Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২৩:১৫

ধর্ষণের পর থানায় বিয়ে

প্রশাসন কী করছে দেখছে হাই কোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রশাসন কী করছে দেখছে হাই কোর্ট

গণধর্ষণের ঘটনায় মামলা না নিয়ে বরং গণধর্ষণের শিকার গৃহবধূর সঙ্গে পাবনা সদর থানায় অভিযুক্ত এক ধর্ষণকারীর বিয়ে  দেওয়ার ঘটনা নিয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন হাই কোর্টের নজরে আনা হয়েছে। গতকাল সুপ্রিম কোর্টের তিন আইনজীবী ঘটনাটি বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন হাই কোর্ট বেঞ্চের নজরে আনেন। ওই তিন আইনজীবী হলেন জামিউল হক ফয়সাল, গাজী ফরহাদ রেজা ও রোহানী সিদ্দিকা। আইনজীবী ফয়সাল সাংবাদিকদের বলেন, ওই ঘটনায় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ আদালতের নজরে এনেছিলাম। আদালত বলেছে, যেহেতু এটা প্রশাসনিক বিষয় এবং কর্তৃপক্ষ অ্যাকশন নিচ্ছে, দেখেন প্রশাসন কী ব্যবস্থা নেয়। যদি প্রশাসনের ব্যবস্থা সন্তোষজনক না হয় তখন আপনারা আগামী সপ্তাহে আসেন আমরা দেখব। আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। জানা গেছে, গত ৬ সেপ্টেম্বর রাত ১০টার দিকে পাবনা সদর থানায় ওই বিয়ের ঘটনা ঘটে। তবে বিয়ের ঘটনা স্বীকার করলেও থানায় বিয়ে হয়নি বলে দাবি করেন ওসি ওবাইদুল হক।

ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূর লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ওই গৃহবধূর স্বামী ও তিন সন্তান রয়েছে। তারা সদর উপজেলার দাপুনিয়া ইউনিয়নের যশোদল গ্রামে থাকেন। ২৯ আগস্ট রাতে একই গ্রামের আকবর আলীর ছেলে রাসেল আহমেদ ও তার চার সহযোগী ওই গৃহবধূকে অপহরণ করে। অপহরণকারীরা টানা চার দিন অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে ওই গৃহবধূ পালিয়ে এসে নিজেই বাদী হয়ে পাবনা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। তবে পুলিশ সেই অভিযোগ মামলা হিসেবে নথিভুক্ত না করে ওই নারীকে থানা হেফাজতে রেখে থানায় রাসেলের সঙ্গে বিয়ে দেয় বলে ভিকটিমের পরিবারের অভিযোগ। বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়।


আপনার মন্তব্য