শিরোনাম
প্রকাশ : ৪ জুলাই, ২০২০ ১২:১৭

এবার চীনের তেল আমদানির পথে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করছে ভারত

অনলাইন ডেস্ক

এবার চীনের তেল আমদানির পথে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করছে ভারত

লাদাখের গলওয়ান উপত্যকায় চীনা সেনা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের পর এবার আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ নিয়েও সতর্ক ভারত। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর কাজ শুরু করেছে মোদি সরকার। চীনের বিস্তারবাদ স্ট্র্যাটেজির মোকাবিলায় ভারত মহাসাগরের ওপরে আন্দামান-নিকোবরের অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে নয়াদিল্লি।

আন্দামান-নিকোবরে সেনার পরিকাঠামো ও সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টি বহু দিন ধরেই আটকে ছিল বলে জানা গেছে। কিন্তু লাদাখে চীনের আক্রমণাত্মক ও বিস্তারবাদ মনোবৃত্তির জন্য এবার ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিয়েও নড়েচড়ে বসেছে ভারত। ২০০১ সালে প্রথম আন্দামান-নিকোবর কম্যান্ড প্রতিষ্ঠিত হয়। এটিই এখনও পর্যন্ত দেশের প্রথম এবং একমাত্র থিয়েটার কম্যান্ড, যেখানে আর্মি, বিমান বাহিনী এবং নৌসেনা একটিই অপারেশনাল কম্যান্ডারের অধীনে রয়েছে।

কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে আন্দামান-নিকোবর কম্যান্ড অবহেলার শিকার ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। যথেষ্ট পরিমাণে ফান্ড এই কম্যান্ডের জন্য নির্দিষ্ট করা হত না বলেও অভিযোগ। ভারত মহাসাগরের ওপরে অবস্থানগত বিচারে আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও আন্দামান-নিকোবর কম্যান্ডের প্রতি দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এতদিন যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়নি বলে সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে। কিন্তু গলওয়ানের সংঘর্ষের পর নড়েচড়ে বসেছে ভারত।

ভারত মহাসাগরের ওপর দিয়ে আন্দামান-নিকোবরের কাছ দিয়ে জ্বালানি তেল আমদানি করে চীন। সেই বিষয়টি মাথা রেখেই এবার আন্দামান-নিকোবর কম্যান্ডের গুরুত্ব বাড়ানো হচ্ছে। উত্তর আন্দামানের শিবপুরে নৌসেনার এয়ার স্টেশন আইএনএস কোহাসারের রানওয়ের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি করা হচ্ছে। ক্যাম্পবেলে আইএনএস বাজের রানওয়ের দৈর্ঘ্য বাড়ানোরও কথা চলছে। প্রয়োজনে বড় যুদ্ধবিমান যাতে এখান থেকে কাজ করতে পারে, তার জন্য বাড়ানো হচ্ছে রানওয়ের দৈর্ঘ্য।

 

আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে সেনা কর্মকাণ্ড বাড়ানোর জন্য যে রোল-অন প্ল্যান নেওয়া হয়েছে, তাতে ১০ বছরের জন্য প্রতিরক্ষা পরিকাঠামো উন্নয়ন করা হবে। আরও যুদ্ধবিমান, নৌজাহাজ ও সেনা এখানে মোতায়েন করা হবে। এই কাজে ৫৬৫০ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ২০২৭ সালের মধ্যে আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে সেনা পরিকাঠামো বৃদ্ধির কাজ সম্পূর্ণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এখানে আগামী বছরে যুদ্ধবিমানের পাকাপাকি ঘাঁটি তৈরি করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। সূত্র: এই সময়

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর