শিরোনাম
প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ২০:১০
প্রিন্ট করুন printer

প্রধানমন্ত্রীর সামনে আমাকে অপমান করা হয়েছে, অভিযোগ মমতার

দীপক দেবনাথ, কলকাতা

প্রধানমন্ত্রীর সামনে আমাকে অপমান করা হয়েছে, অভিযোগ মমতার
মমতা ব্যানার্জি

গত ২৩ জানুয়ারি কলকাতার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে অনুষ্ঠিত একটি সরকারি অনুষ্ঠানের দর্শকাসন থেকে ভেসে আসা ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান নিয়ে মুখ খুললেন মমতা ব্যানার্জি। ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-কে ‘ভারত জ্বালাও পার্টি’ বলে বিদ্রুপ করেন তিনি। তার অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর সামনে আমায় টিজ করা হয়েছে। 

ভারতের অন্যতম স্বাধীনতা সংগ্রামী নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর ১২৫ তম জন্মশতবার্ষির্কী উপলক্ষ্যে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, সংস্কৃতিমন্ত্রী প্রহ্লাদ সিং প্যাটেল, বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়’এর মতো বিশিষ্টরা। কিন্তু বক্তব্য রাখার জন্য মমতার নাম ঘোষণার পরই ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান ওঠার পরই ক্ষুব্ধ হন মমতা। ওই ঘটনার প্রতিবাদ করে বক্তব্য না রেখেই ডায়াস ছাড়েন। 

সোমবার রাজ্যটির হুগলি জেলার পুরশুড়াতে এক দলীয় সভায় থেকে ওই প্রসঙ্গ উত্থাপন করে মমতা বলেন ‘নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু আমাদের সকলের নেতা। তার অনুষ্ঠানে আমি গেলাম.. এত বড় সাহস! কয়েকটা গর্ধ গদ্দার এবং উগ্র গর্ধ ধর্মান্ধ প্রধানমন্ত্রীর সামনে আমার টিজ করছে। ওরা আমায় চেনে না, আমায় যদি কোন মা-বোনেরা বাসন মেজে দেওয়ার কথা বলে আমি তাই করে দেবো কিন্তু আমায় যদি বন্দুক দেখিয়েছো তবে আমি তোমাদের বন্দুকের সিন্দুক দেখাবো। কারণ আমি সত্যি কারের বন্দুকে বিশ্বাস করি না, আমি রাজনীতিতে বিশ্বাস করি, রাজনীতি দিয়ে আমি এর প্রত্যুত্তর নেবো।’ 

তিনি আরও বলেন ‘আমি সেদিন বলেছিলাম যে আপনারা (প্রধানমন্ত্রী, সংস্কৃতিমন্ত্রী, বন প্রতিমন্ত্রী) এসেছেন বলে আমি ধন্য। আপনারা যদি নেতাজীর কথা বলতেন আমি স্যালুট করতাম কিন্তু তা না করে যা করা হয়েছে বাংলাকে অপমান করা হয়েছে, নেতাজীকে অপমান করা হয়েছে। এর আগেও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সাঁওতাল নেতা বীরসা মুন্ডাকে অপমান করা হয়েছে।’ 

রাজ্যটির ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতার অভিমত ‘তৃণমূল কংগ্রেস ছিল, আছে, থাকবে। বিজেপির মতো আমাদের অত রুপি নেই। কিন্তু আমরা দলের পুরেনো পতাকা কেঁচে নিয়ে বা পত্রিকা কেটে আমাদের দলের পোস্টার করা হবে, দরকার হলে রক্ত দিয়ে কাজ করবো কিন্তু আমাদের শপথ বিজেপিকে, বহিরাগতদের আমরা এই বাংলায় ঢুকতে দেবো না। 
বিজেপিকে বহিরাগত জ্বালাও পার্টি বলেও কটাক্ষ করে মমতা বলেন ‘যারা বাইরে থেকে বাক্স-প্যাটরা নিয়ে এসে বলছে আমরা বাংলাকে গুজরাট বানিয়ে দেবো। কখনও বলছে বাংলার মেরুদণ্ড ভেঙে দেবো, কখনও বলছে হয় জেলে থাকো, নয় ঘরে থাকো। আমি জেলে থাকতে রাজি আছি কিন্তু বিজেপির ঘরে থাকতে রাজি নই। আর যতদিন বেঁচে থাকবো মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকবো। মাথা যদি নিচু করতে হয় জনগণের কাছে তা করবো কিন্তু বিজেপির কাছে মাথা নত করতে পারবো না। তার চেয়ে ভাল নিজের গলা নিজে কেটে দেবো। তাতে আমাকে যেখানে ইচ্ছে পাঠাতে পারে।’

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:৩৪
প্রিন্ট করুন printer

এবার ভারতের টি-শার্টে শামীম ওসমানের ‘খেলা হবে’!

অনলাইন ডেস্ক

এবার ভারতের টি-শার্টে শামীম ওসমানের ‘খেলা হবে’!
সংগৃহীত ছবি

নারাণগঞ্জের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের একটি জনপ্রিয় বক্তব্য ‘আসো খেলা হবে’। এই জনপ্রিয় বক্তব্যটি দেশের গণ্ডি পেরিয়ে এখন ভারতের ভোটের সুপারহিট স্লোগানে রূপ নিয়েছে। তার প্রমাণ হিসেবে এবার ভারতের বাজারের টি-শার্টে লেখা উঠেছে ‘খেলা হবে’।

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যে ভোটের উত্তাপ বাড়ছে। এর মধ্যেই ‘খেলা হবে’ স্লোগানটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সবার কাছে। রাজনীতির ময়দান এবং অরাজনৈতিক ময়দান সব জায়গায় সকলেই বলছে, ‘খেলা হবে’। এবার সেই ‘খেলা হবে’ স্লোগান ঢুকে পড়েছে ভারতের ফ্যাশন জগতেও। দেশটির পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া শহরে বিক্রি হচ্ছে ‘খেলা হবে’ লেখা টি শার্ট।

রাজনৈতিক লড়াইয়ের ময়দানে দলগুলো ভোটপ্রচারের অস্ত্র হিসেবে প্রতিবছর নতুন-নতুন কৌশল নিয়ে থাকে। সেই সঙ্গে দেওয়াল লিখনেও থাকে নানা চমক। কোনো রাজনৈতিক দল দেওয়াল লিখনে কী চমক দিবে তার দিকে তাকিয়ে থাকে আমজনতা। 

তবে এ বছর ভোটপ্রচারে ‘খেলা হবে’ স্লোগানটি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আর তাই তো ‘খেলা হবে’ স্লোগানকে ব্যবসার হাতিয়ার করছেন ভারতের পোশাক ব্যবসায়ীরা। তার অংশ হিসেবে কাটোয়া শহরে ‘খেলা হবে’ প্রিন্টের টি শার্ট কেনার হিড়িক পড়েছে নতুন প্রজন্মের ক্রেতাদের মধ্যে। 

কাটোয়া শহরের পানুহাটের পোশাক ব্যবসায়ী রিপন দেবনাথ বলেন, ‘বাজারে যখন যেটা বেশি চলে সেটাকে ডিজাইনের মধ্যে তুলে ধরার চেষ্টা করি। এতে তরুণদের কাছে বিষয়টি আকর্ষিত হয়। তাই এবার ‘খেলা হবে’ এই স্লোগানটি বেছে নেওয়া হয়েছে। কারণ, সম্প্রতি ‘খেলা হবে’ শব্দটি ব্যপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।’

রিপন আরও জানান, ইতোমধ্যেই এই টি-শার্টের জন্য অনলাইনে প্রচুর অর্ডার আসছে। কাটোয়া ছাড়াও অন্যান্য শহর থেকেও এই টি শার্টের অর্ডার দিচ্ছেন বিক্রেতারা। ব্যবসায়ীরা আশা করছেন এই ভোটের মৌসুমে ‘খেলা হবে’ টি-শার্টের চাহিদা আরও বাড়বে। ২০০-৩০০ টাকা খরচ করলেই পাওয়া যাচ্ছে এই টি-শার্টটি।

উল্লেখ্য, প্রায় পাঁচ বছর আগে নারায়ণগঞ্জের একটি জনসভায় একটি ডেডলাইনকে সামনে রেখে শামীম ওসমান বলেছিলেন, ‘২৪ তারিখের পরে আসো খেলব, খেলা হবে।’ তারপর এই ‘খেলা হবে’ সংলাপটি দেশের সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রেন্ড হয়ে যায়।

সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৮:২৯
প্রিন্ট করুন printer

মঞ্চে বক্তব্য দিচ্ছেন বিজেপি নেতারা, মাঠে চেয়ারগুলো ফাঁকা!

অনলাইন ডেস্ক

মঞ্চে বক্তব্য দিচ্ছেন বিজেপি নেতারা, মাঠে চেয়ারগুলো ফাঁকা!

পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ সদস্য অভিনেত্রী নুসরাত জাহান একটি ছবি টুইটারে শেয়ার করেছেন। শেয়ার করা ছবিতে দেখা যাচ্ছে,

মঞ্চে বক্তব্য দিচ্ছেন বিজেপির এক নেতা। তার পাশে আরও অনেক নেতা। কিন্তু যাদের উদ্দেশে বক্তব্য তারা নেই। চেয়ারগুলো ফাঁকা। গোটা মাঠে একজন মাত্র দর্শক। আরেকজন মঞ্চের পাশে। তিনি মাইক সার্ভিসের লোক।

আলোচিত এই ভিডিওটি পশ্চিমবঙ্গে ভাইরাল হয়েছে। নুসরাত জাহান গেরুয়া শিবিরকে লক্ষ্য করে এ দৃশ্য শেয়ার করেন। ছবির ক্যাপশনে জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী লেখেন, ‘ইয়ে বিজেপি ফর বেঙ্গল হ্যায়। ইয়ে উনকি জনসভা হ্যায়। ঔর ইঁহা ইনকি পাওরি হো রহি হ্যায়।’

হিন্দিতে ক্যাপশন লেখার কারণ হলো-অধিকাংশ বিজেপিই হিন্দি ভাষার লোক। কিছু দিন আগে পাকিস্তানি মডেল দানানীর একটি ভিডিওতে একদম বিদেশি উচ্চারণে পার্টিকে ‘পাওরি’ উচ্চারণ করে বলেছিলেন, ‘এই আমি। এটা আমার গাড়ি। আর এখানে পার্টি চলছে।’

রাতারাতি ভাইরাল সেই ভিডিওতে ইউটিউবার যশরাজ মুখাটে ‘ফান এলিমেন্ট’ যোগ করতেই রমরমিয়ে চলছে ‘পাওরি ভার্সান’।

যুব সম্প্রদায়ের নজর টানতে তাই শাসকদলের হাতিয়ার নতুন ‘পাওরি ভার্সান’। ঠিক যেভাবে বাম দল ২৮ ফেব্রুয়ারির বিগ্রেড মিটিংয়ের প্রচারে দ্বারস্থ হয়েছে ‘টুম্পা সোনা’র।

সূত্র: আনন্দবাজার।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৪:৫৩
আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৫:৩৭
প্রিন্ট করুন printer

জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে ই-স্কুটারে নবান্নে গেলেন মমতা

অনলাইন ডেস্ক

জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে ই-স্কুটারে নবান্নে গেলেন মমতা

পেট্রোল, ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে অভিনব কর্মসূচি পালন করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। এদিন তিনি ইলেকট্রিক বাইকে করে নবান্নে যান। গন্তব্যে পৌঁছে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির জন্য কেন্দ্রের বিজেপি সরকার এবং নরেন্দ্র মোদিকে দায়ী করলেন মুখ্যমন্ত্রী। মোদিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন স্টেডিয়ামের নাম বদল নিয়েও।

আজ বৃহস্পতিবার হাজরা মোড় থেকে বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের ইলেকট্রিক বাইকের পিছনে বসে যাত্রা শুরু করেন মুখ্যমন্ত্রী। তার গলায় ঝোলানো ছিল জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ সংক্রান্ত পোস্টার। দুপুর ১২টা নাগাদ নবান্নে পৌঁছে যায় বাইক। সফরের সঙ্গে অন্য বাইকে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তারক্ষীরা।

নবান্নের বাইরে এক সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় সরকারকে উদ্দেশ্য করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ভোটের সময় এলেই বলে বেড়ান গ্যাস দেব। ওটা সত্যি সত্যি গ্যাস। মানে গ্যাস বেলুনের মতো। কিন্তু সেই রান্নার গ্যাসের দাম ৮০০ টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে। এটা ভাঁওতা ছাড়া আর কিছুই নয়। আম জনতার নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষ কোথায় যাবেন?’’

বুধবারই গুজরাটের মোতেরা স্টেডিয়ামের নাম পাল্টে প্রধানমন্ত্রীর নামে হয়েছে ‘নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম’। এই নিয়ে এ দিন মুখ্যমন্ত্রীর কটাক্ষ, ‘স্টেডিয়ামের নামও পাল্টে দিয়েছে। কোনওদিন হয়তো দেশের নামটাও পাল্টে দেবেন।’ এই প্রসঙ্গেই বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বেসরকারিকরণের নীতির তীব্র সমালোচনা করেন মমতা।

যেভাবে নবান্নে গিয়েছেন, ফিরবেনও সেই ইলেকট্রিক স্কুটারেই, নবান্নে ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে জানিয়েছেন, আগেও প্রতিবাদ হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার তিনি নিজে শামিল হয়েছেন প্রতিবাদে। শুক্রবার থেকে আরও জোরালো প্রতিবাদে রাস্তায় নামবেন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:২৫
প্রিন্ট করুন printer

'মোদির জন্য ট্রাম্পের চেয়ে খারাপ পরিণতি অপেক্ষা করছে'

অনলাইন ডেস্ক

'মোদির জন্য ট্রাম্পের চেয়ে খারাপ পরিণতি অপেক্ষা করছে'
মমতা ব্যানার্জি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের সবচেয়ে বড় দাঙ্গাবাজ। বিধানসভা নির্বাচনে আমি থাকবো গোলকিপার আর বিজেপি একটা গোলও করতে পারবে না। নরেন্দ্র মোদির জন্য সদ্য পরাজিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে খারাপ পরিণতি অপেক্ষা করছে।

বুধবার হুগলির নির্বাচনী জনসভায় ক্ষমতাসীন বিজেপির কঠোর সমালোচনা করে তিনি এসব কথা বলেন।  

মমতা বলেন, কথায় কথায় বলে, তৃণমূল কংগ্রেস তোলাবাজ। আর আপনি কী? আপনি তো সব থেকে বড় দাঙ্গাবাজ। 

তোলা কী? তোলা তো তাকে বলে যারা ৫ টাকা, ১০ টাকা তোলে তাকে বলে তোলাবাজ। আর যারা কোটি কোটি টাকা তোলে তাদের কী বলে?

দুদিন আগে হুগলির সাহাগঞ্জের সভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ব্যাপক কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার সেই জায়গা থেকেই জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে মমতা বলেন, ‌এই যে সবাই বলছে খেলা হবে। ২০২১ সালে একটাই খেলা হবে। একদিকে তৃণমূল কংগ্রেস, অন্যদিকে সিপিআইএম–কংগ্রেস–বিজেপি। আমি থাকব গোলরক্ষক। একটা গোলও করতে পারবে না।  

তবে বাংলার এই খেলায় যদি বিজেপি হেরে যায়, তাহলে বুঝে নিতে হবে সারা ভারত থেকেই ওদের বিদায় নিতে হবে।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:২৩
প্রিন্ট করুন printer

বাংলাকে মাটিতে বিজেপিকে কবর দিন : মমতা

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাকে মাটিতে বিজেপিকে কবর দিন : মমতা
ফাইল ছবি

বাংলাকে বাঁচতে দিন, আর এই মাটিতে বিজেপিকে ভালো করে কবর দিন বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল সভানেত্রী মমতা ব্যানার্জি। তিনি বলেন, এদেশে দুটো নেতা আছে, একটা হচ্ছে হোঁদল কুতকুত, অন্যটা কিম্ভূত কিমাকার! গায়ের জোর দেখাচ্ছেন! আমাদের ঘরের মা-বোনেদের বলছেন কয়লা চোর! আর তোমার সারা গায়ে ময়লা লেগে আছে! নোটবন্দির টাকা কোথায় গেল, নরেন্দ্র মোদি জবাব দাও। 

আজ বুধবার হুগলীতে দলীয় সবামেশে বক্তব্য রাখার সময়ে ওই মন্তব্য করেন মমতা। এসময় মূলত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে টার্গেট করে তাদের তীব্র সমালোচনা ও কটাক্ষ করেন তিনি।

মমতা বলেন, ‘আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই। অন্য পার্টির লোককে তোলাবাজ বলবেন? আর আপনার পার্টি কী ওয়াশিং মেশিন? আমি এক পয়সা মাইনে নিই না। আমি মানুষকে সেবা করি, এটাই আমার কাজ। এত বড় সাহস! মা বোনেদের বলছেন কয়লা চোর? আর আপনারা কয়লা চোরের হোটেলে থাকছেন। আপনারা কী ভাবেন, আমি জানি না?’

বিজেপি নেতাদের টার্গেট করে তিনি বলেন, ‘গুজরাট বাংলা শাসন করবে না। বাংলাই বাংলা শাসন করবে। এক একটা লুটেরা! কারও কান কাটা, কারও নাক কাটা, কারও চোখ কাটা, কারও পা কাটা। দুর্গাপুরে ওরা একটা হোটেল বুক করেছে। ওই হোটেল কোন কয়লা মাফিয়ার জিজ্ঞেস করুন। একাট দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে মিথ্যে কথা বলেন! আমি প্রধানমন্ত্রী শব্দটা বলতে চাই না। কারণ উনি আজ আছেন, কাল চলে যাবেন। এই দেশে এখন দু’টো নেতা। একটা নেতা হচ্ছে হোদল কুতকুত, আরেকটা নেতা  হচ্ছে কিম্ভূতকিমাকার!গায়ের জোর দেখাচ্ছে! 

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর