শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ৪ জুন, ২০২০ ২৩:২৯

এবার চীনা বিমান ঢুকবে না আমেরিকায়

তিক্ততা চরমে

এবার চীনা বিমান ঢুকবে না আমেরিকায়

করোনাভাইরাসের উৎস নিয়ে ক্রমে সংঘাত বাড়ছে আমেরিকা ও চীনের মধ্যে। বেইজিংকে কোণঠাসা করতে চেষ্টায় কোনো কমতি রাখছে না ওয়াশিংটন। এবার পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে করে চীন থেকে আমেরিকায় বিমান আসা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিল ট্রাম্প প্রশাসন। আগামী ১৬ জুন থেকে কার্যকর হবে এই সিদ্ধান্ত। মার্কিন প্রশাসন সূত্রে খবর, জুন মাসের শুরু থেকেই চীনে পরিষেবা শুরু করার কথা ছিল মার্কিন বিমান সংস্থা ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স ও ডেলটা এয়ারলাইন্সের। কিন্তু পরিষেবা শুরু করার জন্য এখনো অনুমতি দেয়নি চীন। তারই পাল্টা হিসেবে এবার মার্কিন বিমানবন্দরগুলোতে জুনের ১৬ তারিখ থেকে চীনা যাত্রীবাহী বিমানের প্রবেশ ও প্রস্থান নিষিদ্ধ করল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।

অর্থনৈতিক দিক দিয়ে শক্তিধর দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলার মধ্যেই নতুন এই নিষেধাজ্ঞা তিক্ততাকে চরম করল বলে কূটনীতিকরা বলছেন। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশ করোনাভাইরাস ও হংকং বিষয়ে চীনা নীতি নিয়ে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছে। এ নিষেধাজ্ঞা চারটি এয়ারলাইন্সের ওপর পড়বে। এগুলো হলো- এয়ার চায়না, চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইন্স, চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্স ও হাইনান এয়ারলাইন্স। মহামারী ছড়িয়ে পড়ার পরও দুই দেশের মধ্যে এয়ারলাইনগুলো স্বল্প পরিসরে হলেও ফ্লাইট চালু রেখেছিল।

কিন্তু কড়া ভাষায় বেইজিংয়ের সমালোচনা করে মার্কিন পরিবহন দফতর সাফ বলেছে, ‘বিমান চলাচল সংক্রান্ত দ্বিপাক্ষিক চুক্তি চীন লঙ্ঘন করছে। তবে চীনা পক্ষের সঙ্গে লাগাতার যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তবে তার মধ্যেই আমরা ততগুলো নির্ধারিত চীনা যাত্রীবিমানকে ঢুকতে দেব, যতগুলো চীন সরকার আমাদের বিমানকে অনুমতি দেবে।’ চীনকে নানাভাবে চাপে রাখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে সম্প্রতি যুক্ত হয়েছে চীন-ভারত উত্তেজনা।    তাই তো বেইজিংয়ের ওপর চাপ বাড়াতে লাদাখ   সীমান্ত নিয়ে নয়াদিল্লির পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে ওয়াশিংটন। মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষের বিদেশনীতি সংক্রান্ত কমিটির প্রধান এলিয়ট এঞ্জেল জানিয়ে দিলেন, লাদাখ সীমান্তে চীন যে আগ্রাসী মনোভাব দেখাচ্ছে, তা সমর্থনযোগ্য নয়।

চীনের এই আচরণ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। কূটনৈতিকভাবে সীমান্ত সমস্যার সমাধান না করে, বেইজিং যেভাবে পেশিশক্তি প্রয়োগের চেষ্টা চালাচ্ছে, তা নিন্দনীয়।  সব মিলিয়ে চীনের ওপর চারদিক থেকেই চাপ বাড়াচ্ছে আমেরিকা।


আপনার মন্তব্য