেলত, বিভিন্নভাবে মানুষকে অপমান-অপদস্থ করত এমন অভিযোগ বা কথাবার্তা শোনা যেত। কিন্তু এবার সশস্ত্র বাহিনী যেন এসব থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এবার সশস্ত্র বাহিনী মানুষের হৃদয় জয় করেছে। বন্ধুর মতো পাশে থেকে মানুষকে বুঝিয়েছে। পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটিয়েছে ধৈর্য ধরে। এই ৯ মাসে কেবল শৃঙ্খলা রক্ষাই করেনি আমাদের সশস্ত্র বাহিনী। বন্যায় আর্তমানবতার সেবায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। দুর্গম স্থানে, যেখানে কারও পক্ষে যাওয়া সম্ভব ছিল না, সেখানে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী।

এই ৯ মাসে সবাই ছুটি নিয়েছে। সবাই কিছু না কিছু বিনোদন করেছে, অবসর নিয়েছে। কিন্তু আমাদের সশস্ত্র বাহিনী ছিল বিনোদনহীন, তারা শুধু কঠোর পরিশ্রম করে গেছে দিনরাত ২৪ ঘণ্টা। তারা মানুষের জন্য তাদের আনন্দ উৎসর্গ করেছে। রোদ, ঝড়, বৃষ্টিতে তারা রাস্তায় থেকেছে, মানুষকে নিরাপত্তা দিয়েছে। পরিবার থেকে দূরে থেকে তারা বাংলাদেশ নামের পরিবার আগলে রেখেছে অসীম মমতায়। বিনিময়ে তারা পেয়েছে মানুষের ভালোবাসা, শ্রদ্ধা। আমাদের সেনাবাহিনী প্রমাণ করেছে, শুধু শক্তিপ্রয়োগ করে, কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা যায় না। ভালোবাসা দিয়ে, ধৈর্য ধরে জনগণের হৃদয় জয় করা যায়। যুদ্ধে বলপ্রয়োগ করে প্রতিপক্ষকে হারানো সহজ, কিন্তু যুদ্ধ না করে শুধু ধৈর্য দিয়ে এবং শান্ত থেকে মানুষকে সঠিক পথ দেখানো অনেক কঠিন কাজ। সেই কঠিন কাজটি করেছে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী। এটি বিশ্বের সশস্ত্র বাহিনীর ইতিহাসে একটি অনন্য অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হবে। আমাদের গৌরবের সশস্ত্র বাহিনী একটি নতুন পথ দেখাল গোটা বিশ্বকে। সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান সব সময় বলেছেন, আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমাদের বিভেদ হানাহানি থেকে দূরে থাকতে হবে। আর তিনি নিজে ঐক্যের পথ দেখিয়েছেন। একদিকে যেমন তিনি বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে খোলামেলাভাবে কথা বলেছেন, তেমনি বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীর সঙ্গে কথা বলে তাদের আশ্বস্ত করেছেন। অর্থাৎ একটি সম্প্রীতি, সহমর্মিতা এবং ঐক্যের বাংলাদেশ বিনির্মাণে তিনি যেন একজন নীরব যোদ্ধা। ক্ষমতার মোহে নয়, বরং দেশের প্রতি ভালোবাসার জন্য আমাদের সশস্ত্র বাহিনী সেনাপ্রধানের নেতৃত্বে একটি নতুন পথের সন্ধান দিয়েছে। দেশপ্রেম মানে শুধু ক্ষমতা গ্রহণ নয়, ক্ষমতার বাইরে থেকে দেশকে ভালোবেসে, দেশকে সংকট থেকে উদ্ধার করা যায়। এই শিক্ষা আমাদের সশস্ত্র বাহিনী দিয়েছে গত ৯ মাসে, বাংলাদেশকে, গোটা বিশ্বকে।

লেখক : নাট্যকার ও কলাম লেখক

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে নুরের ওপর হামলার
বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে নুরের ওপর হামলার
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
আল্লাহ ছাড়া কেউ নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না
আল্লাহ ছাড়া কেউ নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
অপেক্ষা ও কান্নায় গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত
অপেক্ষা ও কান্নায় গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যে বিশ্বাস করে বিএনপি
বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যে বিশ্বাস করে বিএনপি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
সর্বশেষ খবর
মানুষের মতো স্বাদ নেয় ও মনে রাখে কৃত্রিম জিভ, তাক লাগালেন চীনা বিজ্ঞানীরা
মানুষের মতো স্বাদ নেয় ও মনে রাখে কৃত্রিম জিভ, তাক লাগালেন চীনা বিজ্ঞানীরা

৮ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

ইউক্রেনের সাবেক স্পিকারকে গুলি করে হত্যা
ইউক্রেনের সাবেক স্পিকারকে গুলি করে হত্যা

১১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান
সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান

৩২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন

৩৩ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইয়েমেনের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মুফতা
ইয়েমেনের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মুফতা

৩৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় অনাহারে আরও ১০ ফিলিস্তিনির মৃত্যু
গাজায় অনাহারে আরও ১০ ফিলিস্তিনির মৃত্যু

৫২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভয়েস অব আমেরিকার পাঁচ শতাধিক সাংবাদিককে ছাঁটাই করছে ট্রাম্প প্রশাসন
ভয়েস অব আমেরিকার পাঁচ শতাধিক সাংবাদিককে ছাঁটাই করছে ট্রাম্প প্রশাসন

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেত্রকোনায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ৩
নেত্রকোনায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ৩

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে আজও ‘মাঝা‌রি’ দূষণ
ঢাকার বাতাসে আজও ‘মাঝা‌রি’ দূষণ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সেলফির নেশায় মৃত্যু: ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে
সেলফির নেশায় মৃত্যু: ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উড্ডয়নের পরই ইঞ্জিনে আগুন, মাঝ-আকাশে বিমানে আতঙ্ক
উড্ডয়নের পরই ইঞ্জিনে আগুন, মাঝ-আকাশে বিমানে আতঙ্ক

১ ঘণ্টা আগে | এভিয়েশন

আরও দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে
আরও দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৯৯ বছরের তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙল এশিয়া
৯৯ বছরের তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙল এশিয়া

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফোরজিতে ন্যূনতম ডাউনলোড গতি ১০ এমবিপিএস নির্ধারণ
ফোরজিতে ন্যূনতম ডাউনলোড গতি ১০ এমবিপিএস নির্ধারণ

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেগমগঞ্জে মাকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটালো সন্তান
বেগমগঞ্জে মাকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটালো সন্তান

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তীব্র গরমে এশিয়া কাপের সূচিতে বড় পরিবর্তন
তীব্র গরমে এশিয়া কাপের সূচিতে বড় পরিবর্তন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিনের তাপমাত্রা বাড়লেও ঢাকায় হতে পারে বৃষ্টি
দিনের তাপমাত্রা বাড়লেও ঢাকায় হতে পারে বৃষ্টি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির শেষ ধাপে আবেদন শুরু
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির শেষ ধাপে আবেদন শুরু

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরানে গ্রেফতার ৮
ইসরায়েলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরানে গ্রেফতার ৮

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৈশ্বিক তালিকায় এক ধাপ পেছাল চট্টগ্রাম বন্দর
বৈশ্বিক তালিকায় এক ধাপ পেছাল চট্টগ্রাম বন্দর

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মধ্যরাতে চবি শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষে আহত ৬০
মধ্যরাতে চবি শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষে আহত ৬০

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

বার্সেলোনায় ১৭ বছর বয়সী মিডফিল্ডার, কে এই ইব্রাহিম বাবায়েভ?
বার্সেলোনায় ১৭ বছর বয়সী মিডফিল্ডার, কে এই ইব্রাহিম বাবায়েভ?

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিয়েতনামের গুহা থেকে উদ্ধার হওয়া কঙ্কাল নিয়ে রহস্যে বিজ্ঞানীরা
ভিয়েতনামের গুহা থেকে উদ্ধার হওয়া কঙ্কাল নিয়ে রহস্যে বিজ্ঞানীরা

২ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

১৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

৮ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর
ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

২৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা
নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব
সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের
আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের

পেছনের পৃষ্ঠা

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন

নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র
নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

নগর জীবন