শনিবার, ২৪ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ টা

বঙ্গবন্ধু পরিবারের নামে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র চেয়ারম্যানের কোরবানি

নিজস্ব প্রতিবেদক

বঙ্গবন্ধু পরিবারের নামে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র চেয়ারম্যানের কোরবানি

শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্রের চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীর মহান আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টির লক্ষ্যে হজরত মুহাম্মদ (সা.) ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের নামে কোরবানি দিয়েছেন। এ পর্যায়ে তিনি গত বুধবার পবিত্র ঈদুল আজহার দিন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় দুটি গরু কোরবানি দেন।

জানা গেছে, দুটি গরুই প্রথমে হজরত মুহাম্মদ (সা.), এরপর যথাক্রমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শেখ ফজিলাতুন নেছা, শেখ রাসেল, শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার নামে উৎসর্গ করা হয়। এ ছাড়া একটি গরু শেখ জামাল ও অন্যটি শেখ কামালের নামে উৎসর্গ করেছেন শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্রের চেয়ারম্যান। সায়েম সোবহান আনভীর বলেন, গরু দুটি কোরবানির মাধ্যমে মহান রব্বুল আলামিনের দরবারে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শেখ ফজিলাতুন নেছা, শেখ রাসেল, শেখ জামাল ও শেখ কামালের  আত্মার মাগফিরাত ও নাজাত কামনা করা হয়েছে। গরু দুটি কোরবানির উসিলায় আল্লাহর দরবারে প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার সুরক্ষা, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়েছে। তিনি বলেন, এবার প্রথমবারের মতো তাঁদের নামে দেওয়া কোরবানির গোশত দুস্থদের মধ্যে বিলিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ধারা অব্যাহত থাকবে। কারণ মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) শান্তি ও মানবকল্যাণের পথপ্রদর্শক। অন্যদিকে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের দিয়েছেন স্বাধীনতা। দেশ ও জনগণের কল্যাণ করতে গিয়ে সপরিবারে নির্মম হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছেন। তাঁর সুযোগ্য কন্যা অক্লান্ত পরিশ্রম করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তাই তাঁদের নামে কোরবানি দিতে পারায় আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। সায়েম সোবহান আনভীর বলেন, তিনি এভাবে সারাজীবন গরিব, দুঃখী ও অনাথ মানুষের পাশে থেকে তাদের সঙ্গে খুশি ভাগাভাগি করে ঈদকে অর্থবহ করে তুলতে চান।

দিনমজুর আবদুল জব্বার বলেন, ‘করোনার কারণে আয়-রোজগার নাই। বউয়েরও বাসাবাড়িতে কাজ নাই। বউ-বাচ্চা নিয়ে খাওয়া-দাওয়ায় খুব কষ্টে আছি। ঈদের দিনও যে বাচ্চাদের নিয়ে ভালো খাওয়ার সামর্থ্য নাই। তাই মন ভালো ছিল না। বস্তিতে খবর আসে বসুন্ধরায় মাংস দিচ্ছে। গিয়ে বেশ কিছু  গোশত নিয়ে এলাম। আল্লাহ শেখ রাসেলের চেয়ারম্যানরে হায়াত দারাজ করুন।’ বস্তিবাসী সকিনা বেগম কাজ করতেন বাসাবাড়িতে। স্বামী দুই সন্তানসহ তাকে রেখে পালিয়ে যান। প্রতি বছর কোরবানির ঈদের দিন মেয়েদের মুখের দিকে তাকালে মন খারাপ হয়ে যেত। তিনি বলেন, ‘এবার সেই কষ্ট  নাই। শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্রের চেয়ারম্যান সবাইকে অনেক গোশত দিছেন। আল্লাহ উনারে সহি সালামতে রাইখো।’