শিরোনাম
প্রকাশ : ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০৯:০০
আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১৪:০০

আজারবাইজান-আর্মেনিয়া যুদ্ধ: এক নজরে বিতর্কিত সেই নাগোর্নো কারাবাখ

অনলাইন ডেস্ক

আজারবাইজান-আর্মেনিয়া যুদ্ধ: এক নজরে বিতর্কিত সেই নাগোর্নো কারাবাখ

ভয়াবহ যুদ্ধ বেঁধে গেছে আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের মধ্যে। দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে শুরু হওয়া এই লড়াইয়ে এখন পর্যন্ত অন্তত ২৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছে শতাধিক।

আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে যুদ্ধের মূল কারণ বিতর্কিত নাগোর্নো-কারাবাখ অঞ্চল।এই অঞ্চল এই দুই দেশের মধ্যে দ্বন্দ্ব অনেক পুরনো। কিন্তু সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এই দ্বন্দ্ব আবারও মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে।

আসুন জেনে নেওয়া যাক এ সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-

১.নাগোর্নো কারাবাখ হচ্ছে একটি পার্বত্য অঞ্চল। এর আয়তন প্রায় ৪ হাজার ৪০০ বর্গ কিলোমিটার (১ হাজার ৭০০ বর্গমাইল)।
২. ঐতিহ্যগতভাবে খ্রিস্টান আর্মেনীয় এবং মুসলিম তুর্কিদের বাস এই উপত্যকায়।
৩. ১৯৯১ সালের আগ পর্যন্ত আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজান, দুটি দেশই ছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর দুটি স্বাধীন দেশ হিসেবে তারা আলাদা হয়।
৪. নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে গত চার দশক ধরে এই দুই দেশ দ্বন্দ্বে লিপ্ত। যদিও এই অঞ্চল আজারবাইজানের বলেই আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। 
৫. নাগোর্নো-কারাবাখ সোভিয়েত আমল থেকেই আজারবাইজানের অধীনে শায়িত্ব শাসিত অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃত হলেও কিন্তু এটি নিয়ন্ত্রণ করে সেখানকার জাতিগত আর্মেনিয়ানরা।
৬. ১৯৯০ এর দশকের যুদ্ধে আনুমানিক প্রায় ১০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়। এই সময় যুদ্ধে মারা যায় আরও  প্রায় ৩০ হাজার মানুষ।
৭. ১৯৯০-এর দশকে আর্মেনীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীরা আজারবাইজানের ছিটমহলের আশেপাশের কিছু অতিরিক্ত অঞ্চল দখল করে নেয়।
৮. ১৯৯৪ সালের যুদ্ধবিরতি থেকেই সেখানে অচলাবস্থা বিরাজ করছে।
৯. রাশিয়াকে সব সময় আর্মেনিয়ানদের মিত্র হিসেবে ভূমিকা রাখতে দেখা গেছে। সূত্র: বিবিসি

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর