শিরোনাম
প্রকাশ: ২২:২০, শুক্রবার, ১৮ জুন, ২০২১

ইরান কীভাবে সম্পূর্ণ ভিন্ন রকম একটি ব্যবস্থায় দেশ চলে

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
ইরান কীভাবে সম্পূর্ণ ভিন্ন রকম একটি ব্যবস্থায় দেশ চলে

ইরানে আজ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট হচ্ছে। কিন্তু কীভাবে সেদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা চলে? কোন ক্ষমতার ছড়ি কার হাতে ? নিচে সংক্ষেপে সেই ধারণা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে :

শীর্ষ নেতা

শীর্ষ ধর্মীয় নেতা ইরানের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি। ১৯৭৯ সালে ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে দুইজন সেই চূড়ান্ত ক্ষমতার অধিকারী হয়েছেন।

প্রথম, ইসলামি ইরানের প্রতিষ্ঠাতা আয়াতোল্লাহ রুহুল্লা খোমেনি যিনি শাহ রেজা পাহলভির ক্ষমতাচ্যুতির পর ক্ষমতা নেন। আর দ্বিতীয়জন হলেন, খোমেনির উত্তরসূরি আয়াতোল্লাহ আলি খামেনি যিনি এখন ইরানের শীর্ষ ক্ষমতায়।

শীর্ষ নেতা ইরানের সেনাবাহিনীর প্রধান এবং দেশের সবগুলো নিরাপত্তা বাহিনী তার নিয়ন্ত্রণে। দেশের বিচার বিভাগের প্রধান তিনি নিয়োগ দেন, এবং সেই সাথে রাষ্ট্রীয় প্রচারযন্ত্র অর্থাৎ টিভি এবং রেডিও তার নিয়ন্ত্রণে।

এছাড়া, শত শত কোটি ডলারের অনেকগুলো জাতীয় দাতব্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেগুলোর দায়িত্বও শীর্ষ নেতার হাতে। এসব দাতব্য প্রতিষ্ঠান ইরানের অর্থনীতির বড় একটি অংশ নিয়ন্ত্রণ করে।

১৯৮৯ সালে আয়াতোল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর আয়াতোল্লাহ আলি খামেনি শীর্ষ নেতা নির্বাচিত হন এবং তখন থেকে দেশের শাসনক্ষমতার ওপর কড়া নিয়ন্ত্রণ রেখে চলেছেন তিনি। কর্তৃত্বের ওপর কোনো চ্যালেঞ্জ তিনি সহ্য করেন না।

প্রেসিডেন্ট

ইরানে প্রেসিডেন্টকে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে হয় এবং তার ক্ষমতার মেয়াদ চার বছর। একজন প্রেসিডেন্ট পরপর দুবারের বেশি নির্বাচন করতে পারেননা।

ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট দেশের দ্বিতীয় শীর্ষ ক্ষমতাধর ব্যক্তি। তিনি সরকারের প্রধান এবং সংবিধানের বাস্তবায়ন তার দায়িত্ব। অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন নীতি এবং পররাষ্ট্র নীতি প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নে প্রেসিডেন্টের হাতে অনেক ক্ষমতা।

তবে রাষ্ট্রের যে কোনো ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা শীর্ষ নেতার হাতে।

প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির উত্তরসূরি নির্বাচন করতে ইরানে আজ শুক্রবার ভোট হচ্ছে। মি. রুহানি একজন মোটামুটি উদারপন্থী ধর্মীয় নেতা। গত দুটো নির্বাচনে কট্টরপন্থী প্রতিদ্বন্দ্বীদের বড় ব্যবধানে তিনি হারিয়েছেন। দুবারই প্রথম দফার ভোটেই তিনি ৫০ শতাংশেরও বেশি ভোট পেয়েছেন, ফলে দ্বিতীয় দফার ভোট করতে হয়নি।

তবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কে প্রার্থী হতে পারবেন তা অনুমোদন করে ইরানের গার্ডিয়ান কাউন্সিল (অভিভাবক পরিষদ)। ১২ সদস্যের এই কাউন্সিলে থাকেন ধর্মতত্ত্ববিদ এবং আইন বিশেষজ্ঞ।

শুক্রবারের নির্বাচনে ৫৯০ জন প্রার্থী হওয়ার আবেদন করেছিলেন, কিন্তু এই পরিষদ মাত্র সাতজনকে প্রার্থী হওয়ার অনুমোদন দেয়। শেষ পর্যন্ত প্রার্থী হয়েছেন মাত্র চারজন। কোনো নারী প্রার্থীকে অনুমোদন দেওয়া হয়নি।

পার্লামেন্ট

ইরানের পার্লামেন্টের নাম মজলিস। এর আসন সংখ্যা ২৯০। প্রতি চার বছর অন্তর মজলিসের নির্বাচন হয়।

আইন তৈরির এবং জাতীয় বাজেট অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যান করার ক্ষমতা রয়েছে পার্লামেন্টের। সেই সাথে পার্লামেন্ট সরকারের মন্ত্রী এবং প্রেসিডেন্টকে ইমপিচ করতে পারে অর্থাৎ তাদের ক্ষমতা থেকে সরাতে পার্লামেন্টে বিচারের মুখে দাঁড় করাতে পারে।

কিন্তু পার্লামেন্টে পাশ করা আইন আবার গার্ডিয়ান কাউন্সিলকে অনুমোদন করতে হয়। ২০২০ সালের পার্লামেন্ট নির্বাচনে ধর্মীয় রক্ষণশীল প্রার্থীরা অনেক ভালো ফল করেছিলেন, কারণ গার্ডিয়ান কাউন্সিল সাত হাজারেরও বেশি সম্ভাব্য প্রার্থীকে ভোটে দাঁড়ানোর অনুমতি দেয়নি এবং প্রত্যাখ্যাতদের সিংহভাগই ছিলেন উদারপন্থী এবং সংস্কার-বাদী।

গার্ডিয়ান কাউন্সিল

ইরানের সবচেয়ে প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠান হচ্ছে গার্ডিয়ান কাউন্সিল। পার্লামেন্টে পাশ করা সব বিলে এই কাউন্সিলের অনুমোদন লাগে। চাইলে তারা যে কোনো বিলে ভেটো দিতে পারে। পার্লামেন্ট বা প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কে প্রার্থী হবেন বা হবেন না তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এই কাউন্সিলের হাতে।

বারো সদস্যের গার্ডিয়ান কাউন্সিলে থাকেন ছয়জন ধর্মীয় তাত্ত্বিক যাদের নিয়োগ করেন শীর্ষ নেতা। বাকি ছয়জন হলেন আইন বিশেষজ্ঞ যাদের নাম প্রস্তাব করে আইন বিভাগ যদিও এই ছয়জনের চূড়ান্ত নিয়োগ পেতে পার্লামেন্টের অনুমোদন লাগে।

ছয় বছরের জন্য তারা নিয়োগ পান। বর্তমান গার্ডিয়ান কাউন্সিল কট্টরপন্থীদের নিয়ন্ত্রণে। এমনকি কাউন্সিলের বর্তমান চেয়ারম্যান আয়াতোল্লাহ আহমাদ জান্নাতি নিজেও একজন কট্টরপন্থী হিসাবে পরিচিত।

অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস বা বিশেষজ্ঞ পরিষদ

অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস ৮৮ সদস্যের বিশেষজ্ঞ পরিষদ। এতে থাকেন ইসলাম বিশেষজ্ঞ এবং ধর্মীয় নেতা।

শীর্ষ নেতার নিয়োগ এবং তার পারফরমেন্সের ওপর নজরদারির ক্ষমতা রয়েছে এই পরিষদের হাতে। এই পরিষদ যদি মনে করে শীর্ষ নেতা তার দায়িত্ব ঠিকমত পালন করতে পারছেন না, তাহলে তারা তাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিতে পারেন।

অবশ্য শীর্ষ নেতার কোনো সিদ্ধান্তকে বিশেষজ্ঞ পরিষদ চ্যালেঞ্জ করেছে তার কোনো নজির এখন পর্যন্ত নেই।

তবে ৮২ বছরের আয়াতোল্লাহ আলি খামেনির শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ায় এই পরিষদের গুরুত্ব বাড়ছে।

আয়াতোল্লাহ খামেনি যদি কাজ করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন বা মারা যান, গোপন ভোটে নতুন একজন শীর্ষ নেতা নির্বাচিত করবে ৮৮ সদস্যের এই বিশেষজ্ঞ পরিষদ।

এই বিশেষজ্ঞ পরিষদের সদস্য নির্বাচনে প্রতি আট বছর অন্তর ভোট হয়। শেষবার ভোট হয়েছিল ২০১৬ সালে। তখন উদারপন্থী এবং সংস্কারপন্থীরা ৬০ শতাংশ আসনে জেতেন।

তবে বিশেষজ্ঞ পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান আয়াতোল্লাহ আহমাদ জান্নাতি একজন ধর্মীয় কট্টরপন্থী হিসাবে পরিচিত। তিনি একইসাথে গার্ডিয়ান কাউন্সিলেরও প্রধান।

এক্সপেডিয়েন্সি কাউন্সিল

এই পরিষদের অন্যতম দায়িত্ব বিভিন্ন বিষয়ে শীর্ষ নেতাকে পরামর্শ দেওয়া। তাছাড়া, কোনো আইন নিয়ে পার্লামেন্ট এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিলের মধ্যে মতবিরোধে মধ্যস্থতা করে এই পরিষদ।

শীর্ষ নেতা ৪৫ সদস্যের পরিষদের সদস্যদের নিয়োগ দেন। সুপরিচিত ধর্মীয়, সামাজিক এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরাই এর সদস্য হন।

বর্তমানে এই পরিষদের চেয়ারম্যান আয়াতোল্লাহ আমোলি লারিজানি। তিনি একসময় বিচার বিভাগের প্রধান ছিলেন এবং কট্টরপন্থী হিসাবে পরিচিত।

প্রধান বিচারপতি

ইরানের প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন শীর্ষ নেতা। প্রধান বিচারপতি দেশের বিচার বিভাগেরও প্রধান। ইসলামি আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করা তার দায়িত্ব।

বর্তমান প্রধান বিচারপতি ইব্রাহিমি রাইসি একজন কট্টরপন্থী ধর্মীয় নেতা। তিনি এবার প্রেসিডেন্ট পদপার্থী এবং জনমত জরীপ অনুযায়ী এক নম্বর ফেভারিট।

ভোটার

ইরানে ৮ কোটি ৩০ লাখ জনসংখ্যার মধ্যে ভোটার সংখ্যা ৫কোটি ৮০ লাখ। ১৮ বা তার বেশি বয়সীরা ভোট দিতে পারেন। ইরানের জনসংখ্যার অর্ধেকেরই বয়স তিরিশের নিচে। ফলে ভোটারদের বিরাট একটি অংশ তরুণ-যুবক।

ইরানে ১৯৭৯ সালে ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে ভোটার উপস্থিতির হার ৫০ শতাংশের ওপর। ব্যতিক্রম ছিল ২০২০ সালের পার্লামেন্ট নির্বাচন। কট্টরপন্থীদের ব্যাপারে বিরক্তি এবং অর্থনৈতিক দুর্দশা নিয়ে অসন্তোষের কারণে বহু মানুষ ভোট দিতে যাননি।

সেনাবাহিনী

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) ইরানের সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ।

ইসলামি বিপ্লবের পরপরই ইসলামি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে এবং নিয়মিত সেনাবাহিনীর ক্ষমতায় ভারসাম্য নিশ্চিত করতে আইআরজিসি প্রতিষ্ঠা করা হয়।

এই বাহিনীর সাথে শীর্ষ নেতার সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ এবং তারা এখন ইরানের সামরিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি।আইআরজিসির নিজস্ব স্থল, নৌ এবং বিমান বাহিনী রয়েছে। ইরানের কৌশলগত অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণও তাদের হাতে।

প্রধানত সরকার বিরোধী অসন্তোষ সামাল দেওয়ার জন্য বাসিজ নামে যে আধাসামরিক বাহিনী ইরানে রয়েছে তার নিয়ন্ত্রণও আইআরজিসির হাতে।

আইআরজিসি এবং নিয়মিত সেনাবাহিনীর সিনিয়র কম্যান্ডারদের নিয়োগ দেন শীর্ষ নেতা। তার কাছেই সেনা কম্যান্ডারদের জবাবদিহি করতে হয়।

মন্ত্রিসভা

মন্ত্রীসভা গঠন করেন প্রেসিডেন্ট। তবে তার জন্য পার্লামেন্টের অনুমোদন লাগে। পার্লামেন্ট যে কোনো মন্ত্রী বা প্রেসিডেন্টকেও ইমপিচ করতে পারে। সূত্র: বিবিসি বাংলা

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত

এই বিভাগের আরও খবর
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
ধ্রুপদীকে জিনপিংয়ের গোপনপত্র, নতুন মোড়ে ভারত-চীন সম্পর্ক
ধ্রুপদীকে জিনপিংয়ের গোপনপত্র, নতুন মোড়ে ভারত-চীন সম্পর্ক
সর্বশেষ খবর
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ

১ মিনিট আগে | নগর জীবন

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

৩২ মিনিট আগে | জাতীয়

শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ

৫০ মিনিট আগে | জাতীয়

সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

২০ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা