শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:০৭, শনিবার, ২১ জুন, ২০২৫

ইহুদি জাতির সেকাল ও একাল

আসআদ শাহীন
অনলাইন ভার্সন
ইহুদি জাতির সেকাল ও একাল

ইহুদি ধর্ম এমন একটি আসমানি বা ঐশী ধর্ম, যার ভিত্তিভূমি গঠিত হয়েছে তাওরাত, তালমুদ এবং ইহুদি পণ্ডিত, মুফতি ও বিচারকদের ফতোয়া ও সিদ্ধান্তের ওপর। যদিও এটি আল্লাহ প্রদত্ত একটি ধর্ম, তবু যুগের পরিবর্তন, বিশ্বায়নের প্রভাব ও ইহুদিদের অতিরিক্ত পার্থিবতাপূর্ণ জীবনাচরণের দরুন এই ধর্ম এত বিপুল পরিমাণে উত্থান-পতনের ভেতর দিয়ে গেছে যে এর মূল সত্তা প্রায় ধূলিসাৎ হয়ে গেছে। ধর্মে এতধিক বিকৃতি ও সংযোজন ঘটেছে যে আজকের দিনে দাঁড়িয়ে ইহুদি ধর্মের প্রাথমিক বিশুদ্ধরূপ শনাক্ত করা দুঃসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তবু বর্তমান কালের পরিপ্রেক্ষিতে ইহুদি ধর্মকে বুঝতে হলে ইহুদি ইতিহাস এবং অন্য জাতিসমূহের সঙ্গে ইহুদিদের সম্পর্ক—এই দুইয়ের বিশদ অধ্যয়ন একান্ত অপরিহার্য।

ইহুদিদের আহলে কিতাব বা কিতাবধারী বলা হয় এবং তারা নিজেদের ধর্মের সূচনা আব্রাহাম (ইবরাহিম) আলাইহিস সালাম থেকে করে থাকে।

ইহুদি জাতির প্রকৃত নাম বনি ইসরাঈল। এই নামের পেছনে আছে তাদের পিতা ইয়াকুব (আ.)-এর অন্য নাম ইসরাঈল। বনি ইসরাঈল মানে ইসরাঈলের বংশধর।

তাওরাত ও অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের ভিত্তিতে ইহুদি ইতিহাসকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ যুগে ভাগ করা যায়, যেগুলো ইতিহাস, নবুয়ত, রাজনৈতিক উত্থান-পতন এবং ধর্মীয় দায়বদ্ধতার নিরিখে এক একটি আলাদা বৈশিষ্ট্য বহন করে। নিচে সেই যুগগুলোকে সংক্ষিপ্তাকারে তুলে ধরা হলো—

১. আকাবিরের যুগ

এই যুগে বনি ইসরাঈলের ইতিহাস সূচনা পায় নবুয়তের শ্রেষ্ঠ ধারক ইবরাহিম (আ.)-এর মাধ্যমে এবং তা বিস্তৃত হয় তাঁর বংশধর ইউসুফ (আ.) পর্যন্ত। এই সময় ছিল নবী প্রেরিত এক আধ্যাত্মিক অভিযাত্রার যুগ। ইবরাহিম (আ.)-এর আহ্বানে তাওহিদের দীপ্ত আলো ছড়িয়ে পড়ে বহু জাতির মধ্যে।

এরপর ইসহাক (আ.), ইয়াকুব (আ.), এবং ইউসুফ (আ.)-এর মাধ্যমে এই নূর ঐশ্বরিক প্রজ্ঞা ও নৈতিকতার এক নিরবচ্ছিন্ন ধারায় রূপ নেয়।

২. মিসর থেকে প্রস্থান ও ফিলিস্তিনে আগমন

এই যুগ ইহুদি ইতিহাসের এক বিশেষ বাঁক। মিসরে বনি ইসরাঈল দাসত্ব, নিপীড়ন ও লাঞ্ছনার জীবনযাপন করছিল। তখন আল্লাহ তাদের মুক্তি দেন মুসা (আ.)-এর মাধ্যমে। ফেরাউনের চরম ঔদ্ধত্য, অলৌকিকভাবে তার পতন, লোহিত সাগর পার হওয়া এবং সিনাই মরুভূমির দুর্ভোগ—সব মিলিয়ে এক মহাকাব্যিক ইতিহাস রচিত হয়।

এই সময়েই আল্লাহ তাওরাত নাজিল করেন, যা ছিল শরিয়তের ভিত্তিভূমি। অতঃপর ইয়ুশা (আ.)-এর নেতৃত্বে তারা ফিলিস্তিন প্রবেশ করে। এটি ছিল একটি নবজাগরণের যুগ—আধ্যাত্মিক দাসত্ব থেকে মুক্তি এবং একটি স্বতন্ত্র জাতিরূপে আত্মপ্রকাশের কাহিনি।

৩. কাজি বা বিচারকদের যুগ

এই যুগ প্রায় ৩০০ বছরব্যাপী। এ সময় বনি ইসরাঈলের শাসন ও সমাজ ব্যবস্থা পরিচালিত হতো বিশেষ মনোনীত বিচারপতি তথা কাজিদের মাধ্যমে। যখন কোনো কাজি তাওরাতের বিধান মেনে চলতেন, তখন আল্লাহর সাহায্য তাঁদের সঙ্গে থাকত, আর আশপাশের জাতিরা তাঁদের সামনে নতজানু হতো। কিন্তু যখন কাজিরা ধর্মচ্যুতি ও শৃঙ্খলাভঙ্গের পথে হাঁটতেন, তখনই তাঁদের ওপর বিপর্যয় নেমে আসত এবং শত্রুরা বিজয় লাভ করত। এই যুগ ছিল একটি চক্রবদ্ধ সংশোধন ও পতনের ইতিহাস।

৪. রাজত্বের যুগ

এ সময় ইহুদি জাতির রাষ্ট্রীয় উত্থান ঘটে। নেতৃত্বে ছিলেন—

তালুত (আ.) প্রথম রাজা; দাউদ (আ.) সুর ও শৌর্যের প্রতীক; সুলাইমান (আ.) জ্ঞান ও জাঁকজমকের এক অদ্বিতীয় রাজা। এই রাজত্বের মোট স্থায়িত্ব ছিল প্রায় ১২০ বছর। এই সময়কে বলা যায় বনি ইসরাঈলের স্বর্ণযুগ। শাসন, ধর্ম, প্রশাসন ও সংস্কৃতি সবই ছিল এক ঐক্যবদ্ধ মহিমায় উদ্ভাসিত, বিশেষ করে সুলাইমান (আ.)-এর শাসনে যে বর্ণাঢ্য জ্ঞান-রাজত্ব প্রতিষ্ঠা পায়, তা আজও কিংবদন্তির মতো স্মরণীয়।

৫. বনি ইসরাঈলের রাজত্ব বিভাজনের যুগ

সুলাইমান (আ.)-এর ওফাতের পর রাজনৈতিক ঐক্য ভেঙে পড়ে এবং ইসরায়েল রাষ্ট্র দুটি অংশে বিভক্ত হয়ে যায়—(ক) ইসরায়েল : ১০টি গোত্রের সমন্বয়ে গঠিত রাজ্য।

(খ) ইয়াহুদা : ইয়াহুদা ও বিনইয়ামিন—এই দুটি গোত্রের ভিত্তিতে গঠিত রাজ্য।

এই বিভাজন ছিল কেবল রাজনৈতিক নয়, বরং নৈতিক ও আধ্যাত্মিক বিভ্রান্তিরও সূচক। সময়ের পরিক্রমায় উভয় রাজ্যই পতনের দিকে ধাবিত হয়।

১. উত্তরাঞ্চলের রাজ্য ইসরায়েল খ্রিস্টপূর্ব ৭২১ সালে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।

২. দক্ষিণাঞ্চলের রাজ্য ইয়াহুদা খ্রিস্টপূর্ব ৫৮৬ সালে বিলীন হয়ে যায়।

এই ধ্বংস ইঙ্গিত করে সেই ধর্মবিচ্যুতির দিকে, যেখানে অহংকার, অনাচার ও বিধানচ্যুতি ইহুদি জাতিকে তাদের পূর্বতন গৌরব হারাতে বাধ্য করেছিল।

৬. প্রথম নির্বাসনকাল

ইতিহাসের এই অধ্যায়টি বনি ইসরাঈলের জন্য এক গাঢ় শোকগাথা। সুলাইমান (আ.)-এর মৃত্যুর পর বনি ইসরাঈলের রাজত্ব দ্বিখণ্ডিত হয়। উত্তরাঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘ইসরায়েল’ নামে একটি রাজ্য, যা ছিল ১০টি গোত্রের সম্মিলন। কিন্তু তাদের একনিষ্ঠতা ও ধার্মিকতার অভাব, অবাধ্যতা ও শিরকের প্রবণতা তাদের ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত এই ১০ গোত্রকে এমনভাবে নির্বাসিত করা হয় যে ইতিহাসের পাতায় তারা ‘হারিয়ে যাওয়া ভেড়া’ (Lost Sheep of Bani Israel) নামে পরিচিত হয়ে ওঠে। আজও কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারে না—এই জাতি কোথায় হারিয়ে গেল!

এরপর ইতিহাসে আরো একটি গাঢ় রজনী আসে : খ্রিস্টপূর্ব ৬০৬ থেকে ৫৩৬ সাল পর্যন্ত, প্রায় ৭০ বছরব্যাপী সময়কাল, যা পরিচিত ‘বাবেলীয় নির্বাসন’ নামে। এ সময়ে দক্ষিণাঞ্চলের রাজ্য ইয়াহুদার পতন ঘটে এবং অসংখ্য ইহুদিকে বন্দি করে নিয়ে যাওয়া হয় বাবেল (বর্তমান ইরাক)-এ। তাদের তন্ময়তা, উপাসনা, ও স্বাধীনতা—সবই বন্দিত্বের শৃঙ্খলে বন্দি হয়ে যায়।

৭. বাবেল থেকে প্রত্যাবর্তন ও পারস্য অধীন বনি ইসরাঈল

খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকের মাঝামাঝি, পারস্যের শক্তিশালী সম্রাট কুরুশ (Cyrus the Great) বাবেল জয় করেন। তাঁর উদারনীতি ও ধর্মীয় সহিষ্ণুতার ফলে নির্বাসিত ইহুদিদের জন্য খুলে যায় প্রত্যাবর্তনের দ্বার। তারা ফিরে আসে পবিত্র ভূমি বায়তুল মুকাদ্দাসে। পারস্য বাদশাহদের সহযোগিতায় সুলাইমান (আ.)-এর নির্মিত পবিত্র বায়তুল মুকাদ্দাস (হায়েকাল/টেম্পল) পুনরায় নির্মাণের অনুমতি ও সহায়তা পায়। এ এক আশার উজ্জ্বল প্রত্যাবর্তন, যেখানে দীর্ঘ বঞ্চনার পর তারা পুনরায় তাদের পবিত্র ভূমি ও ধর্মীয় রীতিতে ফিরে যেতে সক্ষম হয়।

৮. ইহুদি জাতি গ্রিকদের (ইউনানিদের) অধীনে

খ্রিস্টপূর্ব ৩৩১ থেকে ১৬৭ সাল পর্যন্ত সময়কাল ইহুদি জাতির জন্য ছিল গ্রিক সংস্কৃতি ও রাজনীতির একটি গভীর সংঘর্ষময় অধ্যায়। আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের সাম্রাজ্য বিস্তার এবং তাঁর উত্তরসূরিদের শাসনে ইহুদি সমাজ হেলেনীয় চিন্তা-সংস্কৃতির সঙ্গে এক অদ্ভুত দ্বন্দ্বে লিপ্ত হয়। ধর্মীয় আদর্শ, জাতিগত পরিচয় ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ—সব কিছু ছিল এক চরম পরীক্ষার মধ্যে।

৯. স্বাধীনতার যুগ

১৬৭ খ্রিস্টপূর্ব থেকে ৬৩ খ্রিস্টপূর্ব পর্যন্ত প্রায় এক শতাব্দী ইহুদিরা তাদের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করে। এটি ছিল মাকাবিদের (Maccabees) নেতৃত্বে এক বিপ্লবের ফলাফল, যারা ধর্ম ও স্বাধীনতার জন্য অস্ত্র তুলে নেয়। এই সময় তারা স্বশাসন ও ধর্মীয় পুনর্জাগরণ লাভ করে। কিন্তু এরপর দীর্ঘ প্রায় দুই হাজার বছর—১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তারা আর কখনো স্বাধীনভাবে কোনো রাষ্ট্র কায়েম করতে পারেনি। এ ক্ষেত্রে কোরআনের এক গূঢ় আয়াত আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে—‘তাদের ওপর অপমানের শিকল চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, যতক্ষণ না তারা আল্লাহর কোনো দয়ার দড়ি কিংবা মানুষের কোনো শক্তিশালী আশ্রয় পায়।’

(সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ১১২)

১০. রোমান শাসনের অধীনে বনি ইসরাঈল

এই শাসনকাল দুই ভাগে বিভক্ত। যথা—

(ক) প্রথম ধাপ শুরু হয় খ্রিস্টপূর্ব ৬৩ সাল থেকে, চলতে থাকে ঈসা (আ.)-এর আগমন, তাঁর আসমানে উত্তোলন এবং ইহুদিদের দ্বিতীয় নির্বাসনের (৭০ খ্রিস্টাব্দ) আগ পর্যন্ত। এই সময় রোমানদের অত্যাচার ও ঈসা (আ.)-এর প্রতি অবিশ্বাস ইহুদি জাতিকে আবারও বিধ্বস্ত করে তোলে।

(খ) দ্বিতীয় ধাপ শুরু হয় ৭০ খ্রিস্টাব্দে জেরুজালেম ধ্বংসের পর এবং রোমান সাম্রাজ্যের পতন পর্যন্ত। এই সময় ইহুদিরা পৃথিবীজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে বিচ্ছিন্ন, বিতাড়িত ও হতবিচার হয়ে।

১১. খ্রিস্টানদের শাসনে ইহুদি জাতি

যখন রোমান সম্রাট কনস্ট্যান্টাইন খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন, তখন থেকে ইউরোপ ও আমেরিকাজুড়ে খ্রিস্টান প্রভাব বিস্তার লাভ করে। এই সময়কাল থেকে আজ পর্যন্ত ইহুদি জাতি খ্রিস্টান রাজনীতির ছায়াতলে বসবাস করে আসছে। কখনো দমন, কখনো সহন, আবার কখনো সহবাস—এই যুগ এক অস্থির সহাবস্থানের প্রতিচ্ছবি।

১২. মুসলিম শাসনে ইহুদিরা

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নবুয়তের যুগ থেকেই মুসলিম সমাজের সঙ্গে ইহুদি জাতির সম্পর্ক শুরু হয়। এরপর ৬৩৬ খ্রিস্টাব্দে উমর (রা.)-এর হাতে জেরুজালেম বিজয়ের মাধ্যমে ইহুদিদের মুসলিম শাসনের অধীনে এক নতুন অধ্যায় সূচিত হয়। আরব, ইরান ও অটোমান সাম্রাজ্যের ছত্রচ্ছায়ায় তারা অনেক সময় সম্মানজনকভাবে, আবার কখনো নিপীড়িতভাবে দিনাতিপাত করেছে। তবে তুলনামূলকভাবে মুসলিম শাসন তাদের জন্য খ্রিস্টান শাসনের চেয়ে অনেক বেশি সহনশীল ও ন্যায্য ছিল।

১৩. আধুনিক ইসরায়েল রাষ্ট্র ও বর্তমান সময়

১৯৪৮ সালের ১৪ মে—ইতিহাসের সেই কালো দিন, যেদিন আধুনিক বিশ্বব্যবস্থার ছত্রচ্ছায়ায় একটি বিতর্কিত জাতিগোষ্ঠী একটি বিতর্কিত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে ‘ইসরায়েল’। এই রাষ্ট্রের অস্তিত্ব একটি অব্যক্ত আতঙ্কের নাম, যেখানে ফিলিস্তিনিদের ভূমি দখল, মানবাধিকারের লঙ্ঘন এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতির দ্বৈতনীতি এক ভয়ংকর ইতিহাস গড়ছে। এই অধ্যায় এখনো চলছে এবং এর শেষ কোথায়—তা একমাত্র আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।

লেখক : শিক্ষক, গবেষক ও প্রাবন্ধিক

জামিয়া মাদানিয়া শুলকবহর, চট্টগ্রাম


তথ্যঋণ

মাআরিফুল কোরআন/আল্লামা মুফতি শফী (রহ.)

তারিখে ইসলাম/মাওলানা আকবর শাহ খান

রহমাতুল্লাহি লিল আলামিন/মাওলানা সাইয়িদ সুলাইমান মানসুরপুরী/কাসাসুল আম্বিয়া/মাওলানা হিফজুর রহমান

মাউসুআতুল ইয়াহুদ ওয়াল ইয়াহুদিয়্যাহ/ড. আবদুল ওয়াহাব

The New English Bible (Oxford University Press Cambridge University press-1970)

Talmood

Lions hand book to the Bible

Encyclopaedia of religion & Ethics

এই বিভাগের আরও খবর
মহানবী (সা.)-এর নামে বানিয়ে বলার পরিণতি
মহানবী (সা.)-এর নামে বানিয়ে বলার পরিণতি
কতটুকু ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন করা ফরজ
কতটুকু ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন করা ফরজ
রবিউল আউয়াল মাসে সিরাতচর্চা
রবিউল আউয়াল মাসে সিরাতচর্চা
ইসলামে আখলাকে হাসানার গুরুত্ব
ইসলামে আখলাকে হাসানার গুরুত্ব
গিবত হয় ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মেও
গিবত হয় ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মেও
বাবা-মায়ের চেয়ে আপন কেউ নেই
বাবা-মায়ের চেয়ে আপন কেউ নেই
এলো রবিউল আউয়াল : যাঁর আগমনে জগৎ উজালা
এলো রবিউল আউয়াল : যাঁর আগমনে জগৎ উজালা
স্বাগত মাহে রবিউল আউয়াল
স্বাগত মাহে রবিউল আউয়াল
যেসব কাজে বিপদ অবধারিত
যেসব কাজে বিপদ অবধারিত
বাবা এবং ভালোবাসা
বাবা এবং ভালোবাসা
স্বপ্নের নগরীতে ইতিহাসের কান্না
স্বপ্নের নগরীতে ইতিহাসের কান্না
মালয়েশিয়ার বিস্ময়কর পুত্রা মসজিদ
মালয়েশিয়ার বিস্ময়কর পুত্রা মসজিদ
সর্বশেষ খবর
সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ
সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ

৫০ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে টাইফয়েড টিকাদান শুরু ১২ অক্টোবর
ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে টাইফয়েড টিকাদান শুরু ১২ অক্টোবর

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বায়ু দূষণের কারণে বাংলাদেশিদের গড় আয়ু কমছে সাড়ে ৫ বছর
বায়ু দূষণের কারণে বাংলাদেশিদের গড় আয়ু কমছে সাড়ে ৫ বছর

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু নির্বাচন : প্রথম দিন ডোপ টেস্টের নমুনা দিলেন ৮৭ জন
রাকসু নির্বাচন : প্রথম দিন ডোপ টেস্টের নমুনা দিলেন ৮৭ জন

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে বাসায় ফিরলেন খালেদা জিয়া
স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে বাসায় ফিরলেন খালেদা জিয়া

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন ড. খন্দকার মোশাররফ
লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন ড. খন্দকার মোশাররফ

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শিক্ষার্থীদের ওপর বলপ্রয়োগ : তদন্তে ডিএমপির ৩ সদস্যের কমিটি
শিক্ষার্থীদের ওপর বলপ্রয়োগ : তদন্তে ডিএমপির ৩ সদস্যের কমিটি

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজার দুর্ভিক্ষে মন কাঁদছে হাল্ক অভিনেতার
গাজার দুর্ভিক্ষে মন কাঁদছে হাল্ক অভিনেতার

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

জেমস ওয়েব টেলিস্কোপে ভিনগ্রহে প্রাণের ইঙ্গিত
জেমস ওয়েব টেলিস্কোপে ভিনগ্রহে প্রাণের ইঙ্গিত

৮ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

রাজশাহীতে ফুফুকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ
রাজশাহীতে ফুফুকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শেষ দুই ম্যাচের দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শেষ দুই ম্যাচের দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পুলিশের ধাওয়ায় পালালেন যুবক, পিস্তল-গুলি উদ্ধার
পুলিশের ধাওয়ায় পালালেন যুবক, পিস্তল-গুলি উদ্ধার

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে ৮ কেজি গাঁজাসহ মাদককারবারি গ্রেফতার
বাগেরহাটে ৮ কেজি গাঁজাসহ মাদককারবারি গ্রেফতার

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড্রোন হামলা চালিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিল রাশিয়া
ড্রোন হামলা চালিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিল রাশিয়া

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে যমুনা এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত
শ্রীপুরে যমুনা এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একাদশ ভর্তির দ্বিতীয় ধাপের ফল প্রকাশ
একাদশ ভর্তির দ্বিতীয় ধাপের ফল প্রকাশ

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা : সমুদ্রবন্দরে ৩, নদীবন্দরে এক নম্বর সতর্কতা
উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা : সমুদ্রবন্দরে ৩, নদীবন্দরে এক নম্বর সতর্কতা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চাঁদপুরে শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেফতার
চাঁদপুরে শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেফতার

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বোয়ালখালীতে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
বোয়ালখালীতে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সংসার ভাঙার পর নতুন করে বাগদান সারলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা
সংসার ভাঙার পর নতুন করে বাগদান সারলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৮ মাসে ১ কোটি চাকরি সৃষ্টিতে বিএনপির পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে : আমীর খসরু
১৮ মাসে ১ কোটি চাকরি সৃষ্টিতে বিএনপির পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে : আমীর খসরু

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আগামী দিনের ক্রিকেট তারকারা স্কুল মাঠেই লুকিয়ে আছে: বিসিবি সভাপতি
আগামী দিনের ক্রিকেট তারকারা স্কুল মাঠেই লুকিয়ে আছে: বিসিবি সভাপতি

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ডুয়েট ও বিআইএমের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত
ডুয়েট ও বিআইএমের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইন্দোনেশিয়ায় গ্রেফতার শ্রীলঙ্কার মোস্ট ওয়ান্টেড ব্যক্তি
ইন্দোনেশিয়ায় গ্রেফতার শ্রীলঙ্কার মোস্ট ওয়ান্টেড ব্যক্তি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেরপুরে ৬৫ বছরের বৃদ্ধের বিরুদ্ধে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ
শেরপুরে ৬৫ বছরের বৃদ্ধের বিরুদ্ধে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

উপসচিব হলেন ২৬৮ কর্মকর্তা
উপসচিব হলেন ২৬৮ কর্মকর্তা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চার বছর ধরে সেইফ হোমে বাক ও মানসিক প্রতিবন্ধী নারী
চার বছর ধরে সেইফ হোমে বাক ও মানসিক প্রতিবন্ধী নারী

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপের আগে সিলেটের মাঠে খেলা বাড়তি সুবিধা হবে : লিটন
এশিয়া কাপের আগে সিলেটের মাঠে খেলা বাড়তি সুবিধা হবে : লিটন

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটির তারিখ পুনঃনির্ধারণ
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটির তারিখ পুনঃনির্ধারণ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উপদেষ্টা হতে ২০০ কোটির চেক, সেই চিকিৎসকের কার্যালয়ে দুদকের অভিযান
উপদেষ্টা হতে ২০০ কোটির চেক, সেই চিকিৎসকের কার্যালয়ে দুদকের অভিযান

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রোডম্যাপ প্রকাশ: রোজার আগে ভোট, ডিসেম্বরেই তফসিল
রোডম্যাপ প্রকাশ: রোজার আগে ভোট, ডিসেম্বরেই তফসিল

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‌‘ইসরায়েলের বহুস্তরীয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ভেদ করেছে ইরান’
‌‘ইসরায়েলের বহুস্তরীয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ভেদ করেছে ইরান’

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‌‘মঞ্চ ৭১’র অনুষ্ঠানে উত্তেজনা, সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী আটক
‌‘মঞ্চ ৭১’র অনুষ্ঠানে উত্তেজনা, সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী আটক

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংসার ভাঙার পর নতুন করে বাগদান সারলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা
সংসার ভাঙার পর নতুন করে বাগদান সারলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপে যা আছে
জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপে যা আছে

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক এড়াতে আমিরাতে ব্যবসা সরাচ্ছেন ভারতীয়রা
ট্রাম্পের শুল্ক এড়াতে আমিরাতে ব্যবসা সরাচ্ছেন ভারতীয়রা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার ধ্বংসাবশেষ সরাচ্ছে ইরান, দাবি রিপোর্টে
পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার ধ্বংসাবশেষ সরাচ্ছে ইরান, দাবি রিপোর্টে

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্লট বরাদ্দ পেতে ভাসমান-অসহায়-গরীব পরিচয় দেন শেখ রেহানা-টিউলিপ-আজমিনা
প্লট বরাদ্দ পেতে ভাসমান-অসহায়-গরীব পরিচয় দেন শেখ রেহানা-টিউলিপ-আজমিনা

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উপসচিব হলেন ২৬৮ কর্মকর্তা
উপসচিব হলেন ২৬৮ কর্মকর্তা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চীনে সামরিক কুচকাওয়াজে যোগ দিচ্ছেন কিম জং উন, থাকবেন পুতিনও
চীনে সামরিক কুচকাওয়াজে যোগ দিচ্ছেন কিম জং উন, থাকবেন পুতিনও

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইএসপিএলে বলিউড তারকাদের দল কেনার হিড়িক
আইএসপিএলে বলিউড তারকাদের দল কেনার হিড়িক

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৯৬ ভারী ট্রাক দিয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ সেতুর সক্ষমতা পরীক্ষা করল চীন
৯৬ ভারী ট্রাক দিয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ সেতুর সক্ষমতা পরীক্ষা করল চীন

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাবাহিনী প্রধান
চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাবাহিনী প্রধান

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত, মার্কিন কর্মকর্তার হুঁশিয়ারি
রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত, মার্কিন কর্মকর্তার হুঁশিয়ারি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন কিম-পুতিনসহ ২৬ বিশ্বনেতা
শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন কিম-পুতিনসহ ২৬ বিশ্বনেতা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ আসলে মোদির যুদ্ধ'
'রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ আসলে মোদির যুদ্ধ'

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুপুরের মধ্যে ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস
দুপুরের মধ্যে ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সময়সীমা সীমিত করছেন ট্রাম্প
বিদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সময়সীমা সীমিত করছেন ট্রাম্প

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চোট থেকে ফিরেই মেসির জোড়া গোল, ফাইনালে মায়ামি
চোট থেকে ফিরেই মেসির জোড়া গোল, ফাইনালে মায়ামি

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রোন হামলা চালিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিল রাশিয়া
ড্রোন হামলা চালিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিল রাশিয়া

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আগারগাঁও ‘ব্লকেড’ কর্মসূচির ঘোষণা শেকৃবি শিক্ষার্থীদের
আগারগাঁও ‘ব্লকেড’ কর্মসূচির ঘোষণা শেকৃবি শিক্ষার্থীদের

১৯ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচনী প্রচারণায় ইট-পাটকেলের তোপের মুখে পালালেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট
নির্বাচনী প্রচারণায় ইট-পাটকেলের তোপের মুখে পালালেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার ফাহিমা হত্যায় ঢাকায় স্বামী গ্রেপ্তার
বগুড়ার ফাহিমা হত্যায় ঢাকায় স্বামী গ্রেপ্তার

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ৩৬ দল চূড়ান্ত
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ৩৬ দল চূড়ান্ত

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভোটের প্রচারে গিয়ে পরিচয়, বিয়ে করলেন দুই ব্রিটিশ এমপি
ভোটের প্রচারে গিয়ে পরিচয়, বিয়ে করলেন দুই ব্রিটিশ এমপি

১০ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা : সমুদ্রবন্দরে ৩, নদীবন্দরে এক নম্বর সতর্কতা
উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা : সমুদ্রবন্দরে ৩, নদীবন্দরে এক নম্বর সতর্কতা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রংপুরের পীরগাছায় অ্যানথ্রাক্স আতঙ্ক, এক মাসে ২০০-র বেশি আক্রান্ত
রংপুরের পীরগাছায় অ্যানথ্রাক্স আতঙ্ক, এক মাসে ২০০-র বেশি আক্রান্ত

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
বহু নারীর জীবন নষ্টে তৌহিদ আফ্রিদি
বহু নারীর জীবন নষ্টে তৌহিদ আফ্রিদি

পেছনের পৃষ্ঠা

পুকুর যেন সাদাপাথরের খনি
পুকুর যেন সাদাপাথরের খনি

পেছনের পৃষ্ঠা

আজমির শরিফে অন্যরকম দৃশ্য
আজমির শরিফে অন্যরকম দৃশ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

আবারও মব রাজধানীতে
আবারও মব রাজধানীতে

প্রথম পৃষ্ঠা

রোগীদের জন্য ১৭ কোটি টাকার ওষুধ এনে দিলেন শীর্ষ শ্রেয়ান
রোগীদের জন্য ১৭ কোটি টাকার ওষুধ এনে দিলেন শীর্ষ শ্রেয়ান

নগর জীবন

ডিবি হারুনের স্ত্রীর নামে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি
ডিবি হারুনের স্ত্রীর নামে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রংপুরে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে অ্যানথ্রাক্স
রংপুরে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে অ্যানথ্রাক্স

নগর জীবন

মনোনয়ন চান বিএনপির সাত নেতা, প্রার্থী চূড়ান্ত জামায়াতের
মনোনয়ন চান বিএনপির সাত নেতা, প্রার্থী চূড়ান্ত জামায়াতের

নগর জীবন

একক প্রার্থী বিএনপিসহ সব দলের
একক প্রার্থী বিএনপিসহ সব দলের

নগর জীবন

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুখোমুখি
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুখোমুখি

মাঠে ময়দানে

কমপ্লিট শাটডাউন
কমপ্লিট শাটডাউন

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন ছবির পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন শর্মিলা
কেন ছবির পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন শর্মিলা

শোবিজ

ফের মোহনীয়রূপে জয়া
ফের মোহনীয়রূপে জয়া

শোবিজ

সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার বাংলাদেশিসহ ২ লাখ অভিবাসী
সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার বাংলাদেশিসহ ২ লাখ অভিবাসী

পেছনের পৃষ্ঠা

অবশেষে ভোটের রোডম্যাপ
অবশেষে ভোটের রোডম্যাপ

প্রথম পৃষ্ঠা

গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েল
গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েল

পেছনের পৃষ্ঠা

মেসির জোড়া গোলে ফাইনালে মায়ামি
মেসির জোড়া গোলে ফাইনালে মায়ামি

মাঠে ময়দানে

বাহারি প্রতিশ্রুতি কৌশলী প্রচার
বাহারি প্রতিশ্রুতি কৌশলী প্রচার

প্রথম পৃষ্ঠা

ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মহড়া
ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মহড়া

প্রথম পৃষ্ঠা

নিজেদের অসহায় পরিচয় দিয়ে প্লট নেন রেহানা-টিউলিপ
নিজেদের অসহায় পরিচয় দিয়ে প্লট নেন রেহানা-টিউলিপ

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় র‌্যাব
নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় র‌্যাব

প্রথম পৃষ্ঠা

গুমে মৃত্যুদণ্ড, বন্ধ তিন বন্দর
গুমে মৃত্যুদণ্ড, বন্ধ তিন বন্দর

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রাথমিক শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি মেনে নিন
প্রাথমিক শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি মেনে নিন

নগর জীবন

সংবিধান পরিবর্তন করতে পারে শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধি
সংবিধান পরিবর্তন করতে পারে শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধি

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে নগদ টাকা লুট
ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে নগদ টাকা লুট

নগর জীবন

শির আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন বিশ্বনেতারা
শির আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন বিশ্বনেতারা

পূর্ব-পশ্চিম

কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল শুরু অক্টোবরে
কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল শুরু অক্টোবরে

নগর জীবন

‘রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত’
‘রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত’

পূর্ব-পশ্চিম

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব

নগর জীবন