শিরোনাম
প্রকাশ : ২৪ এপ্রিল, ২০১৯ ০৬:২৫
প্রিন্ট করুন printer

খবর রয়টার্স'র

মিয়ানমারে খনিধসে অর্ধশতাধিক ঘুমন্ত শ্রমিক নিহত

অনলাইন ডেস্ক

মিয়ানমারে খনিধসে অর্ধশতাধিক ঘুমন্ত শ্রমিক নিহত
সংগৃহীত ছবি

মিয়ানমারে খনি ধসে প্রায় ৫০ জনের বেশি শ্রমিক নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছে আরও বহু শ্রমিক। ভূমি ধসের সময় শ্রমিকরা ঘুমিয়ে ছিল বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সময় গত সোমবার রাতে পুরনো একটি খনিতে কাদা পানির একটি পুকুরের পাড় ভেঙে পড়লে এ ধস শুরু হয়। দেশটির উত্তরাঞ্চলের একটি জেড (পান্না) খনিতে এ ঘটনা ঘটে। 

জানা গেছে, রাত সাড়ে ১১টার দিকে উত্তরাঞ্চলের কাচিনের হপকান্ত শহরের মাউ উন কালায় গ্রামে জেড খনিতে ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় কর্মকর্তা জানান, অন্তত ৫৪ জন শ্রমিক খনির বর্জ্যের নিচে চাপা পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া ৪০টি মেশিন ও অন্যান্য যানবাহনও চাপা পড়েছে।


বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ তাফসীর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ০৫:১৭
প্রিন্ট করুন printer

সেই নারী মানবাধিকারকর্মীর মরদেহ জোর করে নিয়ে গেছে পাকিস্তান

অনলাইন ডেস্ক

সেই নারী মানবাধিকারকর্মীর মরদেহ জোর করে নিয়ে গেছে পাকিস্তান
কারিমা বালুচে

নিহত মানবাধিকারকর্মী কারিমা বালুচের মরদেহ জোর করে নিয়ে গেছে পাকিস্তান। বালুচের লাশ করাচি থেকে বেলুচিস্তানে নিয়ে যাওয়ার পথে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ তার পরিবারসহ কারিমার মরদেহ বিমানবন্দর থেকে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় নিহত কারিমা বালুচের ভাই সমীর মেহরাব রবিবার (২৪ জানুয়ারী) পাকিস্তানের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন।

গত বছরের ডিসেম্বরে কানাডায় মারা যাওয়া বিশিষ্ট বালুচর কর্মী কারিমাকে ২৫ জানুয়ারি সমাধিস্থ করা হবে বলে জানানো হয়েছিল। তবে লাশটি করাচি থেকে বেলুচিস্তানে নিয়ে যাওয়ার আগে, পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ পরিবারসহ কারিমার মরদেহ বিমানবন্দর থেকে 'অজানা স্থানে' নিয়ে যায়।

টুইটারে বেলুচের ভাই সমীর লিখেছেন, আগে আমরা ভেবেছিলাম শুধু জীবিত বালুচ অপহরণের ঝুঁকিতে রয়েছেন। এখন দেখছি একজন মৃত মহিলাও পাকিস্তানের অপহরণ থেকে রেহাই পায় না। তিনি বলেন, আমার পরিবার মাত্র নিশ্চিত করেছে যে তারা বেলুচিস্তানের সীমান্তে পৌঁছেছে। সেখানে তাদের সঙ্গে আরো নিরাপত্তা বাহিনী সদস্য যোগ দিয়েছে। পাকিস্তান প্রেসকে এবং যারা করাচি শহরে কারিমার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এসেছে তাদেরকে এড়াতে চায়।

এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে আফগানিস্তানের সাংবাদিক বশির আহমদ গওয়াখ বলেছেন, পাকিস্তানের সরকারি কর্মকর্তারা এখনো এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাতে পারেনি।

মানবাধিকারকর্মী লাতিফ জোহর বালুচ, কারিমার পরিবারের দুর্ভোগ কমাতে এই মুহূর্তে লাশ হস্তান্তর করার জন্য পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছিলেন। তবে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ কারিমা বালুচর মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করতে অস্বীকার করেছে। 

লাতিফ বলেন, এটি ভুল, অগ্রহণযোগ্য এবং মানবতা বিরোধী কাজ। পাকিস্তান কেন একটি লাশ নিয়ে ভয় পাবে? পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই কারিমা বালুচের পরিবারকে আরো দুর্ভোগ থেকে বাঁচাতে হবে এবং এই মুহূর্তে লাশ হস্তান্তর করতে হবে। এই পোস্টে তিনি কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোকে ট্যাগ করেছেন।

২০২০ সালের ডিসেম্বরে, করিমাকে টরন্টোতে নিখোঁজ হওয়ার দিনেই মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। এ বালুচ কর্মীর মৃত্যু ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকাজুড়ে বিক্ষোভের সূত্রপাত করেছিল। বালুচ প্রবাসীরা কানাডার সরকারকে তদন্তের জন্য আহ্বান জানিয়ে টরন্টো, বার্লিন এবং নেদারল্যান্ডসে রাস্তায় নেমেছিল।

পাকিস্তানের অস্থির বেলুচিস্তান প্রদেশে গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে করিমা বালুচ জোর প্রচার চালিয়েছিলেন। পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে দীর্ঘদিন থেকেই স্বাধীনতার দাবিতে লড়াই চলছে। পাকিস্তানে বর্তমানে নিষিদ্ধ থাকা বালুচ স্টুডেন্ট অর্গানাইজেশনের সাবেক প্রধান ছিলেন কারিমা বালুচ। ২০১৫ সাল থেকে তিনি কানাডায় বসবাস করে আসছিলেন। ওই সময় তিনি নিজের জীবন শঙ্কার কথা জানিয়ে আশ্রয় প্রার্থনা করেন।

সম্প্রতি পাকিস্তান বিষয়ক বিশেষজ্ঞ তারেক ফাতাহ, এবং পণ্ডিত বুর্জিন ওঘমার বেলুচিস্তানে মতবিরোধের বিরুদ্ধে ক্র্যাকডাউনকে তীব্র নিন্দা জানিয়ে কানাডার সরকারকে পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের বিষয়ে পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন।

সূত্র : এএনআই।


বিডি-প্রতিদিন/সিফাত আব্দুল্লাহ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ০৪:১৭
প্রিন্ট করুন printer

৪ হাজার চীনা নৌযানকে সরিয়ে দিয়েছে তাইওয়ান

অনলাইন ডেস্ক

৪ হাজার চীনা নৌযানকে সরিয়ে দিয়েছে তাইওয়ান
ফাইল ছবি

তাইওয়ানের জলসীমায় ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনাকারী প্রায় চার হাজার চীনা নৌযানকে সরিয়ে দিয়েছে তাইওয়ান। সোমবার (২৫ জানুয়ারী ) দেশটির কোস্ট গার্ড কর্তৃপক্ষ জানায়, এসব জলযান গত বছর থেকে তাদের জলসীমায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল। 

জানা যায়, সম্প্রতি তাইওয়ানের জলসীমায় চীনা বালু উত্তোলনকারী জলযানের অবৈধ আনাগোনা আগের তুলনায় অনেক বেশি বেড়ে গেছে। ২০১৮ ও ২০১৯ সালে সরিয়ে দেওয়া চীনা নৌযানের সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৭১টি ও ৬০০টি। কিন্তু গত বছর নভেম্বর পর্যন্ত দেশটির তিন হাজার ৯৬৯টি নৌযানকে সরিয়েছে তাইওয়ান। 

চীন তাইওয়ানকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া একটি প্রদেশ হিসেবে গণ্য করলেও তাইওয়ান নিজেদের সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে দেখে। ফলে তাইওয়ানকে চাপে রাখতে নিয়মিতই তাদের ভূখণ্ডে শক্তি প্রদর্শনের চেষ্টা করে চীন। বিশেষ করে গত এক বছরে বেইজিং রেকর্ড পরিমাণ জেট ও বোমারু বিমান দ্বীপটিতে পাঠিয়েছে। 

তাইওয়ানের অধীনে থাকা জলসীমায়ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে দেশটি। এদিকে, চীন বোমারু বিমান পাঠানোর প্রথম দিনই পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে দক্ষিণ চীন সাগরে যুদ্ধবিমান বহনকারী জাহাজ পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

 

সূত্র : এএফপি।

 

বিডি-প্রতিদিন/সিফাত আব্দুল্লাহ

Taiwan has evacuated 4,000 Chinese ships

 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ০৩:০৪
প্রিন্ট করুন printer

নিষিদ্ধ হলো তুরস্কের বিখ্যাত সেই 'শয়তানের চোখ' তাবিজ

অনলাইন ডেস্ক

নিষিদ্ধ হলো তুরস্কের বিখ্যাত সেই 'শয়তানের চোখ' তাবিজ
ফাইল ছবি

প্রায় ৫ হাজার বছর ধরে প্রচলিত একটি তাবিজকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে তুরস্কের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। তাবিজটির স্থানীয় নাম 'নজর বোনচু', যা মূলত 'শয়তানের চোখ' বলে পরিচিত।। 

'নজর বনজু'-কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার বিষয়ে তুরস্কের ধর্ম মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, বহুল প্রচলিত এ বস্তুটি আসলে কি কাজ করে তা জানা যায়নি। কিন্তু জনগণের মধ্যে এটির ব্যাপক ব্যবহার ধর্ম বিশ্বাসে আঘাত হানতে পারে। কারণ ইসলাম ধর্মে আল্লাহ ছাড়া আর কেউ বা কোনো বস্তু ভালো বা খারাপ করার ক্ষমতা রাখে না। একমাত্র আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো কিছুর ওপর বিশ্বাস এবং তার ব্যবহার একেবারেই নিষিদ্ধ। 

'নজর বনজু' নামে এ তাবিজটি মূলত বর্তমানে অলঙ্কার হিসেবেই বেশি ব্যবহৃত হয়। অলঙ্কারটি দেখতে নীল রঙের বৃত্ত ও তার মাঝে সাদা চোখ সদৃশ। প্রাচীনকাল থেকে তুর্কিদের বিশ্বাস, এ তাবিজ দুষ্ট নজর থেকে সুরক্ষা দেয়। তুরস্কে তুমুল জনপ্রিয় এ তাবিজ। আর এমন জনপ্রিয় প্রতীককে এক ফতোয়ার মাধ্যমে নিষিদ্ধ করেছে তুর্কি ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।


বিডী-প্রতিদিন/সিফাত আব্দুল্লাহ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ০১:৩৮
প্রিন্ট করুন printer

দুই মেয়েকে হত্যার পর মায়ের দাবি 'ওদের বাঁচিয়ে তুলতে পারব'

অনলাইন ডেস্ক

দুই মেয়েকে হত্যার পর মায়ের দাবি 'ওদের বাঁচিয়ে তুলতে পারব'

বাড়িতে মা-বাবার হাতে খুন হলেন দুই বোন। গত রবিবার (২৪ জানুয়ারী) ভয়ঙ্কর এই ঘটনা ঘটেছে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের চিত্তুর জেলার মাদানাপাল্লে মণ্ডলে। পুলিশ মনে করছে, এই ঘটনার পিছনে অন্ধবিশ্বাস জড়িত কোনও কারণ রয়েছে। পুলিশ যখন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়, তখন নিহত দুই তরুণীর মা দাবি করেন, একদিন সময় পেলেই তারা বাঁচিয়ে তুলতে পারবেন তাদের মেয়েদের।

নিহত ওই দুই তরুণীর নাম আলেখ্যা (২৭) এবং দিব্যা (২৩)। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দেখে, তারা দু’জনেই লাল শাড়ি পরা অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে রয়েছেন। তাদের মাথা থেকে করে রক্ত বের হচ্ছে। জানা গেছে, ডাম্বল দিয়ে মাথায় আঘাত করে খুন করা হয়েছে তাদের।

নিহত আলেখ্যা এমবিএ শেষ করে ভোপালের ফরেস্ট ম্যানেজমেন্ট নামক প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। ছোট বোন সাই দিব্যা বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে স্নাতক শেষ করেছেন। তিনি গান শিখছেন ভারতের বিখ্যাত গায়ক ও কম্পোজার এ আর রহমানের চেন্নাই মিউজিক একাডেমিতে। লকডাউনের কারণে গত কয়েক মাস ধরে তারা বাবা-মায়ের সাথে বাড়িতেই ছিলেন।

পুলিশ জানায়, এই খুনের সঙ্গে অন্ধবিশ্বাস জড়িয়ে রয়েছে। কারণ দুই মেয়েকে খুনের আগে বাড়িতে পূজা হয়েছিল। ওই দম্পতি মনে করতেন, তাদের মেয়েদের মধ্যে কোনও অশুভ শক্তি বাসা বেঁধেছে। এজন্য দুই মেয়েকে নির্মমভাবে খুন করেন তাদের মা। ওই বাড়িতে চারজনই থাকতেন। পদ্মজা মেয়েদের মারার সময় তার স্বামী পুরষোত্তম কোনও বাধা দেননি। 

পদ্মজার মানসিক অবস্থা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে পুলিশের। কেননা পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর নিহতদের মা পুলিশকে বলেন- একদিন সময় দিলে তিনি তার মৃত মেয়েদের বাঁচিয়ে তুলবেন। তাদের ধারণা, মেয়েদের খুন করার পর আত্মহত্যা করার পরিকল্পনা ছিল ওই দম্পতির।

মেয়েদের খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত বাবা-মা ভি পদ্মজা এবং ভি পুরষোত্তম নাইডুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দু’জনেই উচ্চশিক্ষিত এবং শিক্ষকতা পেশার সঙ্গে জড়িত। নিহতদের মা ভি পদ্মজা এমএসসিতে গণিতে স্বর্ণপদক পেয়েছিলেন এবং তিনি মাস্টারমাইন্ড আইআইটি স্কুলের প্রিন্সিপাল। অন্যদিকে, বাবা পুরষোত্তম একটি সরকারি ডিগ্রি কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল ও রসায়ণের শিক্ষক। তবে উচ্চশিক্ষাও  দু’জনের মনের মধ্যে গেঁথে থাকা অন্ধবিশ্বাসকে দূর করতে পারেনি।


বিডী-প্রতিদিন/সিফাত আব্দুল্লাহ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:৪৪
প্রিন্ট করুন printer

এবার এভারেস্ট রক্ষার উদ্যোগ নিল নেপাল

অনলাইন ডেস্ক

এবার এভারেস্ট রক্ষার উদ্যোগ নিল নেপাল

লক্ষ্য আর্টওয়ার্ক নয়। লক্ষ্য পরিবেশকে বর্জ্যমুক্ত করা। শিল্পের মধ্যে দিয়ে মাউন্ট এভারেস্টকে বর্জ্যমুক্ত করার প্রকল্প নিল নেপাল।

প্রতি বছর মাউন্ট এভারেস্ট জয়ের লক্ষ্যে অসংখ্য পর্বতারোহী সেখানে অভিযানে যান। তাদের যাত্রাপথে পড়ে থাকে খাবারের পাত্র, ছেঁড়া দড়ি, ছেঁড়া তাঁবু, অক্সিজেনের বোতল, প্লাস্টিকের বোতল, মই এবং আরও নানা রকম জিনিস। এর ফলে ক্রমশ দূষিত হচ্ছে এভারেস্টের পরিবেশ। নেপাল এবার এভারেস্ট বাঁচানোর উদ্যোগ নিল। 

উদ্যোগটা নিছক জঞ্জাল পরিষ্কার করা নয়। পর্যটকদের ফেলে আসা বিভিন্ন জিনিস দিয়ে শিল্প সৃষ্টির পরিকল্পনা করেছে নেপাল। যে কাজের দায়িত্বে রয়েছেন টমি গুস্তাফসন। 

তিনি জানান, এই কাজে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি বিদেশি শিল্পীদের সাহায্যও নেয়া হবে। রয়েছে একটি সংগ্রহশালা বানানোর ভাবনাও।

তবে বর্জ্য দিয়ে আর্টওয়ার্ক তৈরির প্রকল্পের আগেই অন্য একটি প্রকল্পের বাস্তবায়ন আগে করতে হবে বলে মনে করছে নেপাল। নেপাল ঠিক করেছে, প্রত্যেক এভারেস্ট অভিযাত্রীকে কম করে এক কেজি বর্জ্য ফেরত আনার অনুরোধ করা হবে। 

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, অভিযাত্রীদের এই প্রকল্পে যুক্ত করা গেলে এভারেস্টের পরিবেশ অনেকটাই রক্ষা করা যাবে। সূত্র: জি নিউজ

বি ডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এই বিভাগের আরও খবর