Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ১৫ জুন, ২০১৯ ১৩:৩৯

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সন্তোষ প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সন্তোষ প্রকাশ

দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান গভীর হৃদ্যতাপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। 

তাজিকিস্তানে একটি সম্মেলনের ফাঁকে শুক্রবার ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের।

শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

এতে উল্লেখ করা হয়, কনফারেন্স অন ইন্টারঅ্যাকশন অ্যান্ড কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজার্স ইন এশিয়ার (সিআইসিএ) পঞ্চম শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে তাজিকিস্তানের রাজধানী দুশানবেতে অবস্থানরত রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সফরসঙ্গী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন  ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করের সঙ্গে স্থানীয় হোটেল সেরিনায় এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর জয়শঙ্করের সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এটিই প্রথম সাক্ষাৎ।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান গভীর হৃদ্যতাপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন বৈঠকে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারিত হবে। বহুল প্রত্যাশিত তিস্তা চুক্তি সম্পাদন ও সীমান্তে হত্যাকাণ্ড বন্ধে ড. মোমেন ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ভারতের সক্রিয় সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, প্রতিবেশী দেশসমূহের সঙ্গে ভারতের সদ্ভাব ও সম্পর্ক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার পরিণত সংবেদনশীলতা প্রদর্শন করেছে।

বৈঠকে ড. মোমেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাদের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা এবং পরিপক্ক ও প্রশংসনীয় নেতৃত্বের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘ-বিরাজিত অমীমাংসিত ও স্পর্শকাতর ইস্যুসমূহ সমাধান করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে যে অভূতপূর্ব উচ্চতায় উন্নীত করেছেন, তা বিশ্বের অপরাপর দেশসমূহের জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। 

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য