শিরোনাম
প্রকাশ : ১৮ এপ্রিল, ২০১৯ ২০:৫৩
প্রিন্ট করুন printer

নূরের ভারত ছাড়ার নির্দেশে যা বললেন তৃণমূলের মদন

দীপক দেবনাথ, কলকাতা

নূরের ভারত ছাড়ার নির্দেশে যা বললেন তৃণমূলের মদন
মদনের সঙ্গে প্রচারণায় নূর

পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেতা মদন মিত্র বলেছেন, নিজের মায়ের মৃত্যুর পরও এতটা কষ্ট পায়নি, যতটা নূরের ভারত ছাড়ার নির্দেশে পেয়েছি। 

বৃহস্পতিবার উত্তর চব্বিশ পরগনার ব্যারাকপুরে একটি অনুষ্ঠান শেষে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশের বিষয়ে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, 'আমি সত্যি কথা বলছি-যে দুই দিন আগে আমার মায়ের মৃত্যুদিন ছিল। যদিও তিনি অনেকদিন আগেই মারা গেছেন। কিন্তু তাতে যতখানি কষ্ট পাচ্ছি তার থেকেও বেশি কষ্ট পাচ্ছি নূরের ঘটনায়। তার কারণ, নূর আমার নিজের ভাইয়ের মতো। দ্বিতীয়ত ও আমার প্রচারে আসেনি। ও আমার বাড়িতে এসেছিল। আমরা মজা করবো, ঘুরবো-ফিরবো-এই উদ্দেশ্য ছিল। ও আমার সঙ্গে দেখা করে।' 

তিনি আরও বলেন, 'তবে যিনি প্রার্থী নয়, তার হয়ে প্রচার করাটা যে নির্বাচন কমিশনের কাছে আইনত অপরাধ-এই বিষয়টি আমি জানতে পারলাম।’ 

এসময় তৃণমূল নেতার চারপাশে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন ব্যক্তিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, 'এদের মধ্যে যদি কোন বাংলাদেশি নাগরিক থাকেন এবং বলেন যে মদন মিত্রকে ভোট দিন-তবে ওদের দেশ থেকে চলে যেতে হবে। কারণ আমি তো প্রার্থী নই। তেমনি আমি যেমন প্রার্থী নই, তেমনি সৌগত রায়ও প্রার্থী নই। একজন প্রার্থী তখনই প্রার্থী হন-যখন তার প্রার্থীপদ গ্রহণ করা হয়। সেক্ষেত্রে সৌগত রায় এখনও তার মনোনয়পত্রই জমা দেন নি। তাছাড়া সৌগত রায় সেদিন ছিলই না।' 

নূরের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ের এই নির্দেশ প্রতিহিংসা পরায়ণতা কি না? উত্তরে মদন মিত্র বলেন, 'আমি কিছুই বলবো না। আমি শুধু বলবো এর থেকে দুঃখের কিছু হয় না। কারণ আমি মনে করি একজন ভালো অভিনেতা-সত্যজিত রায়, অপর্ণা সেন, শাবানা আজমি, গুলাম আলি এরা হলেন বিয়ন্ড দ্যা বর্ডার। আমি শুনেছি যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই নির্দেশ দিয়েছে।' 

যদিও নূরের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার কারণেই বাংলাদেশে ফেরত যাওয়ার নির্দেশ নিয়ে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘ভিসা না থাকলে তো ভারত ছাড়তেই হবে।’

উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই এই মদন মিত্র-এর সঙ্গেই গাজী নূরকে দেখা যায় একটি নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে। ‘দমদম’ লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সৌগত রায়ের সমর্থনে তারা ওই প্রচারণায় অংশ নিয়েছিলেন। এসময় তৃণমূল প্রার্থীকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানাতে শোনা যায়। প্রচারণার সেই ভিডিও মদন মিত্র নিজের ফেসবুকে আপলোড করার পরই বিতর্ক শুরু হয়। পরে নূরের রিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানায় বিজেপি। এরপর বিজেপির অভিযোগ দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়ে দেয়া হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নূরকে দ্রুত দেশে ফেরার নির্দেশ দেয়। 

বিডি প্রতিদিন/১৮ এপ্রিল ২০১৯/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৯ মে, ২০১৯ ০৯:০২
প্রিন্ট করুন printer

মোদির শপথে থাকছেন মমতা

অনলাইন ডেস্ক

মোদির শপথে থাকছেন মমতা
ফাইল ছবি

আগামীকাল দিল্লিতে দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রীর শপথ নিচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি। আর তাতে সৌজন্যের রাজনীতি মেনে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।

মঙ্গলবার (২৮ মে) রাজ্যের প্রশাসনিক ভবন নবান্নে মমতা ব্যানার্জি জানান, তার কাছে আমন্ত্রণপত্র এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো মেনে দিল্লিতে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে সম্ভবত থাকবেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমার কাছে আমন্ত্রণপত্র এসেছে। আজকেই (মঙ্গলবার) পেয়েছি। অন্যন্য রাজ্যের কয়েকজন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে নিয়েছি। সবাই মিলে ঠিক করেছি, আনুষ্ঠানিক শপথগ্রহণ, আমরা চেষ্টা করব সেখানে থাকার। আগামীকালের মধ্যেই পৌঁছাতে হবে’।

মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘সাংবিধানিক সৌজন্যতা রাখছি। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকার চেষ্টা করছি’।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৮ মে, ২০১৯ ১২:৫৮
আপডেট : ২৮ মে, ২০১৯ ১৩:৫২
প্রিন্ট করুন printer

পদত্যাগে অনড় রাহুল, ফের বৈঠকে বসছেন কংগ্রেস নেতারা

অনলাইন ডেস্ক

পদত্যাগে অনড় রাহুল, ফের বৈঠকে বসছেন কংগ্রেস নেতারা

সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে শোচনীয়ভাবে পরাজয়ের পর দলের সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন রাহুল গান্ধী। যদিও দল এর আগে তার সিদ্ধান্তের বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার সেই সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে আসেননি রাহুল।

ফলে বিষয়টি নিয়ে আবারও আলোচনা করতে কার্যনির্বাহী কমিটির আরেকটি বৈঠক আয়োজনের পরিকল্পনা করছে কংগ্রেস। খবর এনডিটিভির।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ সপ্তাহেই ওই বৈঠক হতে পারে। তবে রাহুলকে স্বপদে বহাল রাখা প্রশ্নে একেবারে হাল ছেড়ে দিতে রাজি নন কংগ্রেস নেতারা। পদত্যাগের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে রাহুলকে অনুরোধ করার কথাও ভাবছেন তারা।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৮ মে, ২০১৯ ০৯:৫৯
প্রিন্ট করুন printer

আজ বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন সেই মুকুলপুত্র শুভ্রাংশু

অনলাইন ডেস্ক

আজ বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন সেই মুকুলপুত্র শুভ্রাংশু
শুভ্রাংশু রায় (বামে) ও মুকুল রায়।

সম্ভবত আজই (মঙ্গলবার) বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন মুকুলপুত্র শুভ্রাংশু রায়।

সোমবার বিকাল সাড়ে ৫টার বিমানে মুকুল রায়ের সঙ্গে দিল্লি গেছেন সদ্য তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বীজপুরের বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়। দিল্লি গেছেন বীজপুর, কাঁচরাপাড়া এলাকার কয়েকজন তৃণমূল নেতা ও একাধিক কাউন্সিলর। সূত্র মারফৎ এমনটাই জানা যাচ্ছে।

রবিবার রাতে দফায় দফায় কাঁচরাপাড়ার রায় পরিবারে বৈঠকে বসেন পিতা-পুত্র। পারিবারিক বৈঠকের পরই সোমবার বিকালে মুকুল-শুভ্রাংশুর দিল্লি যাত্রা শুভ্রাংশুর বিজেপিতে যোগদানের ইঙ্গিত বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

উল্লেখ্য, শুভ্রাংশুর বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা কয়েকদিন ধরেই চলছে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে। বহুবার তৃণমূল নেতৃত্বের উপর ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিলেন শুভ্রাংশু। লোকসভা নির্বাচনের মুখে এক নির্বাচনী সভায় শুভ্রাংশু দলেরই শীর্ষ নেতৃত্বকে নিশানা করেছিলেন।

অন্যদিকে মুকুল রায় বলেছিলেন, “শুভ্রাংশুর বিজেপিতে যোগদান স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।” গত সপ্তাহে শুভ্রাংশুর সাংবাদিক বৈঠক এ জল্পনা আরও বাড়িয়েছে।

মুকুলপুত্র বলেন, “আমার কাছে সব দলের দরজা খোলা রয়েছে। নতুন ইনিংস শুরু করার সম্ভাবনা রয়েছে। হয় বসে যেতে পারি বা অন্য দলও হতে পারে।”

শুভ্রাংশু আরও বলেন, “যদি তৃণমূল বর্জন করে, তবে কোনও না কোনও দলে তো যেতে হবেই।”

আরও বলেছিলেন, “একটা ওপিনিয়ন নেওয়ার দরকার। বাড়িতে বলতে হচ্ছে, দলে কৈফিয়ৎ দিতে হচ্ছে, বন্ধুবান্ধবরাও বলছে, কী করছি। সকলকে কৈফিয়ৎ দিতে হচ্ছে। দল কি আমায় বিশ্বাস করে? প্রশ্নচিহ্নের সামনে দাঁড়িয়ে আমি।”

ওইদিনই দলবিরোধী মন্তব্যের জেরে শুভ্রাংশু রায়কে ৬ বছরের জন্য সাসপেন্ড করেছে তৃণমূল।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৮ মে, ২০১৯ ০৯:৪৭
আপডেট : ২৮ মে, ২০১৯ ১০:৫৩
প্রিন্ট করুন printer

এবারের ভোটে অঙ্ক নয়, জিতেছে রসায়ন: মোদি

অনলাইন ডেস্ক

এবারের ভোটে অঙ্ক নয়, জিতেছে রসায়ন: মোদি
নরেন্দ্র মোদি

নির্বাচনে জিতে প্রথমবার নিজের কেন্দ্রে গিয় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, এ বারের ভোটে ‘অঙ্ক নয়, জিতেছে রসায়ন’। 

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। 

২০১৪ সালের চেয়েও প্রায় এক লাখ বেশি ভোটে জিতেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ বার তার জয়ের ব্যবধান প্রায় ৪ লাখ ৭৯ হাজার ভোট। 

মোদির মতে, এ বারের ভোটে অঙ্ক হেরে গেছে। জিতে গেছে রসায়ন। এই সূত্রের মাধ্যমে কী বোঝাতে চাইলেন মোদি? রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ব্যাখ্যা, এ বার লোকসভা ভোট শেষ হওয়ার আগে পর্যন্ত মোদির জনপ্রিয়তা কমতে পারে বলেই ইঙ্গিত মিলছিল। বিজেপি তথা এনডিএ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেতে পারে বলেও আশঙ্কা ছিল। এমনকি, বুথফেরত সমীক্ষাতেও কিছুটা সেই ইঙ্গিতই ছিল। এত বিপুল জনসমর্থন নিয়ে যে ফের মোদি সরকার আসতে পারে, তা অনেকেই ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারেননি। কিন্তু ভোটের ফল কার্যত উল্টো কথা বলেছে। আগের বারের চেয়েও বেশি আসন নিয়ে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করছে বিজেপি তথা এনডিএ।

অন্য দিকে বলেছেন রসায়নের কথা। কী সেই রসায়ন? প্রথম রসায়ন, বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ-সহ দলের কর্মীদের সম্পর্ক এবং পরিশ্রম। তাদের সঙ্গে শীর্ষ নেতৃত্বের সম্পর্কের রসায়ন। অন্য দিকে দেশবাসীর মনোভাবের কথাও বলতে চেয়েছেন মোদি। 

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৮ মে, ২০১৯ ০৯:৪৬
আপডেট : ২৮ মে, ২০১৯ ১১:০৩
প্রিন্ট করুন printer

অমিতকেই উত্তরসূরি করার প্রস্তুতি মোদির

অনলাইন ডেস্ক

অমিতকেই উত্তরসূরি করার প্রস্তুতি মোদির
নরেন্দ্র মোদি (বামে) ও অমিত শাহ।

নিজে তো দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেনই, পাশাপাশি অমিত শাহকেও উত্তরসূরি হিসেবে পাকাপাকিভাবে গড়ে নিতে চাইছেন নরেন্দ্র মোদি। 

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য কে কে হবেন, তা নিয়ে বিজেপির অন্দরেও কৌতূহল বাড়ছে। এক বিজেপি নেতার কথায়, “মন্ত্রী কারা হবেন, তা কেবল নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ জানেন। কিন্তু মোদি তার নতুন সরকারে অমিতকে উত্তরসূরি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে দেবেন। এখনই হোক বা অদূর ভবিষ্যতে। অনেকে বলছেন মন্ত্রী হলে অমিতকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেওয়া হতে পারে। কিন্তু অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও তাকে দিতে পারেন মোদি।”

তবে মন্ত্রিসভায় অমিত শাহ গেলে দল কে সামলাবেন? এই প্রশ্নটির উত্তরই এখন খুঁজে বেড়াচ্ছেন বিজেপি নেতারা। আরএসএসের একাংশ অবশ্য চাইছে, অমিতই সংগঠনের দায়িত্বে থাকুন। তিনি যেমন নিজেও পরিশ্রম করতে পারেন, তেমনই অন্যদেরও চাঙ্গা করতে পারেন। তাকে মন্ত্রিসভায় নিয়ে গেলে নিত্যদিন সেই কাজটি অন্য কারও পক্ষে করা সম্ভব নয়। ফলে এই বিষয়টি নিয়ে দল ও সঙ্ঘে এখনও দ্বিধা কাটেনি। 

দলের এক সূত্রের মতে, রাজনাথ সিংহের পরে যখন নতুন সভাপতি বাছাই করা হচ্ছিল তখন অমিতের পাশাপাশি সঙ্ঘের তালিকায় জগৎপ্রকাশ নড্ডার নামও ছিল। প্রধানমন্ত্রী যদি এবার শেষ পর্যন্ত অমিতকে মন্ত্রিসভায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, সে ক্ষেত্রে নড্ডাকেও দলের সভাপতি করা হতে পারে। উত্তরপ্রদেশের ভোট পরিচালনার দায়িত্বও এ বারে তাঁকে দেওয়া হয়েছিল। নড্ডা নিজে প্রচারের আলো বাঁচিয়ে কাজ করার পক্ষপাতী। সভাপতি হওয়ার দৌঁড়ে নিতিন গডকড়ীকেও রাখতে পারে আরএসএস। কিন্তু সঙ্ঘের সঙ্গে ‘অতি-ঘনিষ্ঠতা’র কারণে মোদী-শাহ তা মেনে নেবেন কি না, সে বিষয়ে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।

বিজেপির এক নেতা বলেন, “পরিস্থিতি যা-ই হোক, অমিতই যে মোদির উত্তরসূরি হতে চলেছেন, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। চলতি বছরেই মোদি ৬৯ বছরে পা দেবেন। ৫ বছর পর ৭৫ ছুঁয়ে ফেলবেন। অমিত এখন ৫৫, পাঁচ বছরে তাঁর বয়স ৬০ বছর হবে। ফলে এখনই দল গুছিয়ে তাকে মন্ত্রিসভায় নিয়ে আসা হবে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে যেকোনও সময়ে, সরকারের চারটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটির দায়িত্ব তাকে দেওয়া হবেই।”

লোকসভা ভোটে প্রথমবার লড়বার সময়ে অমিতকে অবশ্য প্রশ্ন করা হয়েছিল, তিনি কি মন্ত্রী হতেই প্রার্থী হলেন? জবাবে বিজেপি সভাপতি বলেছিলেন, “মন্ত্রী হতে চাইলে রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবেও হতে পারতাম।”

অমিতের টিমের কিছু সদস্যের মতে, ব্যক্তিগতভাবে সরকারে যাওয়ার থেকে এখন সভাপতি থাকতেই পছন্দ করবেন তিনি।

অধিকাংশ নেতার দাবি, আগের বার দিল্লি নতুন ছিল মোদি-অমিতের কাছে। অরুণ জেটলিদের পরামর্শ নিতে হয়েছিল মন্ত্রী তালিকা চূড়ান্ত করতে। পাঁচ বছর পর আর তা প্রয়োজন নেই। তার উপরে জেটলি অসুস্থ। সুষমা স্বরাজও ভোটে লড়েননি। সে ক্ষেত্রে এই দুই নেতা মন্ত্রী না হলে, গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রাজনাথ সিংহের পাশাপাশি পীযূষ গয়ালের মতো নেতাও আসতে পারেন।

অনেকের মতে, অর্থ না পেলে বিদেশ মন্ত্রণালয়ের ভারও দেওয়া হতে পারে পীযূষকে। ওই মন্ত্রণালয়গুলোর দায়িত্বে থাকার অর্থ নিরাপত্তা বিষয়ক কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হওয়া। সেখানে গডকড়ীকে সামিল করা নিয়েও প্রশ্ন আছে।

তবে সুষমাকে যদি মন্ত্রী করতে হয় তাহলে তাকে রাজ্যসভায় জিতিয়ে আনা হবে। কারণ, অমিত শাহ, রবিশঙ্কর প্রসাদ, স্মৃতি ইরানির মতো রাজ্যসভার সাংসদেরা এবার লোকসভায় জিতে এসেছেন। রাহুল গাঁধীকে আমেথিতে হারানোর পর স্মৃতিকেও গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় দেওয়া হবে।

মন্ত্রিসভায় থাকছেন প্রকাশ জাভড়েকর, ধর্মেন্দ্র প্রধানরাও। আর আঞ্চলিক ভারসাম্য বজায় রেখে পশ্চিমবঙ্গ, কর্নাটক, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশসহ রাজ্যগুলোতে বাড়তি জোর তো থাকবেই। ভাবতে হবে শরিকদের কথাও। বিজেপির বিপুল ভোটে জয়ের পরে শরিকদের দর কষাকষির জায়গা অনেকটা দুর্বল হলেও তাদেরও গুরুত্ব দেবেন বিজেপি নেতৃত্ব।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর