শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:১৯

কেরানীগঞ্জে তরুণীর হাত-পা বাধা বস্তাবন্দী লাশ

বগুড়ায় রোমহর্ষক জবানবন্দি শিশু সাদিয়াকে গলা কেটে হত্যার

প্রতিদিন ডেস্ক

কেরানীগঞ্জে তরুণীর হাত-পা বাধা বস্তাবন্দী লাশ

ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলায় অজ্ঞাত পরিচয় এক তরুণীর হাত-পা বাঁধা বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি শাহ জামান জানান, গতকাল বিকালে উপজেলার কদমতলীর শুভাঢ্যা খাল থেকে  লাশটি উদ্ধার করা হয়। খবর : বিডিনিউজ।

গোলাপি রঙের সালোয়ার-কামিজ পরা ওই তরুণীর বয়স আনুমানিক ২০ বছর জানালেও তার পরিচয় জানাতে পারেননি ওসি। শাহ জামান বলেন, বিকালে খালে ময়লা আবর্জনার সঙ্গে একটি বস্তা ভাসতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে পুলিশে খবর দেয়। লাশ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘৪-৫ দিন আগের লাশটি গলে যাওয়ায় নিহতের শরীরের কোথাও কোনো আঘাতের চিহ্ন আছে কি না তা শনাক্ত করা যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।’ হত্যাকারীরা লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে হাত-পা বেঁধে বস্তাবন্দী করে খালে ময়লা আবর্জনার মধ্যে ফেলে দিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

বগুড়ায় রোমহর্ষক জবানবন্দি শিশু সাদিয়াকে গলা কেটে হত্যার : বগুড়া থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক জানান, বগুড়ার শিবগঞ্জে ধর্ষণের পর শিশু সাদিয়া খাতুনকে (৮) ছুরি দিয়ে জবাই করে মৃত্যু নিশ্চিত করে তারই আপন চাচাতো ভাই নাইম ইসলাম (১৫)। পরে পাশের আলু খেতে লাশ ফেলে সে পালায়। গতকাল বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আসমা মাহমুদের কাছে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে নাইম এ কথা জানায়। নাইম শিবগঞ্জ উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের নান্নু মিয়ার ছেলে ও ভরিয়া  উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। সম্পর্কে সে শিশু সাদিয়ার আপন চাচাতো ভাই। অন্যদিকে নিহত সাদিয়া খাতুন উপজেলার তালিবপুর পূর্বপাড়া গ্রামের দিনমজুর শাহিনুর রহমানের মেয়ে। সে কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

 মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সনাতন সরকার আদালতে ১৬৪ ধারায় নাইমের দেওয়া জবাববন্দি উল্লেখ করে জানান, গত বুধবার রাতে তালিবপুর গ্রামে এক পীরের আস্তানায় জিকিরের আয়োজন করা হয়।

সাদিয়া অন্যদের সঙ্গে সেখানে যায়। সন্ধ্যার দিকে ফেরার সময় সাদিয়াকে বাড়ি পৌঁছানোর কথা বলে নাইম তাকে পাশের একটি কলা খেতে নিয়ে যায়। সেখানে সাদিয়াকে সে ধর্ষণ করে। এতে সাদিয়া জ্ঞান হারায়। তখন নাইম বাড়ি গিয়ে একটি ছোরা নিয়ে এসে সাদিয়াকে জবাই করে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে। এরপর লাশ পাশের আলু খেতে ফেলে রাখে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর