শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১ জুন, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১ জুন, ২০২০ ০০:০২

চট্টগ্রাম সিটিসহ স্থগিত নির্বাচন নিয়ে তড়িঘড়ি করবে না ইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম সিটিসহ স্থগিত নির্বাচন নিয়ে তড়িঘড়ি করবে না ইসি

স্থগিত থাকা সংসদীয় আসনের উপনির্বাচন, চট্টগ্রাম সিটি ও বিভিন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আজ বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সরকারি অফিস খোলার দ্বিতীয় দিনে ঢাকার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আজ বিকাল ৩টায় নির্বাচন কমিশনের ৬৩তম এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা। তবে বৈঠকে সব নির্বাচন কমিশনার থাকবেন কি না তা নিশ্চিত করতে পারেনি ইসি সচিবালয়। করোনাভাইরাস মহামারীর বিস্তার রোধে ৬৬ দিন বন্ধ থাকার পরে গতকাল খুলেছে ইসি সচিবালয়। প্রথম দিনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, একজন নির্বাচন কমিশনার, ইসির সিনিয়র সচিব ও কর্মকর্তারা অফিস করেছেন। তবে করোনা সংক্রমণের মাঝে অফিস খোলায় কর্মকর্তারা ঝুঁকি ও শঙ্কার কথা জানিয়েছেন।

ইসি উপসচিব শাহ আলম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ বৈঠক আহ্বান করা হয়। চিঠিতে বৈঠকের ছয়টি আলোচ্য সূচি রয়েছে। এর মধ্যে ক. গণপ্রতিনিধিত্ব আইন, ২০২০-এর খসড়া বিল অনুমোদম; খ. রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন আইন প্রণয়ন; গ. নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রণীত আইন বাংলায় প্রণয়ন; ঘ. জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের স্থগিত নির্বাচনের ওপর আলোচনার ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ; ঙ. জাতীয় সংসদের সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ আইন আইন ২০২০ এবং চ. বিবিধ বিষয় রাখা হয়েছে। ইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সংসদের উপনির্বাচন ও সিটি করপোরেশনের নির্বাচন নিয়ে এখন আর তড়িঘড়ি করছে না ইসি। করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে নির্ধারিত সময়ে প্রথম দফায় ভোট করতে না পারায় ‘দৈব-দুর্বিপাকের কারণে’ সাংবিধানিকভাবে পরবর্তী ৯০ দিন সময় রয়েছে নির্বাচন কমিশনের হাতে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন এবং বগুড়া-১, যশোর-৬ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচন হওয়ার কথা ছিল মার্চে। তবে ভোটের নির্ধারিত তারিখের এক সপ্তাহ আগে তা স্থগিত করা হয়। এর মধ্যে বগুড়া ও যাশোরের দুই আসনের উপনির্বাচন এপ্রিলের মধ্যে শেষ করার বাধ্যবাধতা ছিল। এ ছাড়া সংসদ সদস্যের মৃত্যুতে ঢাকা-৫ ও পাবনা-৪ আসনও ইতিমধ্যে শূন্য হয়েছে। আসন শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন করার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে একজন নির্বাচন কমিশনার বলেন, এসব নির্বাচন করার জন্যে ৯০ দিন সময় ছিল, সেই সময় পার হয়েছে। এখন করোনাভাইরাস মহামারী চলছে; এটা দুর্যোগ। সংবিধান ও নির্বাচনী আইনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে আরও ৯০ দিন সময় দিয়েছে ভোটের জন্য। সুতরাং, কোনো তাড়া নেই আমাদের। আজকের বৈঠকে ভোট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। তিনি বলেন, ইসির হাতে থাকা ৯০ দিনেও  যদি নির্বাচন সম্ভব না হয়, পরে রাষ্ট্রপতি বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের কাছে পাঠাবেন। দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণের খবর প্রকাশ করা হয় ৮ মার্চ। এ নিয়ে উদ্বেগ আর রোগ বিস্তারের শঙ্কার মধ্যেই গত ২১ মার্চ ঢাকা-১০, গাইবান্ধা-৩ ও বাগেরহাট-৪ আসনের উপনির্বাচন সেরে ফেলে ইসি।

 


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর