শিরোনাম
প্রকাশ : ২৮ নভেম্বর, ২০২০ ০৮:৩৬
আপডেট : ২৮ নভেম্বর, ২০২০ ১০:৫৬
প্রিন্ট করুন printer

গ্রামের নাম ‌‘ফাকিং,’ বিড়ম্বনায় বদলে হচ্ছে ‘ফাগিং’

অনলাইন ডেস্ক

গ্রামের নাম ‌‘ফাকিং,’ বিড়ম্বনায় বদলে হচ্ছে ‘ফাগিং’

গ্রামের নাম ‌‘ফাকিং’। তা নিয়ে ইন্টারনেটে বহু ঠাট্টা হয়েছে। অগত্যা গ্রামের নাম বদলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। হাজার বছরের পুরনো নাম তরা বদলে ফেলছেন। 

জার্মানির সীমান্তে অবস্থিত ছোট্ট এই গ্রামে লোকসংখ্যা শখানেক। দীর্ঘদিন ধরেই এই গ্রামের নাম ফাকিং। ইন্টারনেট আসার আগে পর্যন্ত গ্রামের নাম নিয়ে কোনো সমস্যাও ছিল না। কিন্তু ইন্টারনেট আসতেই শুরু হলো সমস্যা। বাড়লো পর্যটকদের উৎপাত। অন্য কোনো কারণে নয়, সকলেই গ্রামের নাম লেখা সাইনবোর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন। ফলে শেষ পর্যন্ত গ্রামের মানুষ নাম বদলানোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন। প্রশাসনকে জানানো হয়, আগামী ১ জানুয়ারি থেকে নাম বদলে হচ্ছে ‘ফাগিং’। 

জার্মান ভাষায় ফাকিং শব্দের কোনো অর্থ নেই। উচ্চারণ ফাগিং। এতদিন এই নাম নিয়ে যে বিপত্তি হতে পারে, তা বুঝতেই পারেননি গ্রামের মানুষ। বস্তুত এই গ্রামের অদূরেই রয়েছে আরও দুইটি গ্রাম-- কিসিং এবং ওয়েডিং। বহু পর্যটকই জার্মানির মিউনিখ থেকে সালজবুর্গের রাস্তায় এই গ্রামগুলোতে নেমে ছবি তোলেন। সাইনবোর্ড তুলে নেন সংগ্রহে রাখার জন্য। ইন্টারনেটে নামের জন্য ভাইরাল হয়ে গেছে এলাকাটি। ফলে সাধারণ মানুষের সমস্যা বেড়েছে।

ফাকিং শব্দের ইংরেজি অর্থ জানার পরে গ্রামের মানুষেরও বিপত্তি বেড়েছে। কোনো কোনো ব্যক্তি ফাকিং সাইনবোর্ডের গায়ে লিখে দিয়েছেন ‘আমাদের আবহাওয়া ফাকিং গুরুত্বপূর্ণ’। গ্রামের মানুষ চাইছিলেন না, এই বিপত্তি চলুক। সে কারণেই তারা নাম বদলের সিদ্ধান্ত নেন।

ফাকিং নাম বদলানোর সিদ্ধান্ত নিলেও একই ধরনের আরও বেশ কয়েকটি জনপদ এখনো পুরনো নাম বদলের কথা ভাবেনি। তেমনই দুইটি গ্রামের নাম ওবারফাকিং, উনটারফাকিং। জার্মান সীমান্তে পাহাড়ের কোলে এই দুইটি গ্রামও কি ফাকিংয়ের পথ অনুসরণ করবে?

সূত্র: ডয়চে ভেলে 

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ জানুয়ারি, ২০২১ ১২:৩৪
প্রিন্ট করুন printer

একদিনের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হলেন তরুণী!

অনলাইন ডেস্ক

একদিনের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হলেন তরুণী!
সৃষ্টি গোস্বামী

ভারতের আজ রবিবার পালিত হচ্ছে ‘জাতীয় শিশু কন্যা দিবস’। দিনটিকে বিশেষভাবে স্মরণীয় করে রাখতে অভিনব উদ্যোগ নিল দেশটির উত্তরাখণ্ডের বিজেপি সরকার। এদিন ২৪ ঘণ্টার জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসলেন সৃষ্টি গোস্বামী নামে ১৯ বছর বয়সী তরুণী। দেরাদুনে আয়োজিত চাইল্ড অ্যাসেম্বলিতে অংশও নেবেন তিনি।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, এর আগে ২০১৮ সাল থেকে সৃষ্টি উত্তরাখণ্ডের শিশু বিধানসভার মুখ্যমন্ত্রী পদে রয়েছেন। হরিদ্বারের দৌলতপুর গ্রামের বাসিন্দা সৃষ্টি বর্তমানে কৃষি বিজ্ঞানের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। বাবা প্রবীন গোস্বামী গ্রামেই একটি ছোট দোকান চালান। মা একজন অঙ্গনওয়ারি কর্মী। এর আগেও সৃষ্টি শিশুকন্যা দিবসে বহু আন্তর্জাতিক স্তরের অনুষ্ঠানে যোগদান করেন।

২৪ ঘণ্টার জন্য এত বড় দায়িত্ব পেয়ে আপ্লুত সৃষ্টি। তার কথায়, "এটা সত্যি যে আমি এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না। আমি এতটাই অভিভূত। তবে একইসঙ্গে আমি কথা দিচ্ছি, আমার যথাসাধ্য চেষ্টা করব। প্রশাসনিক কাজে যাতে আগামীদিনে যুব সমাজ দক্ষ হয়ে উঠতে পারে, সেই প্রচেষ্টাই করব।’

সংবাদ প্রতিদিনের খবরে বলা হয়েছে, এদিন উত্তরাখণ্ডের গ্রীষ্মকালীন রাজধানী গয়েরসাইন থেকে প্রশাসনের কাজকর্মের উপর নজর রাখবেন সৃষ্টি। ত্রিবেন্দ্র সিংহ রাওয়াত সরকার পরিচালিত বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্প কতটা রূপায়ণ হয়েছে, কতদূর কাজ এগিয়েছে, তা খতিয়ে দেখে মূল্যায়ণ করবেন তিনি। এই  প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘অটল আয়ুষ্মান প্রকল্প’, ‘স্মার্ট সিটি প্রজেক্ট’, রাজ্য সরকারের পর্যটন দফতরের হোমস্টে স্কিম ও আরও নানা উন্নয়নমূলক প্রকল্প।

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ

 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:১১
প্রিন্ট করুন printer

১ বাবা, ২৭ মা, ১৫০ ভাই-বোন!

অনলাইন ডেস্ক

১ বাবা, ২৭ মা, ১৫০ ভাই-বোন!

কানাডার অন্যতম পরিচিত ব্যক্তি উইনস্টোন ব্ল্যাকমোর। ৬৪ বছরের এই ব্যক্তির স্ত্রীর সংখ্যা ২৭। তার ছেলে-মেয়ে রয়েছে ১৫০টি। ওই পরিবারের সদস্য ১৯ বছরের মার্লিন ব্ল্যাকমোর সম্প্রতি নিজের এই বিশাল পরিবারে কথা শেয়ার করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। 

কারও জন্মদিনে কীভাবে উৎসব হয় তাদের বাড়িতে, বা এতো সংখ্যক ভাই-বোনের সঙ্গে স্কুলে যাওয়ার অভিজ্ঞতা নজর কেড়েছে নেটাগরিকদের। খবর আনন্দবাজারের

কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়ার বাউন্টিফুলে তার বিশাল পরিবারের সঙ্গে থাকেন মার্লিন। তিনি ছাড়াও তার দুই ভাই মুরারি এবং ওয়ারেনও নিজেদের পরিবারের কথা শেয়ার করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। এতোজনের সঙ্গে থাকা যেমন মজার তেমনই অস্বস্তিরও। ওই তিন ভাইয়ের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে উঠে এসেছে সেই বিষয়টিও।

মার্লিন জানিয়েছেন, ১৫০ জন ভাই-বোনের মধ্যে সবচেয়ে বড়জনের বয়স ৪৪ বছর। সবচেয়ে ছোটজনের বয়স ১ বছর। প্রত্যেকে তাদের গর্ভধারিণী মাকে ‘মাম’ বলে ডাকেন। বাকি সৎ মায়েদের ডাকেন ‘মাদার’ বলে। দুই ভিন্ন মায়ের সন্তান। কিন্তু তাদের জন্ম একই দিনে- তাদের বাড়িতে এ রকম উদাহরণও রয়েছে। 

মার্লিন জানিয়েছেন, ভাই-বোনেরা একই স্কুলে পড়ে। সেই স্কুলের মালিক তার বাবা উইনস্টোন। অস্বাভাবিক বড় পরিবারে নিজের ভাই-বোনদের সামলাতে সামলাতে বাইরের কারও সঙ্গে তাদের সেভাবে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে না বলেই জানিয়েছেন মার্লিন।

বাবা, ১৫০ ভাই-বোন এবং ২৭ জন মাকে নিয়ে বিশাল পরিবারের সদস্যরা কেউ আলাদা থাকেন না। সকলেই একই বাড়িতে থাকেন। তাদের সেই বাড়ির নাম মোটেল হাউস। এতোজনের জন্য বাজার থেকে জিনিস কেনাও কতটা সমস্যার তাও তারা হাড়ে হাড়ে টের পান। সেজন্যই তাদের বাড়ির মধ্যেই হয় শাকসবজির চাষ। 

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ১২:২৫
প্রিন্ট করুন printer

মনিবের জন্য কুকুরের কাণ্ড!

অনলাইন ডেস্ক

মনিবের জন্য কুকুরের কাণ্ড!

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মনিব। আর মনিবের জন্য হাসপাতালের বাইরে দিনের পর দিন অপেক্ষা করছে একটি কুকুর। মনিবের প্রতি এমন নিষ্ঠাবান এক কুকুরের সন্ধান মিলেছে তুরস্কে। 

জানা গেছে, কুকুরটির নাম বনকুক। প্রাণীটি তার মনিব সেমাল সেনতুর্ককে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া অ্যাম্বুলেন্স অনুসরণ করে প্রতিদিনই হাসপাতালে আসতে থাকে।

কিন্তু ভেতরে ঢুকতে পারেনি। মনিব সেনতুর্ককে হুইলচেয়ারে করে বাইরে নিয়ে আসা হলে বনকুক অবশেষে তার মনিবের দেখা পায়।

সেনতুর্ককে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হলে মনিবের সঙ্গে কুকুরটি বাড়ি ফিরে যায়।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:২৩
প্রিন্ট করুন printer

এক মিনিটে ২৩০ বার স্কিপিংয়ে বিশ্ব রেকর্ড! (ভিডিও)

অনলাইন ডেস্ক

এক মিনিটে ২৩০ বার স্কিপিংয়ে বিশ্ব রেকর্ড! (ভিডিও)

ভিডিওটি দেখলে প্রথমে পুরো বিষয়টি বোঝা বড় মুশকিল। মনে হয় যেন দড়ির উপরে শূন্যেই ভেসে রয়েছে খুদেরা। নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে সমস্যা হবে। তবে এটাই সত্যি। এক মিনিটে ২৩০ বার স্কিপিংয়ের মধ্যে দিয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়লো জাপানের খুদেরা। এই স্কিপিংয়ের গতি এত ছিল যে, খালি চোখে বোঝা কষ্টকর।

কয়েক সপ্তাহ আগেই নিজেদের ইনস্টাগ্রাম পেইজে এই ভিডিও শেয়ার করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ। শুধুমাত্র একটি দড়ির উপর ঝড়ের বেগে লাফিয়ে চলেছে একদল খুদে। 

জাপানের ই-জাম্প ফিউজি টিমের ১৪ জন খুদে সদস্য মাত্র এক মিনিটের মধ্যে ২৩০ বার স্কিপিং করেছে। এক্ষেত্রে ১২ জন স্কিপিংয়ের কাজ করছিল। আর দু'জন দড়ি ধরেছিল।

ইতোমধ্যেই স্কিপিং প্লেয়ারদের এই স্কিলে মজেছেন নেটিজেনরা। নেটিজেনদের একাংশের কথায় এই স্কিপিংয়ের গতি অত্যন্ত বেশি। দেখলে মনে হয় যেন রীতিমতো উড়ছেন প্লেয়াররা।

এর আগেও এক মিনিটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্কিপিংয়ের রেকর্ড তৈরি হয়েছিল। ২০১৩ সালে সেই স্কিপিংয়ের রেকর্ড গড়েছিল জাপানের হিরোমি এলিমেন্টারি স্কুলের ছাত্ররা। ১ মিনিটে মোট ২১৭ বার স্কিপিংয়ের রেকর্ড তৈরি হয়। অন্যদিকে, ২০১৮ সালের ৮ ডিসেম্বর আরও একটি রেকর্ড তৈরি হয়। জাপানের টোকিওর শিনাগাবা বাসিন্দা হিজিকি ইকুয়েমা ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে একটি ১০ মিটার দড়ির উপরে সর্বাধিক স্কিপিং করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়ে ফেলেন। ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে ওই দড়ির উপর দিয়ে ২৬ বার লাফিয়ে ছিলেন তিনি।

ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি, ২০২১ ১৩:১১
আপডেট : ২২ জানুয়ারি, ২০২১ ১৩:৩৮
প্রিন্ট করুন printer

বিশ্বে ঘরে বসে খাবার অর্ডারে সবচেয়ে জনপ্রিয় পিৎজা

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্বে ঘরে বসে খাবার অর্ডারে সবচেয়ে জনপ্রিয় পিৎজা

‘টেকঅ্যাওয়ে’ তথা ঘরে বসে রেস্টুরেন্টের খাবার অর্ডার করা কিংবা দোকান থেকে খাবার কিনে নিয়ে যাওয়া এখন সারা বিশ্বেই জনপ্রিয় একটি মাধ্যম। ফুড ডেলিভারি প্রতিষ্ঠান বাড়ার সাথে সাথে এই মাধ্যমও জনপ্রিয় হচ্ছে। কিন্তু এভাবে ঘরে বসে খাবার অর্ডারের দিক দিয়ে কোন খাবারটি বেশি জনপ্রিয়? এক জরিপে উঠে এসেছে, এ ক্ষেত্রে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় খাবার হলো পিৎজা। অর্থাৎ ‘টেকঅ্যাওয়ে’ পদ্ধতিতে  এই খাবারটি বেশি অর্ডার হয়েছে। গুগল সার্চ ডেটা থেকে তৈরি ওয়ার্ল্ড ম্যাপ অনুযায়ী এ জরিপ চালানো হয়।  

প্রতিটি দেশ থেকে সবচেয়ে বেশিবার সার্চ করা টেকঅ্যাওয়ে খাবারের ভিত্তিতে এই তালিকা করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের ইন্সুরেন্স ওয়েবসাইট মানিবিচ গুগলের তথ্যানুসারে ম্যাপটি তৈরি করেছে। খাবার নিয়ে যাওয়া সংক্রান্ত সার্চ টার্মের মাসিক গড় অনুযায়ী এ তলিকা।

তালিকায় দেখা গেছে, ৪৪টি দেশে পিৎজা পছন্দের শীর্ষে। এর মধ্যে আছে ভারত ও জার্মানির নাম। তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ধরে রেখেছে চায়নিজ খাবার। মোট ২৯টি দেশে চীনা খাবার  শীর্ষস্থানে। ব্রিটেন ও আমেরিকায় এ খাবার জনপ্রিয়। তৃতীয় যে খাবার মানুষ দোকান থেকে নিয়ে যায়, তা হলো সুশি। সুইডেন ও সুশির উৎপত্তিস্থল জাপানসহ ১০টি দেশের সার্চে শীর্ষে রয়েছে এই খাবার।

সূত্র: ডেইলি মেইল

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর