৩০ জুলাই, ২০২১ ০৪:২৯

প্রেমার উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প

অনলাইন ডেস্ক

প্রেমার উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প

উদ্যোক্তা রওনক আশরাফী প্রেমা

চাকরি নয়, অন্য কিছু করতে হবে; এমন চিন্তা থেকেই উদ্যোক্তা হবার স্বপ্ন। রওনক আশরাফী প্রেমার স্বপ্নের শুরু ২০১২ সালে। তবে ব্যবসা শুরু হয়েছিল ২০১৬ সালে। শপিং গ্লোরিষ্ট নামে এফ-কর্মাস দিয়ে। দেড় লাখ টাকা পুঁজি নিয়ে শুরু। তখন ৫৫০ টাকা গড়ে প্রায় ৪৫টি অর্ডার পেয়েছিলেন। এই ৪৫ অর্ডারই এগিয়ে যাবার প্রেরণা ছিল প্রেমার। 

২০২১ সালে এসে সে তালিকা বেশ লম্বা হয়েছে। ১৭ হাজার কাস্টমার যুক্ত হয়েছেন শপিং গ্লোরিষ্টের সঙ্গে। প্রতিমাসের হাজার খানিক কাস্টমারকে পণ্য ডেলিভারি দিচ্ছেন প্রেমা। তবে এখন শুধু কাষ্টমাইজড আইটেমই নয়, যুক্ত হয়েছে থাই অরজিনাল কসমেটিকসহ আরও অনেক কিছু।

রওনক আশরাফী প্রেমা উদ্যোক্তা হয়ে উঠার আগে চাকরি করতেও চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু সেসবে মন টানেনি। পড়াশোনা শেষ করে তাই ব্যবসাতেই মনোযোগী হয়ে উঠেন। 

রওনক আশরাফী প্রেমা নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বলেন, অনলাইন পেইজের মাধ্যমে হোলসেলের বিজনেস করছি। আমার ফিক্সড কিছু পেইজসহ অনেক শপমালিক আছেন। পাশাপাশি অনেক কর্পোরেট ক্লাইন্টও আছেন, যাদের চাহিদা অনুযায়ী প্রোডাক্ট দিচ্ছি। গত বছর থেকে করোনার জন্য অনলাইনের রিটেল সাইট অফ রেখেছি। করোনার কারণে নানা ধরনের সমস্যা হচ্ছে। পরিস্থিতি ভালো হলে অনলাইনে রিটেল কাজ শুরু করব। ব্যবসার শুরুতে ২টি আইটেম নিয়ে কাজ শুরু করি। কিন্তু আস্তে আস্তে ভ্যারাইটিজ আইটেম নিয়ে কাজ করতে হয়েছে। স্পেশালি হোলসেল বেশি ফোকাস করা শুরু করেছি। যাই হোক, ব্যবসার পাশাপাশি আরও বেশ কিছু উদ্যোগের সঙ্গে জড়িয়ে পরেছি। ই-কর্মাস সাইটের লাইভ কর্মাস নিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পার্টটাইম পরামর্শক হিসেবে কাজ করছি। পাশাপাশি বাংলাদেশে একটি সফটওয়্যার কোম্পানিতে হেড অব এইচআর হিসেবেও কাজ করছি। এছাড়া একটি কানাডিয়ান ক্লাউড কিচেন কোম্পানির সঙ্গে কাজ শুরু কবর। সেখানে ইতালিয়ান এবং ইন্ডিয়ান ফুড আইটেম এতে প্রাধান্য পাবে। বাংলাদেশে খুব তাড়াতাড়ি কাজ শুরু হবে প্রতিষ্ঠানটির। 

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে রওনক আশরাফী প্রেমা বলেন, ইচ্ছা আছে করোনা পরিস্থিতি ভালো হলে আউটলেট দেবো বাংলাদেশে। পাশাপাশি নিজের উদ্যোগে নারীদের নিয়ে এমন কোনো প্রতিষ্ঠান করব- যেখানে যেসব নারীরা ব্যবসা করতে চায়, যাদের কোনো সাপোর্ট নেই, কাউকে চিনে না, ভয় পাচ্ছে, কিভাবে কি করবে তাদের প্রাধান্য দেয়া হবে। এছাড়া কিভাবে কাস্টমার হ্যান্ডেল করতে হয় এমন বিষয়গুলো নিয়ে ট্রেনিং দেয়া, যেন তারা ভালো মতো প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজেরাই কিছু একটা করতে পারে।


বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ

এই রকম আরও টপিক