শিরোনাম
প্রকাশ : ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:৪৩
প্রিন্ট করুন printer

ইসরায়েলকে বিচারের আওতায় আনল আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত

অনলাইন ডেস্ক

ইসরায়েলকে বিচারের আওতায় আনল আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ইসরায়েলকে বিচারের আওতায় নিয়ে এসেছে। শুক্রবার এ সম্পর্কিত একটি রুল জারি করে আইসিসি জানিয়েছে, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে সংঘটিত যুদ্ধপরাধ ও নৃশংসতার বিচার করার এখতিয়ার রয়েছে তাদের।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, শুক্রবারের এই রায়ের ফলে এখন থেকে আইসিসিতে পশ্চিমতীর, পূর্ব জেরুজালেম ও গাজায় সংঘটিত ইসরায়েলি নৃশংসতার বিচার চাইতে পারবে ফিলিস্তিনিরা। এই রায়ে ফিলিস্তিনিরা খুশি হলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

২০১৫ সাল থেকে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের তদন্ত করে আসছেন আইসিসির প্রধান কৌঁসুলি ফাতৌ বেনসুদা। এরআগে তিনি বলেছিলেন, সেখানে (ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে) যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা ‘বিশ্বাস করার যৌক্তিক ভিত্তি’ রয়েছে।

এ ব্যাপারে শুক্রবার জারি করা রুলে আইসিসি জানিয়েছে, ইসরায়েলের দখলকৃত ফিলিস্তিনের পশ্চিমতীর, গাজা উপত্যকা ও পূর্ব জেরুজালেমকে এখন থেকে এ আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে আনা হলো।

ইসরায়েল আইসিসি’র সদস্য নয়। দেশটি এই বিচারিক এখতিয়ার প্রত্যাখ্যান করেছে। আন্তর্জাতিক বিচারিক সংস্থাটিকে ‘রাজনৈতিক সংগঠন’ আখ্যা দিয়ে এর বিচার থেকে নিজেদের ‘সব নাগরিক ও সেনাকে রক্ষা করার’ অঙ্গীকার করেছে। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, ‘আদালতের এই সিদ্ধান্তে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের তার নাগরিকদের রক্ষা করার অধিকারকে বাধাগ্রস্ত করবে।’

তবে ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শিতায়েহকে উদ্ধৃত করে দেশটির বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানায়, ‘(আইসিসি’র) এই সিদ্ধান্ত ন্যায়বিচার ও মানবতা, সত্যের মূল্যবোধ, স্বচ্ছতা ও স্বাধীনতা এবং শহীদদের রক্ত ও তাদের পরিবারের জন্য এক বিজয়।’

ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত করার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তবে এই অপরাধ বিচারে আইসিসির ভূমিকা প্রত্যাখ্যান করে আসছে দেশটি।

১৯৬৭ সালে ৬ দিনের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর থেকে ফিলিস্তিনের অধিকৃত এলাকায় নির্বিচারে শিশু হত্যা থেকে শুরু করে স্থানীয়দের জমি দখল করে সেখানে অবৈধ ইহুদি বসতি গড়ে আসছে ইসরায়েল। যুগের পর যুগ ধরে ফিলিস্তিনিদের ওপর ভয়াবহ নৃশংসতা চালিয়ে আসলেও এর বিচার পর্যন্ত চাইতে পারছে না অধিকৃত পশ্চিমতীর, গাজা ও জেরুজালেমের বাসিন্দারা।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০২:০৮
প্রিন্ট করুন printer

যে কারণে শীর্ষ ধনীর আসন হারালেন ইলন মাস্ক

অনলাইন ডেস্ক

যে কারণে শীর্ষ ধনীর আসন হারালেন ইলন মাস্ক
ইলন মাস্ক। ফাইল ছবি

একটি টুইটের মাশুল! তার জেরে বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তির তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে নেমে গেলেন টেসলা প্রধান ইলন মাস্ক। ব্লুমবার্গের বিলিয়নিয়ার্স সূচক অনুযায়ী, টেসলা প্রধান সম্পত্তির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৮৩.৪ বিলিয়ন। গত জানুয়ারিতে যা ছিল ২১০ বিলিয়ন ডলার। ৩.৭ বিলিয়ন ডলার খুইয়েও ১৮৬.৩ বিলিয়ন ডলার সম্পত্তিসহ তালিকার শীর্ষে উঠলেন অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস।

গত সোমবার টেসলার শেয়ার ৮.৬ শতাংশ পড়ে গিয়েছিল, যা গত সেপ্টেম্বরের পর টেসলার সব থেকে বেশি পতন। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, গত সপ্তাহের শেষের দিকে মাস্কের একটি মন্তব্যের জেরেই পড়েছে টেসলা শেয়ার। নিজের পছন্দের সামাজিক মাধ্যম টুইটারে তিনি জানিয়েছিলেন, বিটকয়েন এবং প্রতিদ্বন্দ্বী ইথারের দাম ‘দেখে বেশি মনে হচ্ছে।’ তার ফলে টেসলা প্রধানের সম্পত্তির পরিমাণ ১৫.২ বিলিয়ন ডলার কমেছে। 

সেই টুইটের ফায়দা পেয়েছেন অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা। যিনি সম্পত্তি খুইয়েও ধনীতম ব্যক্তির তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছেন। তবে টেসলার শেয়ারের হেরফের হতে থাকায় বিশ্বের ধনীতম তালিকায় দুই ব্যবসায়ীর স্থান পরিবর্তিত হচ্ছে। চলতি বছরের শুরুতে ২৫ শতাংশ শেয়ার বাড়লেও বৃদ্ধির সুফল বেশিদিন পাননি টেসলা প্রধান। চলতি মাসের শুরুতে মহাকাশ সংস্থা স্পেসএক্সের ৮৫০ মিলিয়ন ডলারের উপরের ভিত্তি করে কয়েকদিনের জন্য বেজোসকে ছাপিয়ে গিয়েছিলেন মাস্ক। জানুয়ারির আগে টানা তিন বছর শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছিলেন বেজোস। ব্লুমবার্গের বিলিয়নিয়ার্স সূচকের নিরিখে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্পত্তি খুইয়েছেন এশিয়ার ধনীতম ব্যক্তি ঝং শানশান। তার সম্পত্তির পরিমাণ কমেছে ৫.১ বিলিয়ন ডলার। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের মুকেশ আম্বানির সম্পত্তি কমেছে ২.৫ বিলিয়ন ডলার।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ 

 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:৪৩
আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২৩:১৮
প্রিন্ট করুন printer

১৭৮ মিলিয়ন পাউন্ডের লটারি একটুর জন্য হাত ছাড়া এই তরুণীর

অনলাইন ডেস্ক

১৭৮ মিলিয়ন পাউন্ডের লটারি একটুর জন্য হাত ছাড়া এই তরুণীর
টায়লা অক্টেভ

ব্রিটেনের এক টিনেজার তরুণী একটুর জন্যে ইউরোমিলিয়ন লটারি জয়ী হতে পারলেন না। জানা গেছে,  টায়লা অক্টেভ নামের (১৯) ওই তরুণীর টিকিটের সংখ্যাগুলো ছিল জয়ী নম্বর থেকে মাত্র এক ডিজিট দূরে। এতে ১৭৮ মিলিয়ন পাউন্ডের লটারি হাত ছাড়া হয়েছে তার। খবর দ্য সানের।

টায়লা জানিয়েছেন, আমি হতাশ হয়ে পড়েছি। লটারি জেতা সহজ বিষয় নয়। তবে এতো কাছাকাছি গিয়েও না জিততে পারায় আমার মন ভেঙে গেছে। আমি ভাবতে শুরু করেছিলাম এতো অর্থ পেলে আমি তা দিয়ে কি করবো! আমি অবশ্যই মালদ্বীপ যেতাম এবং সেখানে সমুদ্রের পাশে কোনো অবকাশ কেন্দ্রে সময় কাটাতাম। এছাড়া, আমি আমার বোন ও মায়ের জন্য বাড়ি কিনতাম।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:৩০
প্রিন্ট করুন printer

‘চীনের উচিত শিনজিয়াংয়ে জাতিসংঘের তদন্তকারী দলকে ঢুকতে দেওয়া’

অনলাইন ডেস্ক

‘চীনের উচিত শিনজিয়াংয়ে জাতিসংঘের তদন্তকারী দলকে ঢুকতে দেওয়া’
জোসেপ বরেল (ফাইল ছবি)

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার পরে এবার জাতিসংঘ উইঘুর মুসলিমদের নিয়ে চীনের ওপর চাপ তৈরি করল। গতকাল মঙ্গলবার জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান জোসেপ বরেল বলেছেন, চীনের উচিত উইঘুর অধ্যুষিত শিনজিয়াং প্রদেশে জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্তকারী দলকে ঢুকতে দেওয়া। সেখানে কী চলছে, তা ওই দল খতিয়ে দেখতে চায়। চীন অবশ্য এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি। খবর ডয়চে ভেলে বাংলার।

জাতিসংঘে মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার মিশেল ব্যাশেলেট। বহুদিন ধরেই তিনি একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করে চীনে যেতে চাইছেন। সেখানে শিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর মুসলিমদের সঙ্গে চীন ঠিক কী ব্যবহার করছে, তা দেখে একটি রিপোর্ট তৈরি করতে চাইছেন তিনি। কিন্তু চীন এখনো পর্যন্ত তাতে সম্মত হয়নি। মঙ্গলবার বরেল বলেন, তাঁরা চান, মিশেলের নেতৃত্বে একটি দল শিনজিয়াং প্রদেশে যাক। এ বিষয়ে চীনের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছেন তিনি।

সোমবারই কানাডার পার্লামেন্টে চীন এবং উইঘুর মুসলিমদের নিয়ে একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে। সর্বসম্মতিক্রমে সেখানে বলা হয়েছে, চীন 'গণহত্যা' চালাচ্ছে। তবে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এবং তাঁর মন্ত্রিসভা ভোট দেওয়া থেকে বিরত থেকেছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতার শেষ পর্যায়ে তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও একই কথা বলেছিলেন। তিনিই প্রথম চীনের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ এনেছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, উইঘুর মুসলিমদের গণহত্যা করছে চীন। যার জেরে পম্পেও এবং বেশ কয়েকজন মার্কিন প্রশাসনিক কর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল চীন।

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর বক্তব্য, চীন শিনজিয়াং প্রদেশে প্রায় দশ লাখ উইঘুর মুসলিমকে বন্দি করে রেখেছে। তাদের ধর্মের অধিকার, সন্তান উৎপাদনের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। উইঘুর মুসলিমদের সঙ্গে কার্যত দাসের মতো ব্যবহার করা হচ্ছে। যদিও এই অভিযোগগুলো চীন কখনোই মানতে চায়নি।

চীন না মানলেও শিনজিয়াংয়ের ক্যাম্প থেকে পালিয়ে যাওয়া উইঘুররা ভয়াবহ অত্যাচারের কথা বলেছেন। সমস্যা হলো, এখনো পর্যন্ত ওই অঞ্চলে কোনো সংগঠনকে যেতে দেয়নি চীন। সে কারণেই জাতিসংঘ চাপ সৃষ্টি করল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সম্প্রতি উইঘুর মুসলিমদের নিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতেও একটি পিটিশন জমা পড়েছিল। কিন্তু বিচারপতিরা সেই আবেদন গ্রহণ করেননি। তাঁরা জানিয়েছিলেন, চীন যেহেতু আদালতে আসবে না, ফলে বিষয়টির বিচার করা সম্ভব নয়। এখন দেখার, আন্তর্জাতিক চাপের সামনে উইঘুর মুসলিমদের নিয়ে চীন কোনো পদক্ষেপ নেয় কি না।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:১৮
প্রিন্ট করুন printer

ইরানের সঙ্গে যৌথ মহড়ার আয়োজন করতে চায় পাকিস্তান

অনলাইন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে যৌথ মহড়ার আয়োজন করতে চায় পাকিস্তান

পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল বাবর ইফতিখার বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়ার আয়োজন করতে চায় পাকিস্তান। বিশ্বের কোনো শক্তিই ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক ও সহযোগিতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারবে না। পাকিস্তান ইরানের সঙ্গে যৌথ মহড়া আয়োজন করতেও গভীর ভাবে আগ্রহী।

আজ বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ আগ্রহ প্রকাশ করেন জেনারেল বাবর। এ সময় তিনি আফগানিস্তানসহ আঞ্চলিক নিরাপত্তা, আমেরিকার নয়া সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি, ইরান নীতি এবং সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় পাকিস্তানের ভূমিকা সম্পর্কে ব্যাখ্যা তুলে ধরেন।

পাকিস্তানের নৌবাহিনীর আয়োজনে 'আমান-টুয়েন্টি ওয়ান' শীর্ষক বহুজাতিক মহড়ার আয়োজন এবং সেখানে পর্যবেক্ষক হিসেবে ইরানের সামরিক প্রতিনিধি দলের উপস্থিতি প্রসঙ্গে বলেন, পাকিস্তানের সরকার ও সশস্ত্র বাহিনী আঞ্চলিক দেশগুলোর সহযোগিতায় নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় বদ্ধপরিকর।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৪:৫৮
প্রিন্ট করুন printer

৫০ বছরে পাকিস্তান রেলের ক্ষতি ১.২ ট্রিলিয়ন রুপি

অনলাইন ডেস্ক

 ৫০ বছরে পাকিস্তান রেলের ক্ষতি ১.২ ট্রিলিয়ন রুপি

পাকিস্তান রেলওয়ে ১.২ ট্রিলিয়ন রুপি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে গত ৫০ বছরে। ধসে পড়া এই প্রতিষ্ঠানকে পুনরুজ্জীবিত করার পরিকল্পনা করেছে সরকার। রেলের এই লোকসানের ৯০ ভাগই হয়েছে গত দুই দশকে।

পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী মুহাম্মদ আজম খান স্বাতী বলেছেন, 'সম্প্রতি রেলওয়ের পোর্টফোলিও  টি জানা যায় বছরে রেলের গড় লোকসান ৩৫ থেকে ৪০ বিলিয়ন রুপি।'

প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সরকার আগের যে কোনো প্রশাসনের মতো রেলের পুনরুজ্জীবনের কৌশল সম্পর্কে অজ্ঞ। রেলের উন্নয়নে পাকিস্তান চীনের ওপর নির্ভর করে আছে। আশা করা হচ্ছে করাচি থেকে পেশোয়ারের সংযোগকারী মেইন লাইন-১ (এমএল-১) উন্নয়নে ৬.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে চীন। কিন্তু প্রকল্পটি ইতোমধ্যে চীনা অর্থায়নের শর্তে সমস্যায় পড়েছে, যার ফলে প্রকল্পের কাজ বিলম্বিত হচ্ছে।

রেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিসার মেমন বলেন, 'বিভিন্ন সময়ে রেলের মুনাফা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু তাদের ধারাবাহিকতার অভাবে তারা মাঝপথে পড়ে যায়।'

তিনি আরও বলেন, 'রেলওয়ে অবকাঠামো ও সেবার অবনতি এবং মালবাহী ব্যবসা হারানোর প্রধান কারণ ছিল অবকাঠামো, দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, অতিরিক্ত কর্মসংস্থান এবং জাতীয় পরিবহন নীতির অভাবে পণ্য পরিবহন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া।'


বিডি প্রতিদিন / অন্তরা কবির
 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর